গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

মেনু

পরীক্ষাভীতি দূর করে আনন্দময় পরিবেশে এসএসসি আয়োজন

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৭:২৬ পিএম, ২০ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ০৭:৪২ এএম ২০২৬
পরীক্ষাভীতি দূর করে আনন্দময় পরিবেশে এসএসসি আয়োজন
ছবি

ছবি সংগৃহীত

আগামীকাল মঙ্গলবার শুরু হতে যাওয়া এসএসসি ও সমমান পরীক্ষাকে ঘিরে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মানসিক চাপ কমিয়ে আনন্দময় ও ইতিবাচক পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যেই সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

সোমবার (২০ এপ্রিল) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষার্থীদের মন থেকে ‘পরীক্ষা ভীতি’ দূর করতে বদ্ধপরিকর। করোনার কারণে এ বছরের পরীক্ষার্থীরা প্রাথমিক ও জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি, ফলে এটিই তাদের জীবনের প্রথম পূর্ণ সিলেবাসভিত্তিক পাবলিক পরীক্ষা। সে কারণে পরীক্ষা যেন কোনোভাবেই আতঙ্কের কারণ না হয়, তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মাহদী আমিন আরো বলেন, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও সাহসিকতা ইতোমধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিফলিত হয়েছে, যা পরীক্ষাতেও দেখা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সহিষ্ণুতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, প্রশ্নফাঁস ও জালিয়াতি রোধে ‘পাবলিক পরীক্ষা আইন ১৯৮০’ সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন আইনে ডিজিটাল অপরাধ এবং দায়িত্বে অবহেলার বিষয়গুলো শাস্তির আওতায় আনা হবে।

পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে এবার কেন্দ্রগুলো সকাল সাড়ে ৮টা থেকে খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে যানজট এড়িয়ে সময়মতো কেন্দ্রে পৌঁছানো যায়। এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নিরাপদ পানি, পর্যাপ্ত আলো-ফ্যান, স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট এবং জরুরি বিদ্যুতের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

ছাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতেও সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান উপদেষ্টা।

খাতা মূল্যায়নের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অযথা কঠোরতা নয়, বরং সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করাই লক্ষ্য। এজন্য পরীক্ষকদের পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হচ্ছে এবং র‌্যান্ডম পদ্ধতিতে মূল্যায়নের মান যাচাই করা হবে।

কোচিং সেন্টার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শ্রেণিকক্ষভিত্তিক পাঠদান কার্যকর হলে কোচিংয়ের প্রয়োজন কমে যাবে। তবে পরীক্ষা চলাকালে কোনো ধরনের অপরাধ বা প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

লোডশেডিংয়ের কারণে পড়াশোনায় ব্যাঘাতের বিষয়টি উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী জানান, পরীক্ষা চলাকালে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ইতোমধ্যে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

সবশেষে শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে হাসিমুখে পরীক্ষা দিতে আহ্বান জানিয়ে সবার জন্য শুভকামনা জানান তিনি।

এসি/আপ্র/২০/০৪/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

এবার চিনিতেও মিলল ব্যাপক মাত্রায় মাইক্রোপ্লাস্টিক
২৯ জুলাই ২০২৬

এবার চিনিতেও মিলল ব্যাপক মাত্রায় মাইক্রোপ্লাস্টিক

বাংলাদেশের বাজারে বিক্রি হওয়া চিনিতে ব্যাপক মাত্রায় মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। নতুন...

মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী
২৯ জুলাই ২০২৬

মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের...

দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে ছয় বাংলাদেশি নিহত, নারায়ণগঞ্জে শোক
২৯ জুলাই ২০২৬

দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে ছয় বাংলাদেশি নিহত, নারায়ণগঞ্জে শোক

দক্ষিণ আফ্রিকার ইস্টার্ন কেপ প্রদেশের কুইন্সটাউন (কোমানি) শহরের একটি সুপারশপে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছয় ব...

চলতি বছরেই শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: তথ্য উপদেষ্টা
২৮ জুলাই ২০২৬

চলতি বছরেই শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: তথ্য উপদেষ্টা

চলতি বছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 10 ঘন্টা আগে