প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শুধু সেনাবাহিনী নয়, দেশের প্রতিটি সেক্টর সংস্কার ও প্রতিটি মানুষের উন্নয়নের ইশতেহার আমরা বাস্তবায়ন করতে চাই। রাষ্ট্র মেরামতের লক্ষ্যে বিএনপি জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছিল। জুলাই সনদের প্রতিটি দফা যথাযথভাবে বাস্তবায়নে এই সরকার বদ্ধপরিকর।
রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে ঢাকা সেনানিবাসে প্রধানমন্ত্রীর দরবার অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি সেনাবাহিনীর পেশাদারত্ব, দায়িত্ববোধ ও দেশপ্রেমের প্রশংসাও করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সশস্ত্র বাহিনী কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর সম্পত্তি নয়। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষাই সেনাবাহিনীর একমাত্র পবিত্র দায়িত্ব। সেনাবাহিনীর ভূমিকার প্রতি শ্রদ্ধা ও আস্থাও প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ড চালিয়ে সেনাবাহিনীকে দুর্বল করে দেওয়া হয়েছিল। এর পরের শাসনামলেও নানা কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হয়েছিল।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময় এবং অন্তর্বর্তী সরকারের পুরো আমলে সেনাবাহিনীর দায়িত্বশীল ভূমিকার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও সেনাবাহিনী স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করেছে।
সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সশস্ত্র বাহিনী যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে, তবে বাংলাদেশকে কখনো কেউ পরাজিত করতে পারবে না। তিনি যে দেশপ্রেমের অগ্নিশিখা জ্বালিয়েছিলেন, তা যেন নিভে না যায়।
এসি/আপ্র/১২/৪/২০২৬