গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

জামিন চাই না, বাসায় ফেরার তাড়া নেই-বললেন দীপু মনি

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৯:৫৫ পিএম, ২৮ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ০১:৪৭ এএম ২০২৬
জামিন চাই না, বাসায় ফেরার তাড়া নেই-বললেন দীপু মনি
ছবি

দীপু মনি -ফাইল ছবি

স্বামী তৌফীক নাওয়াজের মৃত্যুর পর আর বাসায় ফেরার তাগিদ অনুভব করছেন না জানিয়ে নিজের জামিন আবেদন প্রত্যাহারের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন কারাবন্দি আওয়ামী লীগ নেত্রী ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট)  আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ হাজির হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

এদিন তার জামিন আবেদনের শুনানির দিন ধার্য ছিল। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে শুনানি শুরুর আগে কথা বলার অনুমতি চান দীপু মনি। অনুমতি পেয়ে কাঠগড়ায় থাকা মাইক্রোফোনে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন তিনি।

ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

দীপু মনি বলেন, ‘আমি দুই বছর ধরে কারারুদ্ধ আছি। গত এপ্রিল মাসে আমার জামিন আবেদন করা হয়েছে। এখন আমি জামিন চাই না। আমি জামিন আবেদন প্রত্যাহার করতে চাই।’

এরপর নিজের স্বামী তৌফীক নাওয়াজের অসুস্থতা ও মৃত্যুর কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এর আগে জামিন আবেদন শুনানির সময় ট্রাইব্যুনাল বলেছিলেন, বাসায় গিয়ে কী করবেন? এখন আমার আর বাসায় যাওয়ার দরকার নেই।’

দীপু মনি জানান, তার স্বামী সাত বছর শয্যাশায়ী ছিলেন এবং তার বাকশক্তিও ছিল না। কোনো কথা বললে চোখের পলক ফেলে তিনি উত্তর দিতেন। সরকারি দায়িত্ব পালনের সময়ও পাঁচ বছর ধরে তিনি শয্যাশায়ী স্বামীর যত্ন নিয়েছেন বলে জানান দীপু মনি।

তিনি বলেন, ‘এ অবস্থায় বাড়ি ছেড়ে আমার স্বামীকে দুই বছর অজ্ঞাত স্থানে থাকতে হয়েছে। আশ্রিত অবস্থায় ছিলেন; আমিও যত্ন নিতে পারিনি। এ জীবন তিনি মেনে নিতে পারেননি।’

তৌফীক নাওয়াজ গত ১৮ আগস্ট রাতে মারা যান। এর আগে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত ২৬ এপ্রিল তার কাছে থাকার সুযোগ চেয়ে দীপু মনির আইনজীবী জামিনের আবেদন করেছিলেন।

স্বামীর শেষ সময়ে পাশে থাকতে না পারার আক্ষেপ জানিয়ে দীপু মনি ট্রাইব্যুনালকে বলেন, ‘তখন তার কাছে যাওয়ার জন্য জামিন আবেদন করেছিলাম। ৩৯ বছরের জীবনসঙ্গীর শেষ সময়ে কাছে থাকতে পারিনি। এখন আমার বাসায় যাওয়ার প্রয়োজন ফুরিয়েছে। আমি আর কার কাছে যাব? সন্তানরা জামিন চায়। আমার বাসায় যাওয়ার আর তাড়া নেই।’

দীপু মনির বক্তব্য শুনে ট্রাইব্যুনাল তার প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন। বিচারকরা বলেন, তারা বিষয়টি নিয়ে খুবই ব্যথিত এবং তার আবেদনের যৌক্তিকতা রয়েছে। তবে জামিনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আদালতকে আরও অনেক বিষয় বিবেচনায় নিতে হয়।

পরে ট্রাইব্যুনাল দীপু মনির জামিন আবেদনের শুনানির জন্য আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেন। ফলে ওই দিন শুনানির পর তার জামিনের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানা যাবে।
সানা/আপ্র/২৮/৮/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

সব সরকারি অফিসে জাতীয় পতাকা প্রদর্শনে যথাযথভাবে অনুসরণের নির্দেশ
২২ অক্টোবর ২০২৬

সব সরকারি অফিসে জাতীয় পতাকা প্রদর্শনে যথাযথভাবে অনুসরণের নির্দেশ

সরকারি ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের অফিস কক্ষে জাতীয় পতাকা প্রদর্শনের ক্ষেত্রে প্রচলিত বিধিমালা যথাযথভা...

বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্টে হাসপাতালে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মঈন খান
২২ অক্টোবর ২০২৬

বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্টে হাসপাতালে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মঈন খান

বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট ও হৃদরোগের সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সম...

দেশে সাইবার হামলার উচ্চ ঝুঁকি, সরকারি-বেসরকারি ওয়েবসাইটে সতর্কতা
২২ অক্টোবর ২০২৬

দেশে সাইবার হামলার উচ্চ ঝুঁকি, সরকারি-বেসরকারি ওয়েবসাইটে সতর্কতা

জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ভাষা পিএইচপিতে দুটি গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটি শনাক্ত হওয়ার পর দেশে সাইবার হামলা নি...

জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস আজ, উদ্যোগের চেয়ে বাস্তবায়ন বড় প্রশ্ন
২২ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস আজ, উদ্যোগের চেয়ে বাস্তবায়ন বড় প্রশ্ন

সড়কে নিরাপদে চলাচল মানুষের মৌলিক অধিকার। অথচ প্রতিদিনই সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছেন মানুষ, পঙ্গুত্ব...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পতিত স্বৈরাচার ও বিরোধী দল বিশৃঙ্খলার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত: প্রধানমন্ত্রী

দেশের বিভিন্ন স্থানে ও কলকারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টির পেছনে পলাতক স্বৈরাচার ও কয়েকটি রাজনৈতিক দলের যোগসাজশ রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ বিষয়ে তাঁর কাছে গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে দাবি করে তিনি বলেছেন, এক পক্ষ সীমান্তের ওপার থেকে অর্থ সরবরাহ করছে, অন্য পক্ষ দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রিয় পাঠক, আপনি কি প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সঙ্গে একমত?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 19 ঘন্টা আগে