গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
রোববার, ০৭ জুন ২০২৬

মেনু

চুক্তি অনিশ্চিত, যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির সম্ভাবনা ক্ষীণ

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১:০১ পিএম, ২১ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ০২:০৭ এএম ২০২৬
চুক্তি অনিশ্চিত, যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির সম্ভাবনা ক্ষীণ
ছবি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প -ফাইল ছবি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ার সম্ভাবনা খুবই কম বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন সময় বুধবার (২২ এপ্রিল) সন্ধ্যা পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি বহাল থাকবে, তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো চুক্তি না হলে সংঘাত আবার শুরু হতে পারে।

টেলিফোনে ব্লুমবার্গ-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর সম্ভাবনা তিনি খুব একটা দেখছেন না। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেছেন, কোনো খারাপ চুক্তিতে তাড়াহুড়ো করে সই করবেন না এবং আলোচনার জন্য পর্যাপ্ত সময় রয়েছে।

চুক্তি না হলে যুদ্ধ পুনরায় শুরু হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প সরাসরি জানান, সমঝোতা না হলে সংঘাত আবার শুরু হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। যদিও অতীতে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্যে ভিন্নতা দেখা গেছে, তবে সময়সীমা ঘনিয়ে আসায় সর্বশেষ অবস্থানে কঠোরতার ইঙ্গিত মিলেছে।

এর আগে ট্রাম্প ঘোষণা দেন, পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ-এ সোমবারই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চুক্তি সই হতে পারে। ফক্স নিউজ-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এই প্রত্যাশার কথা জানান। একইসঙ্গে জে ডি ভ্যান্স-এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল আলোচনায় অংশ নিতে ইসলামাবাদের পথে রয়েছে বলেও জানান তিনি।

তবে ইরান এই আলোচনায় অংশগ্রহণ নিয়ে এখনও স্পষ্ট সিদ্ধান্ত দেয়নি। কখনও তারা অংশ না নেওয়ার কথা বলছে, আবার আলোচনায় যোগ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে বলেও জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠক কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়। ইসলামি বিপ্লব-এর পর এটিই ছিল দুই দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের আলোচনা। কূটনীতিকদের মতে, পর্যাপ্ত প্রস্তুতির অভাব এবং যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নিয়ে মতপার্থক্য চুক্তি ব্যর্থ হওয়ার অন্যতম কারণ।

অন্যদিকে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ প্রসঙ্গে ইসরায়েলের ভূমিকা নিয়ে ওঠা সমালোচনার মধ্যে ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধে জড়াতে ইসরায়েল কোনো প্ররোচনা দেয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে দেশটির সম্ভাব্য পারমাণবিক সক্ষমতা ঠেকাতে।

তবে সমালোচকদের মতে, এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা দেশটির স্বার্থের চেয়ে ইসরায়েলের স্বার্থকেই এগিয়ে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরেও এ নিয়ে অসন্তোষ বাড়ছে, এমনকি জনমত জরিপে দেখা গেছে, অধিকাংশ নাগরিক এই যুদ্ধ সমর্থন করেন না।
সানা/আপ্র/২১/৪/২০২৬


 

সংশ্লিষ্ট খবর

মদ বিক্রির টাকা থেকে পার্টি ফান্ড সংগ্রহ রুখে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়
০৭ জুন ২০২৬

মদ বিক্রির টাকা থেকে পার্টি ফান্ড সংগ্রহ রুখে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়

দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই তামিলনাড়ু স্টেট মার্কেটিং কর্পোরেশনের (টাসম্যাক) অনিয়ম,...

যুক্তরাজ্যে শিশুনিপীড়নে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ইমামের ছয় বছরের কারাদণ্ড
০৬ জুন ২০২৬

যুক্তরাজ্যে শিশুনিপীড়নে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ইমামের ছয় বছরের কারাদণ্ড

যুক্তরাজ্যের গ্লুচেস্টারশায়ারে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শাহ মাসুকুর রশিদ নামে এক ব্যক্তিকে দুই শিশুকন্যার...

অবৈধ বিদেশি বিতাড়ন নিয়ে যা জানালো ভারত
০৬ জুন ২০২৬

অবৈধ বিদেশি বিতাড়ন নিয়ে যা জানালো ভারত

বাংলাদেশিসহ যেসব বিদেশি নাগরিক অবৈধভাবে ভারতে অবস্থান করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে দেশটির নিজস্ব আইন অনুযা...

৩৯ দেশের অভিবাসন বিধিনিষেধ বাতিল মার্কিন আদালতে
০৬ জুন ২০২৬

৩৯ দেশের অভিবাসন বিধিনিষেধ বাতিল মার্কিন আদালতে

বিশ্বের ৩৯টি দেশের আশ্রয়প্রার্থী ও অভিবাসনপ্রক্রিয়ার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

ঢাকা আর বাসযোগ্য নেই, সব রোগের মূল বুড়িগঙ্গা

রাজধানী ঢাকার বর্তমান পরিবেশ ও নাগরিক দুরবস্থা নিয়ে চরম হতাশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘এটা (ঢাকা) আর বাসযোগ্য মনে হয় না। ঘর থেকে বেরোলেই নিঃশ্বাস নেওয়া যায় না, চারদিকে দূষিত বাতাস। আমার তো মনে হয়, ঢাকার সব রোগের মূলেই বুড়িগঙ্গা। আপনি কি মন্ত্রীর এই বক্তব্যে একমত?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে