পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে প্রথম দিল্লি সফরে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করলেন খলিলুর রহমান।
বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে দিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে বৈঠকের পর ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে একান্ত আলোচনাও করেন খলিলুর রহমান।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, প্রতিবেশী দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দ্বিপক্ষীয় বিষয়গুলোর পাশাপাশি আঞ্চলিক বিষয় নিয়ে কথা বলেন।
জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও ছিলেন। তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে দিল্লি সফরে গেছেন।
২০২৪ সালে জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে যে টানাপোড়েন তৈরি হয়, গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিএনপি সরকার গঠনের পর সম্পর্কের সেই বরফ গলার ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে।
এর ধারাবাহিকতায় তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের প্রথম মন্ত্রী হিসেবে ভারত সফরে গেলেন খলিলুর রহমান। এই ‘শুভেচ্ছা’ সফরে গতকালই দিল্লি পৌঁছান তিনি।
বুধবার দুপুরে হায়দরাবাদ হাউসে পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বসেন নিজেদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে। তার আগে সকালে ভারতের কয়েকজন সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রাতঃরাশ সভায় যোগ দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। বিকেলে ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসবিষয়ক মন্ত্রী হারদীপ সিং পুরির সঙ্গে তাঁর বৈঠক হয়।
পারস্পরিক মর্যাদা ও আস্থার ভিত্তিতে দীর্ঘ মেয়াদে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তা নিয়ে ভারতে যাওয়ার প্রথম দিনেই দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন খলিলুর রহমান। পররাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার আগে অন্তর্বর্তী সরকার আমলে খলিলুর রহমানও বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার দায়িত্বে ছিলেন।
মরিশাসে ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরকে নিয়ে ভারত গেলেন খলিলুর রহমান। তাঁরা আগামীকাল সকালে মরিশাসের উদ্দেশে দিল্লি ছাড়বেন। ১১ ও ১২ এপ্রিল মরিশাসের রাজধানী পোর্ট লুইসে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
সানা/আপ্র/৮/৪/২০২৬