ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের জয় হলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম দ্রুত ও বড় আকারে কমে যাবে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রলের দাম প্রতি গ্যালন ৩ ডলারে নেমে আসবে এবং শেষ পর্যন্ত তা ২ ডলারের নিচেও চলে যেতে পারে। এক গ্যালনে প্রায় ৩ দশমিক ৮ লিটার।
ট্রাম্প বলেন, তেলের দাম দ্রুত কমবে। একই সঙ্গে তিনি আবারো দাবি করেন, ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে দেওয়া হবে না।
তবে ট্রাম্পের এমন দাবির মধ্যেই আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়ছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৩৪ সেন্ট বা ০ দশমিক ৩৫ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৭ দশমিক ৩৪ ডলারে উঠেছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ১ দশমিক ১৫ ডলার বা ১ দশমিক ২৬ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯২ দশমিক ৬৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের আশঙ্কা বাড়ায় তেলের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগও বেড়েছে। ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তার সম্পদে নতুন করে হামলা চালালে তারা পাল্টা জবাব দেবে। এতে বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এর আগে সর্বশেষ লেনদেনের সময় ব্রেন্ট তেলের দাম ২৪ জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে উত্তেজনা বাড়ায় ব্যবসায়ীরা তেলের দামের সঙ্গে অতিরিক্ত ঝুঁকিমূল্য যোগ করছেন।
বিশ্বের অপরিশোধিত তেল পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি। ফলে এই অঞ্চলে সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বৈশ্বিক তেল সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এসি/আপ্র/০৮/০৯/২০২৬