দেশে ব্যক্তি পর্যায়ে মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারের হার বেড়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ‘আইসিটি প্রয়োগ ও ব্যবহার জরিপ ২০২৫-২৬’-এর চতুর্থ প্রান্তিকের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
রোববার প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ৫ বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সীদের মধ্যে বর্তমানে ৮৯ দশমিক ৬ শতাংশ মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ে এ হার ছিল ৮৮ দশমিক ২ শতাংশ।
একই সময়ে নিজস্ব মোবাইল ফোনের মালিকানার হার ৬৪ দশমিক ২ শতাংশ থেকে বেড়ে ৬৫ দশমিক ৬ শতাংশ হয়েছে। ব্যক্তি পর্যায়ে ইন্টারনেট ব্যবহারের হারও ৫৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ৫৯ দশমিক ২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। কম্পিউটার ব্যবহারের হার রয়েছে ১১ দশমিক ৮ শতাংশ।
খানা পর্যায়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশের প্রায় ৯৯ শতাংশ খানায় অন্তত একটি মোবাইল ফোন ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। স্মার্টফোনের উপস্থিতি ৭৪ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে বেড়ে ৭৫ দশমিক ১ শতাংশে পৌঁছেছে।
এ ছাড়া ৫৮ দশমিক ২ শতাংশ খানায় ইন্টারনেট সংযোগ, ৯৮ দশমিক ৬ শতাংশ খানায় বিদ্যুৎ, ৬০ দশমিক ১ শতাংশ খানায় টেলিভিশন, ১৫ দশমিক ৩ শতাংশ খানায় রেডিও এবং ৯ দশমিক ১ শতাংশ খানায় কম্পিউটার ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে।
বিবিএসের পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের আওতাধীন ‘ব্যক্তি ও খানা পর্যায়ে জেলাভিত্তিক আইসিটি ব্যবহারের সুযোগ ও প্রয়োগ পরিমাপ’ প্রকল্পের আওতায় দেশের ৬৪ জেলায় এ জরিপ পরিচালনা করা হয়। কম্পিউটার অ্যাসিস্টেড পার্সোনাল ইন্টারভিউয়িং (ক্যাপি) পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
এপ্রিল থেকে জুন ২০২৬ সময়ের তথ্য নিয়ে তৈরি এ প্রতিবেদনে দেশের ২ হাজার ৫৬৮টি নির্বাচিত নমুনা এলাকার ৬১ হাজার ৬৩২টি খানার তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে।
বিবিএস বলছে, জরিপের এসব তথ্য টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) পর্যবেক্ষণ, জেলাভিত্তিক আইসিটি উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নকে (আইটিইউ) ২২টি সূচকের তথ্য সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এসি/আপ্র/২/৯/২০২৬