গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

মেনু

তাপপ্রবাহে দেশের অর্থনীতিতে ক্ষতি হয়েছে ১.৮ বিলিয়ন ডলার

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:৩২ পিএম, ৩০ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ২১:৪৩ এএম ২০২৬
তাপপ্রবাহে দেশের অর্থনীতিতে ক্ষতি হয়েছে ১.৮ বিলিয়ন ডলার
ছবি

ছবি সংগৃহীত

তীব্র তাপপ্রবাহের প্রভাবে ২০২৪ সালে বাংলাদেশের উৎপাদনশীলতায় বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ফলে দেশের অর্থনীতিতে ১ দশমিক ৩ থেকে ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত ক্ষতি হয়েছে- যা বাংলাদেশের মোট জিডিপির প্রায় ০ দশমিক ৩ থেকে ০ দশমিক ৪ শতাংশের সমান বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

বুধবার (২৯ জুলাই) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাংক জানায়, তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গেলে উৎপাদনশীলতার ক্ষতি দ্রুত বাড়তে থাকে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী অতিরিক্ত গরমে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে রাজধানী ঢাকা। প্রতি বছর তাপপ্রবাহের কারণে ঢাকায় মোট কর্মঘণ্টার প্রায় ৩ শতাংশ নষ্ট হচ্ছে, যা প্রায় ৪ লাখ ৬৫ হাজার পূর্ণকালীন চাকরি হারানোর সমান।

বিশ্বব্যাংক সতর্ক করে বলেছে, বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ২০৮০ সালের মধ্যে ঢাকায় উৎপাদনশীল কর্মঘণ্টা হারানোর পরিমাণ বেড়ে ৭ দশমিক ৪ শতাংশে দাঁড়াতে পারে।

তাপজনিত ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক বা আরএমজি খাতও। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা, আন্তর্জাতিক অর্থ করপোরেশন এবং কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্লোবাল লেবার ইনস্টিটিউটের বিশ্লেষণ বলছে, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ার পোশাক শিল্পে তাপজনিত চাপ মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে ২০৩০ সালের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬৫ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয় হারানোর আশঙ্কা রয়েছে।History

প্রতিবেদনে বলা হয়, অতিরিক্ত তাপ বাংলাদেশের পোশাক কারখানাগুলোতে নারী শ্রমিকদের ওপর সহিংসতা ও হয়রানির ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে। তীব্র গরমের কারণে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়ায় এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।

বিশ্বব্যাংকের হিসাবে চরম তাপপ্রবাহের কারণে দক্ষিণ এশিয়ায় প্রতি বছর প্রায় ৩ কোটি ১০ লাখ পূর্ণকালীন চাকরির সমপরিমাণ উৎপাদনশীলতা হারিয়ে যাচ্ছে। এর পাশাপাশি, ২০৫০ সালের মধ্যে তাপপ্রবাহের প্রভাবে এ অঞ্চলের অর্থনীতি প্রায় ৭ শতাংশ পর্যন্ত সংকুচিত হতে পারে।

বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট জোহানেস জট বলেন, তাপসহনশীল নগর গড়ে তোলা কেবল মানুষের জীবন রক্ষার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং কর্মসংস্থান, উৎপাদনশীলতা, বিনিয়োগ এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার জন্যও এটি অত্যন্ত জরুরি। তিনি বলেন, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া গেলে ভবিষ্যতে আরও সহনশীল, প্রতিযোগিতামূলক ও বাসযোগ্য শহর গড়ে তোলা সম্ভব।

কেএমএএ/আপ্র/৩০.০৭.২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

আগস্টেও থাকবে জুলাইয়ে নির্ধারণ করা জ্বালানি তেলের মূল্য
৩০ জুলাই ২০২৬

আগস্টেও থাকবে জুলাইয়ে নির্ধারণ করা জ্বালানি তেলের মূল্য

ভোক্তাপর্যায়ে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আগস্ট মাসের জন্য প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১১৫...

প্রাইজবন্ডের ১২৪তম ড্র রোববার
৩০ জুলাই ২০২৬

প্রাইজবন্ডের ১২৪তম ড্র রোববার

একশো টাকা মূল্যমানের প্রাইজ বন্ডের ১২৪তম ‘ড্র’ আগামী রোববার (২ আগস্ট) অনুষ্ঠিত হবে। ওইদিন বেলা ১১টায়...

রপ্তানি বহুমুখীকরণে ১ লাখ ৮০ হাজার নতুন কর্মসংস্থান
৩০ জুলাই ২০২৬

রপ্তানি বহুমুখীকরণে ১ লাখ ৮০ হাজার নতুন কর্মসংস্থান

তৈরি পোশাক খাতের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে রপ্তানি বহুমুখীকরণের লক্ষ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ‘এক্সপোর্ট কম্...

নতুন বেতনকাঠামো নিয়ে সুখবর দিলেন অর্থমন্ত্রী
৩০ জুলাই ২০২৬

নতুন বেতনকাঠামো নিয়ে সুখবর দিলেন অর্থমন্ত্রী

সরকারি কর্মচারীদের জন্য নবম বেতন কমিশন ঘোষণা নিয়ে এখনো কাজ চলছে। কাজ শেষ হলে তা শিগগিরই মন্ত্রিসভায়...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

শিল্পী বললেন ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ এখন প্রতিবাদের ভাষা

‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে গানটি সিলেটের এক শিক্ষিকাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শিক্ষকদের সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। গানটির গায়ক মেজবাহ রহমান বলেন, “আমাদের এই গানটি যে অন্যায্য সমালোচনার বিরুদ্ধে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠবে, তা কখনো ভাবিনি। গানটি মূলত প্রকৃতিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যেভাবে এটি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে এখন এটি অনেকের কাছে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন গানটি সত্যিই প্রতিবাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে