জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পরও রাজধানীর পেট্রোল পাম্পগুলোতে কমেনি ভিড়। আগের মতোই দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন যানবাহন চালকরা, ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক কর্মজীবন।
রোববার (১৯ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন পাম্প ঘুরে দেখা গেছে, ভোর থেকেই তেল সংগ্রহে গাড়ির সারি। অনেক চালক আগের রাত থেকেই লাইনে অবস্থান করছেন। তবে সকাল পর্যন্ত অনেক পাম্পে তেল সরবরাহ শুরু না হলেও অপেক্ষা থামেনি।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার অস্থির হয়ে ওঠায় দেশে গত দেড় মাস ধরে জ্বালানি সংকট চলছে। এ পরিস্থিতিতে বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সরকার ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানির দাম বাড়িয়েছে, যা ১৯ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে কার্যকর হয়েছে।
রাজধানীর আসাদগেট, পরীবাগ ও আশপাশের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে দেখা গেছে, মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকারসহ বিভিন্ন যানবাহনের দীর্ঘ সারি। চালকদের ভাষ্য, অনেকেই রাত থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন, কিন্তু তেল পাওয়ার নিশ্চয়তা নেই।
কিছু চালক মনে করছেন, দাম বাড়ানোর ফলে মজুতদারি ও সিন্ডিকেট কমতে পারে, এতে পরিস্থিতির উন্নতি হবে। অন্যদিকে অনেকের অভিযোগ, দাম বাড়িয়েও সংকটের সমাধান হয়নি। তাদের মতে, বন্ধ থাকা পাম্পগুলো চালু করে সরবরাহ স্বাভাবিক না করলে ভিড় কমবে না।
নতুন মূল্য অনুযায়ী প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১৫ টাকা, অকটেন ১২০ থেকে ১৪০ টাকা, পেট্রোল ১১৬ থেকে ১৩৫ টাকা এবং কেরোসিন ১১২ থেকে ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরবরাহ পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে জনভোগান্তি আরও বাড়তে পারে।
এসি/আপ্র/১৯/০৪/২০২৬