গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

প্রভিডেন্ট ফান্ডে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২:১৮ পিএম, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১৫:০০ এএম ২০২৬
প্রভিডেন্ট ফান্ডে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর
ছবি

ছবি সংগৃহীত

চলতি অর্থবছরেও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাধারণ ভবিষ্যৎ তহবিল বা জিপিএফে জমা টাকার ওপর সর্বোচ্চ ১৩ শতাংশ মুনাফা দেবে সরকার। টাকার পরিমাণ অনুযায়ী তিনটি স্তরে এ মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে। গত অর্থবছরেও একই হারে মুনাফা দেওয়া হয়েছিল।

রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) চলতি অর্থবছরের জন্য জিপিএফের মুনাফার হার নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ বিভাগ।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রভিডেন্ট ফান্ডের প্রারম্ভিক স্থিতি অথবা চলতি অর্থবছরে জমা করা চাঁদার পরিমাণ ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত হলে মুনাফার হার হবে ১৩ শতাংশ। ১৫ লাখ টাকার বেশি থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত হলে পাওয়া যাবে ১২ শতাংশ মুনাফা। আর ৩০ লাখ টাকার বেশি হলে মুনাফার হার হবে ১১ শতাংশ।

জিপিএফের আওতায় থাকা সুবিধা বিবেচনায় নিয়ে যেসব প্রতিষ্ঠানে প্রদেয় ভবিষ্যৎ তহবিল বা সিপিএফ চালু রয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠান নিজস্ব নিয়ম অনুযায়ী মুনাফার হার নির্ধারণ করতে পারবে।

সরকারি চাকরিজীবীরা মূল বেতনের সর্বনিম্ন ৫ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ জিপিএফে জমা রাখতে পারেন। অন্যদিকে, সিপিএফভুক্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা মূল বেতনের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত চাঁদা জমা দিতে পারেন।

জিপিএফ ও সিপিএফ উভয় ক্ষেত্রেই কর্মীর নিজস্ব জমার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান বা নিয়োগকর্তার নির্ধারিত অংশ থাকে। সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো প্রভিডেন্ট ফান্ড ও সিপিএফে মূল বেতনের ৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ অর্থ প্রদান করে থাকে। কর্মীরা মোট জমা অর্থের ওপর চক্রবৃদ্ধি হারে মুনাফা পান।

বাংলাদেশ সার্ভিস রুলস অনুযায়ী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য গঠিত প্রভিডেন্ট ফান্ডকে জিপিএফ বলা হয়। আর যেসব প্রতিষ্ঠান বা সরকারি চাকরিতে পেনশন ব্যবস্থা নেই, সেখানে কর্মীদের ভবিষ্যৎ আর্থিক সুরক্ষার জন্য সিপিএফসহ বিভিন্ন ধরনের ভবিষ্যৎ তহবিল চালু রয়েছে।

এ ব্যবস্থায় কর্মী তার মূল বেতন থেকে নির্দিষ্ট অংশ জমা করেন এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানও নির্ধারিত হারে অর্থ প্রদান করে। চাকরি শেষে বা বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে কর্মী নিজের ও প্রতিষ্ঠানের জমা অর্থের সঙ্গে অর্জিত মুনাফা একসঙ্গে পান। সাধারণত স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোতে সিপিএফ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।

এসি/আপ্র/২২/৯/২০২৬

 

 

সংশ্লিষ্ট খবর

বাসের পর এবার বাড়লো লঞ্চভাড়াও
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাসের পর এবার বাড়লো লঞ্চভাড়াও

জ্বালানি তেলের দামবৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে বাসের পর বাড়লো লঞ্চভাড়াও। একজন যাত্রীর লঞ্চভাড়া কম দূরত্বে...

পে-স্কেলের পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আরেক সুখবর
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পে-স্কেলের পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আরেক সুখবর

নতুন জাতীয় পে-স্কেলের পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আরো একটি সুবিধার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। সাধারণ ভবিষ্য...

৬ হাজার ৫৪৪ প্রতিষ্ঠানে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে ৩৭০ কোটি টাকা
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

৬ হাজার ৫৪৪ প্রতিষ্ঠানে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে ৩৭০ কোটি টাকা

স্থানীয় সরকারের ৬ হাজার ৫৪৪টি প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনার ছাদে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে স...

দেশে ২৪ ঘণ্টায়  ২৫৭৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশে ২৪ ঘণ্টায় ২৫৭৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন

দেশের গ্যাসক্ষেত্র ও এলএনজি মিলিয়ে দৈনিক গ্যাস উৎপাদন দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৫৭৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট (এম...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

বাস ভাড়া বাড়লো কিলোমিটারে ১৭ পয়সা, প্রজ্ঞাপনের আগেই বাড়তি আদায়

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর সরকারি প্রজ্ঞাপন জারির আগেই রাজধানীসহ বিভিন্ন রুটে বাসভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন পরিবহনকর্মীদের কেউ কেউ। কোথাও ১০ টাকার ভাড়া নেওয়া হচ্ছে ১৫ টাকা, কোথাও প্রতি স্টপেজে পাঁচ টাকা করে বেশি নেওয়া হচ্ছে। দূরপাল্লার বাসেও গন্তব্যভেদে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অথচ সরকার ও সড়ক পরিবহন মালিকপক্ষ প্রতি কিলোমিটারে ১৭ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়েছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন বাস ভাড়ার এই নৈরাজ্য সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে?

মোট ভোট: ০ | শেষ আপডেট: 14 ঘন্টা আগে