গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

বাগেরহাটের ঐতিহাসিক মাজার দিঘির কুমিরে শিশুকে টেনে নিয়ে গেছে

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০২:২৭ পিএম, ০২ জুন ২০২৬ | আপডেট: ০০:৪২ এএম ২০২৬
বাগেরহাটের ঐতিহাসিক মাজার দিঘির কুমিরে শিশুকে টেনে নিয়ে গেছে
ছবি

ছবি সংগৃহীত

বাগেরহাটের ঐতিহাসিক খান জাহান (রহ.) মাজার-সংলগ্ন দিঘির একটি কুমির সাত বছর বয়সী এক শিশুকে পানির নিচে টেনে নিয়ে গেছে। সোমবার (১ জুন) রাত সোয়া ৮টার দিকে মাজারসংলগ্ন দিঘির মহিলা ঘাটে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে শিশুটি নিখোঁজ রয়েছে।

নিখোঁজ শিশুর নাম ফাতেমা। মাজার এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবস্থানরত এক মানসিক প্রতিবন্ধী নারীর মেয়ে সে। মাজারের খাদেম ও জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি ফকির তারিকুল ইসলাম জানান, ফাতেমা তার মায়ের সঙ্গে মাজার এলাকায় বসবাস করত। সোমবার (১ জুন) রাতে সে গোসল করতে ঘাটে নামলে একটি কুমির তাকে টেনে নিয়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শিশুটি মহিলা ঘাটে নামার পর হঠাৎ একটি কুমির তাকে কামড়ে ধরে পানির নিচে টেনে নেয়। শিশুটির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে গেলেও তাকে আর উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা নৌকা নিয়ে দিঘিতে অনুসন্ধান চালালেও কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার অভিযান শুরু করে। রাত পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত ছিল। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের বাগেরহাট স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা শেখ মামুনুর রশিদ বলেন, কুমির একটি হিংস্র প্রাণী হওয়ায় পানিতে নেমে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। রাতের প্রতিকূল পরিবেশ সত্ত্বেও উদ্ধারকর্মীরা অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছেন।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক (রাহাদ), জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন এবং পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার।

এর আগে গত এপ্রিলে একই দিঘির একটি কুমির একটি কুকুরকে টেনে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। ওই ঘটনার পর লোকালয়ের মধ্যে অবস্থিত দিঘিতে কুমির রাখার যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।

খান জাহান (রহ.) মাজারের দিঘির কুমির ঘিরে দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য রয়েছে। লোকমুখে প্রচলিত আছে, হজরত খান জাহান আলী (রহ.) দিঘি খননের পর সেখানে এক জোড়া কুমির অবমুক্ত করেছিলেন। পরবর্তীকালে পুরুষ কুমিরকে ‘কালা পাহাড়’ এবং স্ত্রী কুমিরকে ‘ধলা পাহাড়’ নামে ডাকা হতো। তাদের সর্বশেষ বংশধরের মৃত্যু হয় ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে।

পরবর্তীতে ২০০৫ সালে ভারত থেকে কয়েকটি কুমির এনে দিঘিতে ছাড়া হয়। তবে সময়ের সঙ্গে কয়েকটি মারা যায়। সর্বশেষ থাকা দুটি কুমিরের একটি ২০২৩ সালের অক্টোবরে মারা যাওয়ার পর বর্তমানে দিঘিতে একটি মাত্র কুমির রয়েছে।
সানা/আপ্র/২/৬/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

যুবদল নেতা সাকের হত্যা মামলায় কেন্দ্রীয় নেতাসহ গ্রেফতার ২
২৩ অক্টোবর ২০২৬

যুবদল নেতা সাকের হত্যা মামলায় কেন্দ্রীয় নেতাসহ গ্রেফতার ২

মাগুরা বাস টার্মিনালে বাস কাউন্টারে ঢুকে পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাকের হোসেনকে গুলি করে হত্যার ঘটন...

সরাইল থানায় ওসির সঙ্গে রুমিন ফারহানার বাদানুবাদ, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
২৩ অক্টোবর ২০২৬

সরাইল থানায় ওসির সঙ্গে রুমিন ফারহানার বাদানুবাদ, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আ...

ঘোড়াঘাটে ১৫ পূজামণ্ডপে আর্থিক সহায়তা দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী মিঠু
২৩ অক্টোবর ২০২৬

ঘোড়াঘাটে ১৫ পূজামণ্ডপে আর্থিক সহায়তা দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী মিঠু

ঘোড়াঘাট প্রতিনিধি: দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে শারদীয় দুর্গাপূজার মহা নবমী উপলক্ষে সিংড়া ইউনিয়নের ১৫টি পূজাম...

সৈয়দপুরে নিরাপদ সড়ক দিবসে নিসচার র‌্যালি ও সমাবেশ
২৩ অক্টোবর ২০২৬

সৈয়দপুরে নিরাপদ সড়ক দিবসে নিসচার র‌্যালি ও সমাবেশ

মোজাম্মেল হক নয়ন: জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে নীলফামারীর সৈয়দপুরে র‌্যালি ও সমাবেশ করেছে নিরাপদ সড়...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পতিত স্বৈরাচার ও বিরোধী দল বিশৃঙ্খলার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত: প্রধানমন্ত্রী

দেশের বিভিন্ন স্থানে ও কলকারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টির পেছনে পলাতক স্বৈরাচার ও কয়েকটি রাজনৈতিক দলের যোগসাজশ রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ বিষয়ে তাঁর কাছে গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে দাবি করে তিনি বলেছেন, এক পক্ষ সীমান্তের ওপার থেকে অর্থ সরবরাহ করছে, অন্য পক্ষ দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রিয় পাঠক, আপনি কি প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সঙ্গে একমত?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে