গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

স্বামীর ওপর থেকে চাপ কমাতে তেলের লাইনে নারীরা

জেলা প্রতিনিধি, মাগুরা

জেলা প্রতিনিধি, মাগুরা

প্রকাশিত: ১৫:৫৮ পিএম, ০১ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ১০:৪১ এএম ২০২৬
স্বামীর ওপর থেকে চাপ কমাতে তেলের লাইনে নারীরা
ছবি

ছবি সংগৃহীত

মাগুরায় তেলের পাম্পগুলোতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর মিলছে জ্বালানি তেল। এতে অসুবিধায় পড়েছেন কৃষকসহ কর্মব্যস্ত মানুষেরা। এ অবস্থায় তেলের লাইনে দাঁড়াচ্ছে নারীরা। তারা স্বামীদের কাজের সুবিধার্থে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে তেল সংগ্রহ করছেন।

মাগুরা জেলায় ১২টি তেলের পাম্পে পেট্রোল, ডিজেল ও অকটেনের জন্য কৃষক, যানবাহন চালক ও মোটরসাইকেল আরোহীরা ভিড় করছেন। তবে এ সময় জেলার বেশ কিছু পাম্পে পুরুষদের পাশাপাশি নারীদেরও সমানতালে সহযোগিতা করতে দেখা যায়।

বহির্বিশ্বে যখন জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে, ঠিক সেই মুহূর্তে মাগুরায় নারীরা বাড়ির কাজ শেষ করে স্বামীদের কাজে, অর্থাৎ তেল নিতে সহযোগিতা করছেন।

গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে মাগুরার ফাতেমা ফিলিং স্টেশনে পুরুষদের পাশাপাশি নারীদেরও লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে দেখা গেছে।

মাগুরা সদর উপজেলার কাটাখালী এলাকায় এলিজা বেগমকে ছেলেকে কোলে নিয়ে স্বামীর কাজে সহযোগিতা করতে লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করতে দেখা গেছে। শুধু এলিজা বেগমই নন, তার মতো অনেক নারীই এই পরিস্থিতিতে নিজেদের অবস্থান থেকে এগিয়ে এসেছেন।

এলিজা বেগম বলেন, ‘স্বামী কৃষিকাজ করে। তেল নিতে অনেক সময় লাগে— পুরো একটা দিন লেগে যায়। স্বামীরা সারাদিন দাঁড়িয়ে তেল নিতে গেলে কৃষির অনেক কাজ নষ্ট হয়। তাই আমি স্বামীর কাজে সহযোগিতা করতে লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে এসেছি।’

এদিকে, জ্বালানি তেলের সরবরাহ ঠিক রাখতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিটি পাম্পে একজন করে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে।

মাগুরার জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, ‘জেলায় জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই। বহির্বিশ্বে চলমান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় যানবাহন চালকসহ বিশেষ করে কৃষকদের অতিরিক্ত ব্যস্ততার ফলে দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়েছে। তবে সবাই যাতে সুষ্ঠুভাবে জ্বালানি তেল পায়, সে জন্য প্রতিটি পাম্পে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মনিটরিং করছেন। এছাড়া একজন অফিসার নিয়োগের পাশাপাশি পুলিশ সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করছেন।’

জেলা প্রশাসক সবাইকে ধৈর্য ধরে সুশৃঙ্খলভাবে জ্বালানি তেল সংগ্রহের আহ্বান জানান।

মাগুরায় মোট ১২টি পেট্রোল পাম্প রয়েছে। মাগুরা সদর এলাকার পেট্রোল পাম্পগুলো ঘুরে দেখা গেছে, বিশেষ করে কৃষকরা সেচযন্ত্র ব্যবহারের জন্য ডিজেল পেতে বেগ পোহাচ্ছে।

অনেক কৃষক জানিয়েছেন, বোরো ধান আবাদে এখনো তাদের সেচযন্ত্রের জন্য অনেক ডিজেল প্রয়োজন। যদি কোনো কারণে তেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে তারা ধান আবাদে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এ কারণে যতটা সম্ভব গ্রাহকদের কাছে তেল সরবরাহ অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এসি/আপ্র/০১/০৪/২০২৬

 

 

 

 

সংশ্লিষ্ট খবর

নবী (সা.)-কে অবমাননার অভিযোগে জাবিতে বিক্ষোভ, স্থায়ী বহিষ্কারের দাবি
১৪ অক্টোবর ২০২৬

নবী (সা.)-কে অবমাননার অভিযোগে জাবিতে বিক্ষোভ, স্থায়ী বহিষ্কারের দাবি

মাহফুজ আলম সোহাগ, জাবি প্রতিনিধি: মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অবমাননাক...

গাজীপুরে ওষুধ কারখানার আগুন ৪ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে
১৪ অক্টোবর ২০২৬

গাজীপুরে ওষুধ কারখানার আগুন ৪ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে

গাজীপুরের টঙ্গীতে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড নামে ওষুধ কারখানায় লাগা আগুন চার ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে...

গাজীপুরে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন
১৪ অক্টোবর ২০২৬

গাজীপুরে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন

গাজীপুরের টঙ্গীতে একটি ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার স...

হাইকোর্টের আদেশ উপেক্ষা করে শ্যামনগরে অবৈধ বালু উত্তোলন
১৪ অক্টোবর ২০২৬

হাইকোর্টের আদেশ উপেক্ষা করে শ্যামনগরে অবৈধ বালু উত্তোলন

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে হাইকোর্টের আদেশ উপেক্ষা করে খোলপেটুয়া নদীর ভাঙনপ্রবণ এলাকা থেকে ড্রেজার মেশিনের...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পরিচয় যা-ই হোক, চাঁদাবাজ-দখলদারদের ছাড় নয়: ডিএমপি কমিশনার

চাঁদাবাজ, ভূমি দখলবাজ ও মাদক কারবারে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় বা অবস্থান বিবেচনা না করে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দীন আহমদ। এসব অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানো যাবে না বলেও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে ডিএমপি সদর দপ্তরের সম্মেলনকক্ষে সেপ্টেম্বর মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় উপস্থিত ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এসব নির্দেশনা দেন কমিশনার। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন- কমিশনার যে নির্দেশনা দিয়েছেন, পুলিশ সদস্যরা তা বাস্তবে তা করতে পারবেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 18 ঘন্টা আগে