গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

মেনু

স্বামীর ওপর থেকে চাপ কমাতে তেলের লাইনে নারীরা

জেলা প্রতিনিধি, মাগুরা

জেলা প্রতিনিধি, মাগুরা

প্রকাশিত: ১৫:৫৮ পিএম, ০১ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ১৭:৩৮ এএম ২০২৬
স্বামীর ওপর থেকে চাপ কমাতে তেলের লাইনে নারীরা
ছবি

ছবি সংগৃহীত

মাগুরায় তেলের পাম্পগুলোতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর মিলছে জ্বালানি তেল। এতে অসুবিধায় পড়েছেন কৃষকসহ কর্মব্যস্ত মানুষেরা। এ অবস্থায় তেলের লাইনে দাঁড়াচ্ছে নারীরা। তারা স্বামীদের কাজের সুবিধার্থে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে তেল সংগ্রহ করছেন।

মাগুরা জেলায় ১২টি তেলের পাম্পে পেট্রোল, ডিজেল ও অকটেনের জন্য কৃষক, যানবাহন চালক ও মোটরসাইকেল আরোহীরা ভিড় করছেন। তবে এ সময় জেলার বেশ কিছু পাম্পে পুরুষদের পাশাপাশি নারীদেরও সমানতালে সহযোগিতা করতে দেখা যায়।

বহির্বিশ্বে যখন জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে, ঠিক সেই মুহূর্তে মাগুরায় নারীরা বাড়ির কাজ শেষ করে স্বামীদের কাজে, অর্থাৎ তেল নিতে সহযোগিতা করছেন।

গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে মাগুরার ফাতেমা ফিলিং স্টেশনে পুরুষদের পাশাপাশি নারীদেরও লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে দেখা গেছে।

মাগুরা সদর উপজেলার কাটাখালী এলাকায় এলিজা বেগমকে ছেলেকে কোলে নিয়ে স্বামীর কাজে সহযোগিতা করতে লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করতে দেখা গেছে। শুধু এলিজা বেগমই নন, তার মতো অনেক নারীই এই পরিস্থিতিতে নিজেদের অবস্থান থেকে এগিয়ে এসেছেন।

এলিজা বেগম বলেন, ‘স্বামী কৃষিকাজ করে। তেল নিতে অনেক সময় লাগে— পুরো একটা দিন লেগে যায়। স্বামীরা সারাদিন দাঁড়িয়ে তেল নিতে গেলে কৃষির অনেক কাজ নষ্ট হয়। তাই আমি স্বামীর কাজে সহযোগিতা করতে লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে এসেছি।’

এদিকে, জ্বালানি তেলের সরবরাহ ঠিক রাখতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিটি পাম্পে একজন করে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে।

মাগুরার জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, ‘জেলায় জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই। বহির্বিশ্বে চলমান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় যানবাহন চালকসহ বিশেষ করে কৃষকদের অতিরিক্ত ব্যস্ততার ফলে দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়েছে। তবে সবাই যাতে সুষ্ঠুভাবে জ্বালানি তেল পায়, সে জন্য প্রতিটি পাম্পে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মনিটরিং করছেন। এছাড়া একজন অফিসার নিয়োগের পাশাপাশি পুলিশ সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করছেন।’

জেলা প্রশাসক সবাইকে ধৈর্য ধরে সুশৃঙ্খলভাবে জ্বালানি তেল সংগ্রহের আহ্বান জানান।

মাগুরায় মোট ১২টি পেট্রোল পাম্প রয়েছে। মাগুরা সদর এলাকার পেট্রোল পাম্পগুলো ঘুরে দেখা গেছে, বিশেষ করে কৃষকরা সেচযন্ত্র ব্যবহারের জন্য ডিজেল পেতে বেগ পোহাচ্ছে।

অনেক কৃষক জানিয়েছেন, বোরো ধান আবাদে এখনো তাদের সেচযন্ত্রের জন্য অনেক ডিজেল প্রয়োজন। যদি কোনো কারণে তেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে তারা ধান আবাদে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এ কারণে যতটা সম্ভব গ্রাহকদের কাছে তেল সরবরাহ অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এসি/আপ্র/০১/০৪/২০২৬

 

 

 

 

সংশ্লিষ্ট খবর

সড়ক নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষ, কুড়িগ্রামে নিহত দুই যুবক
১৪ জুলাই ২০২৬

সড়ক নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষ, কুড়িগ্রামে নিহত দুই যুবক

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় সড়ক নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে দুই যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায়...

১৬ জুলাই খুলছে বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র
১৪ জুলাই ২০২৬

১৬ জুলাই খুলছে বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র

সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে আগামী ১৬ জুলাই থেকে বান্দরবানের সব পর্যটন...

এমসি কলেজে তরুণী ধর্ষণ: একজনকে মৃত্যুদণ্ড ও তিনজনের যাবজ্জীবন
১৪ জুলাই ২০২৬

এমসি কলেজে তরুণী ধর্ষণ: একজনকে মৃত্যুদণ্ড ও তিনজনের যাবজ্জীবন

বহুল আলোচিত সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে তরুণী ধর্ষণ মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়...

১৭ বছর বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত, তবুও শিক্ষকের ব্যাংকে ঢুকছে সরকারি বেতন
১৪ জুলাই ২০২৬

১৭ বছর বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত, তবুও শিক্ষকের ব্যাংকে ঢুকছে সরকারি বেতন

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার দত্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক কম্পিউটার শিক্ষকের বিরুদ্ধে টানা ১৭ বছর বিদ্যালয়ে...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

ফ্যাসিস্টের অপরিকল্পিত উন্নয়নেই বন্যা পরিস্থিতির অবনতি: রিজভী

বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের অপরিকল্পিত উন্নয়ন ও প্রকৃতিবিরোধী অবকাঠামো নির্মাণের কারণেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি এবং এত মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। প্রিয় পাঠক আপনি কি মনে করেন উপদেষ্টা রিজভী সঠিক বলেছেন?

মোট ভোট: ০ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে