পবিত্র আশুরার শিক্ষা থেকে অন্যায়, অবিচার ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আশুরা উপলক্ষে দেওয়া পৃথক বাণীতে তারা দেশবাসীর প্রতি এ আহ্বান জানান।
হিজরি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মহররমের ১০ তারিখে পালিত হয় পবিত্র আশুরা। সেই হিসাবে বাংলাদেশে শুক্রবার আশুরা পালিত হবে। এ উপলক্ষে দেশে সরকারি ছুটি থাকবে।
মুসলিম বিশ্বের কাছে আশুরা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। কারবালার শোকাবহ ও হৃদয়বিদারক ঘটনার স্মরণে দিনটি পালন করা হয়। এদিন মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র ইমাম হোসেন (রা.) ইরাকের ফোরাত নদীর তীরবর্তী কারবালা প্রান্তরে শাহাদাত বরণ করেন। সেই ঘটনার স্মৃতিকে মুসলিম বিশ্ব ত্যাগ, আদর্শ ও আত্মত্যাগের প্রতীক হিসেবে স্মরণ করে আসছে।
কারবালার প্রান্তরে শাহাদাত বরণকারী সব শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তার বাণীতে বলেন, “সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা এবং ইসলামের সুমহান আদর্শ সমুন্নত রাখার জন্য তাদের এই আত্মত্যাগ মানবজাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।”
তিনি আরও বলেন, “আশুরার শাশ্বত বাণী আমাদের অন্যায়-অবিচার ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে শেখায়। একই সঙ্গে এটি সত্য, সুন্দর ও ন্যায়ের পথে চলার প্রেরণা জোগায়। আশুরার মহান শিক্ষা আমাদের সবার জীবনকে আলোকিত করুক।”
পৃথক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আশুরার শিক্ষা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে সমাজে সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও সুদৃঢ় করার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, “আশুরা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, ইসলামের মূল শিক্ষা শান্তি, ন্যায়, সহমর্মিতা ও মানবকল্যাণের ওপর প্রতিষ্ঠিত। ইসলামে বিভেদ, হানাহানি, বিদ্বেষ কিংবা সামাজিক বৈরিতার কোনো স্থান নেই।”
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “আশুরার মহান শিক্ষা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে আসুন, আমরা সমাজে সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা এবং ভ্রাতৃত্ববোধ আরও শক্তিশালী করি।”
পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
ডিসি/আপ্র/২৫/৬/২০২৬