বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এবং বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)-এ দুই নিয়ন্ত্রক সংস্থায় চেয়ারম্যান ও সদস্যদের বয়সসীমা তুলে দিয়ে সংসদে দুটি বিল পাস হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে বিল দুটি পাস হয়ে যাওয়ার পর বিল নিয়ে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে অনির্ধারিত বিতর্ক হয়েছে। সাধারণত আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় বিল পাসের আগে এ ধরনের বিতর্ক হয়।
এই বিতর্কের এক পর্যায়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, অর্থনৈতিক খাতে কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে নিয়োগ দেওয়া হবে না। এর জবাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমানকে বিএনপির দলীয় লোক আখ্যা দিয়ে তাঁর অপসারণের দাবি তোলে বিরোধী দল। তবে সরকারি দল বলেছে, গভর্নর দলীয় ব্যক্তি নন।
অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (সংশোধন) বিল এবং বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) বিল আলাদাভাবে জাতীয় সংসদে পাসের জন্য তোলেন। স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা ছাড়া অন্য কেউ বিল দুটির বিষয়ে জনমত যাচাই–বাছাই কমিটিতে প্রেরণের জন্য লিখিত নোটিশ দেননি। কেউ সংশোধনী প্রস্তাবও দেননি। ফলে কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী, রুমিন ছাড়া অন্য কোনো সদস্য বিলের ওপর আলোচনারও সুযোগ পাননি। কিন্তু বিরোধী দলের একাধিক সদস্য বিলের ওপর আলোচনার জন্য কয়েক দফা হাত তোলেন।
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (সংশোধন) বিল পাসের পর বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বিলটি আনা হয়। এই বিলের ওপর রুমিন ফারহানা বক্তব্য দেন। বিরোধী দলের সদস্যদের কেউ কেউ বক্তব্য দেওয়ার জন্য হাত তোলেন। তবে তাঁরা কেউ নোটিশ না দেওয়ায় স্পিকার কায়সার কামাল কাউকে সুযোগ দিচ্ছিলেন না।
একপর্যায়ে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান দাঁড়ালে তাঁকে সুযোগ দেন স্পিকার। বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘আসলে বেশির ভাগ সদস্য আমরা এখানে নতুন এসেছি। আমরা বিধি আস্তে আস্তে রপ্ত করছি।’
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, এ বিল নির্ধারিত সময়ে পাস করতে হবে এমন বাধ্যবাধকতা নেই। এখানে বিধি মেনে তিন দিন আগে নোটিশ দিয়ে বিলটি সংসদে আনা উচিত ছিল। তাঁরা একটু আগে বিলের কপি পেয়েছেন। তিনি সংসদ সদস্যদের অধিকার খর্ব না করার অনুরোধ করেন। যেহেতু আজই বিলের কপি দেওয়া হয়েছে, তাই তিনি বিল দুটি স্থগিত রাখার অনুরোধ জানান। অবশ্য ততক্ষণে একটি বিল পাস হয়ে গেছে। এ পর্যায়ে স্পিকার কায়সার কামাল বলেন, বিধি অনুযায়ী গতকাল বিলের রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে। সময় মার্জনার এখতিয়ার স্পিকারের আছে। তখন স্পিকার বিলটি (বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ) পাসের প্রক্রিয়ায় এগিয়ে যান। পরে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।
বিল পাসের পর বিতর্ক: বিল দুটি পাস হওয়ার পর ফ্লোর নেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। তিনি বলেন, ‘মাত্রই দুইটা আইন এখানে পাস করা হলো। আমরা জানি যে সরকারি দল এখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ। তাঁরা যেভাবে চাইবেন সেভাবে আইন পাস হবে। সেটাই হাউজের বাস্তবতা।’
আখতার বলেন, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ও বীমা করপোরেশনে নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সের বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া হয়েছে। তিনি প্রশ্ন রাখেন, এটা কি কোনো ব্যক্তিকে মাথায় রেখে করা হচ্ছে নাকি একটা পলিসিকে মাথায় রেখে করা হচ্ছে? এনসিপির এই সংসদ সদস্য বলেন, যেভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকে গভর্নর নিয়োগ হয়েছে, সেভাবে যদি কোনো বিশেষ ব্যক্তিদের মাথায় রেখে এ দুটি আইনে বয়সের সীমা তুলে ধরা হয় তাহলে অর্থমন্ত্রী যেভাবে দক্ষ লোক নিয়োগের কথা বলেছেন সেটার সঙ্গে বৈপরীত্য দেখা দেবে।
আখতার হোসেন বলেন, ‘আইন পাস হয়ে গেছে। কিন্তু আমরা বিরোধী দলের পক্ষ থেকে আমাদের কনসার্নগুলো এখানে জানিয়ে রাখছি।’
এনসিপির এই সংসদ সদস্য আরো বলেন, বিএনপি ২০০১ সালে যখন ক্ষমতায় এসেছিল তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নিজেদের মতো করে উপদেষ্টা বসানোর জন্য প্রধান বিচারপতির বয়স ৬৫ থেকে ৬৭ করেছিল। তারপরে একটা দীর্ঘ ভোগান্তি জাতিকে পোহাতে হয়েছিল। আখতারের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে অর্থমন্ত্রীর কিছু বলার থাকলে বলার অনুরোধ করেন স্পিকার কায়সার কামাল। তখন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, যখন আইনটি হয়েছিল তখন দেশের মানুষের গড় বয়স ছিল ৫৭। এখন ৭২ বছর। বিশ্বের প্রায় কোনো দেশে সিকিউটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে বয়সের সীমা নেই। বিরোধী দলের উদ্দেশে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের আগামীর অর্থনীতির যে নতুন প্রেক্ষাপট সৃষ্টি হচ্ছে, এখানে যোগ্য, দক্ষ ব্যক্তি যদি আসতে চান, আপনাকে এগুলোকে মাথায় রাখতে হবে। এখানে ইমোশনের কোনো সুযোগ নাই।’
বিরোধীদলীয় নেতা ও অর্থমন্ত্রীর বিতর্ক: অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যের পর বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, যোগ্য লোকদের যোগ্য জায়গায় স্পেস করে দেওয়া দরকার। কিন্তু একটা কথা আছে যে ‘মর্নিং সোজ দ্য ডে’। সরকারের দুই মাসে বেসিক যে জায়গাগুলোতে হাত দেওয়া হয়েছে, প্রত্যেকটা জায়গায় জনগণের আকাঙ্ক্ষার বিপক্ষে চলে গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মতো ‘বেসিক’ জায়গার কথা তিনি বলছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগের ক্ষেত্রে যেটা হয়েছে এবং সাবেক গভর্নরকে যে পদ্ধতিতে বিদায় দেওয়া হয়েছে তা জাতি দেখেছে।
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘এ পর্যন্ত যে সমস্ত জায়গায় পরিবর্তন এসেছে, সেগুলা জনগণ ও গণতন্ত্র কোনোটাই সাপোর্ট করে না। এমনকি খেলার মাঠটা পর্যন্ত আমরা উন্মুক্ত রাখতে পারলাম না। ওখানেও গিয়ে আমরা ঝাঁপাইয়ে পড়লাম।’ এভাবে যদি যোগ্যতা বিবেচনা করা হয় দেশ আগাবে কীভাবে-এমন প্রশ্ন রেখে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘আমরা তো কার ইন্টেনশন কী সেটা দেখতে পারব না। এটা মনের ব্যাপার।’
শফিকুর রহমান বলেন, সবকিছুকে রাজনীতিকীকরণ, ক্ষেত্রবিশেষে গোষ্ঠী–পরিবার প্রাধান্য দিয়ে এগোলে দেশ আগাবে না। জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আসলে একটা বিল পাস হওয়ার পরে এ ধরনের আলোচনার কোনো সুযোগ ছিল না। এখানে সেটাও রুলস অব প্রসিডিউরের বাইরে হচ্ছে। যেহেতু উনারা প্রশ্ন তুলেছেন আমাদেরকে উত্তর দিতে হবে বিষয়গুলো।’
অর্থমন্ত্রী বলেন, যতবার বিএনপি সরকারে এসেছে, বাংলাদেশ ব্যাংক, সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশনে যতগুলো নিয়োগ হয়েছে, সবগুলো ছিল অরাজনৈতিক। যে কারণে আর্থিক শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে বিএনপি সরকারের সময় কোনো সমস্যা হয়নি। অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর কোনো দলের ব্যক্তি নন। তিনি একটা দলের সমর্থক হতেই পারেন। এখন পর্যন্ত গভর্নরের যে ‘পারফরম্যান্স’ তাঁরা দেখেছেন, সেটা অন্য যেকোনো গভর্নরের পারফরম্যান্সের চেয়ে ভালো। অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আর আপনারা যখন বিগত দিনে এই বিগত কেয়ারটেকার সরকারের সময় যখন গভর্নরের এজটা বাড়িয়েছে, সেই সময় তো আপনারা কোনো আপত্তি করেন নাই।’
অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, অর্থনৈতিক খাতে কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে নিয়োগ দেওয়া হবে না।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের অপসারণ দাবি: অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, প্রধানমন্ত্রী কোনো অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানে দলীয় লোক দেবেন না বলে যে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন যদি সেটা হয় তাঁরা ধন্যবাদ দেবেন। সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের আরো বলেন, ‘কিন্তু এখনকার গভর্নর বাংলাদেশ ব্যাংকের যিনি আছেন, উনার একটা পরিচয় কিন্তু আছে। সেটা হচ্ছে বিএনপির যে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি হয়েছিল, আমি যেহেতু জানি, উনি এই কমিটির একজন মেম্বার ছিলেন।’
জামায়াতে ইসলামীর এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘যদি এ রকম পরিচয় থাকে (গভর্নরের) তাহলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের আলোকে ওনাকে গভর্নর থেকে বাদ দিয়ে এই সিদ্ধান্তের আলোকেই একজন যোগ্য গভর্নর নিয়োগ করা হোক।’
তখন স্পিকার কায়সার কামাল বলেন, ‘মাননীয় অর্থমন্ত্রী এ ব্যাপারে আপনি কিছু বলবেন কিনা যে নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে থাকলে দলীয় পদ কিনা নির্বাচন পরিচালনা কমিটি নট দল।’
তখন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু বলেন, দলকে সমর্থন করা মানে দলের লোক না। আর কোনো দলকে সমর্থন করে নির্বাচনী কার্যক্রমে সহায়তা করা মানে দলের লোক না। বিরোধী দলের নির্বাচনী কার্যক্রমেও অনেকে সহায়তা করেছেন। যাঁরা তাঁদের দলীয় লোক নন। নির্বাচন বাংলাদেশে একটা বিশাল কর্মযজ্ঞ। এখানে অনেকে সহযোগিতা করতে পারেন।
বিলে যা আছে: বিল দুটি পাসের মাধ্যমে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়াম্যান ও কমিশনার পদে এবং বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও সদস্য পদে সর্বোচ্চ বয়সসীমা তুলে দেওয়া হয়েছে।
এত দিন আইনে ছিল, কোনো ব্যক্তির বয়স ৬৫ বছর পূর্ণ হলে তিনি বাংলাদেশ সিকিউটিরিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান বা কমিশনার পদে নিযুক্ত হওয়ার উপযুক্ত বিবেচিত হন না বা পদে বহাল থাকতে পারেন না। বিলে এই বিধানটি বাদ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ আইনে বলা ছিল, কোনো ব্যক্তির ৬৭ বছর পূর্ণ হলে তিনি বীমা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বা সদস্য হতে পারবেন না। সংসদে পাস হওয়া বিলে এই বিধানটি বাদ দেওয়া হয়েছে।
অনেকগুলো ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যেগুলো জনপ্রিয় না-ও হতে পারে: দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে ‘কঠিন’ উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আগামী দুই বছর কঠিন হবে। অনেকগুলো ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যেগুলো জনপ্রিয় না–ও হতে পারে। একটা কঠিন অবস্থা থেকে বের হতে অনেক কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আজ বৃহস্পতিবার আলোচনায় অংশ নিয়ে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সহায়তা চেয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, অর্থনীতি একেবারে ‘লো লেভেল ইকুইলিব্রিয়ামে (স্থবির অবস্থায়)’ চলে গেছে। এখান থেকে তুলে আনতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
এখন দেশের অর্থনীতি কোথায় দাঁড়িয়ে আছে, তা বোঝাতে বেশ কিছু ক্ষেত্রের সূচক তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। বিএনপি সরকারের আগের আমলের সঙ্গে সেগুলো তুলনা করে দেখান। অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে খেলাপি ঋণ ৩০ শতাংশের বেশি। যখন কোনো দেশে ৩০ শতাংশের বেশি খেলাপি ঋণ হয়, তখন অর্থনীতির গতি ‘অলমোস্ট (প্রায়) থেমে যাওয়ার’ অবস্থায় চলে যায়। ২০০৫ সালে এটা (খেলাপি ঋণ) ছিল ১৩ শতাংশ।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের লিডারশিপ (নেতৃত্ব) ঠিক আছে। আমাদের ক্যাপ্টেন ঠিক আছে। আমি মনে করি, ক্যাপ্টেনের ভিশন (লক্ষ্য) ঠিক আছে, ন্যায়নীতির অবস্থান থেকে কাজ করছেন, সততার অবস্থান থেকে কাজ করছেন। সুতরাং এখান থেকে আমরা খুব সহজে বের না হলেও আমরা বেরিয়ে আসতে পারব। এটা কঠিন একটা কাজ। কিন্তু আমরা বেরিয়ে আসতে পারব এবং আপনাদের সবার সহযোগিতা দরকার।’
বিএনপির নেতাদের ঋণ পুনঃ তফসিলিকরণ নিয়ে বিরোধী দলের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে অর্থমন্ত্রী বলেন, পুনঃ তফসিলিকরণ একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। ব্যাংকিং ব্যবস্থার শুরু থেকে এ ব্যবস্থা আছে, থাকবে। এটা বিএনপির আবিষ্কার নয়। ১৭ বছর বিএনপির কেউ ব্যবসা করতে পারেননি। অনেকের ঋণ অনুমোদিত ছিল কিন্তু দেওয়া হয়নি। যত ধরনের বাধা দেওয়া সম্ভব, সব করা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, বিএনপির ব্যবসায়ীদের গ্যাস, বিদ্যুতের লাইন কেটে দেওয়া হয়েছে। বিএনপি নেতাদের যাঁদের খেলাপি বলা হচ্ছে, তাঁরা বাড়িতে থাকতে পারেননি। অনেকে জেলে ছিলেন। অনেকের ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এ সময় অর্থমন্ত্রী বলেন, অনেক দল আছে, তাদের নাকি ব্যাংকও আছে। বিএনপির ব্যাংক নেই।
সানা/আপ্র/৩০/৪/২০২৬