গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

শ্রমিকবান্ধব বাজেট ও সামাজিক সুরক্ষা দাবি জাতীয় শ্রমিক শক্তির

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:৪৬ পিএম, ১৯ জুন ২০২৬ | আপডেট: ০৮:৫৫ এএম ২০২৬
শ্রমিকবান্ধব বাজেট ও সামাজিক সুরক্ষা দাবি জাতীয় শ্রমিক শক্তির
ছবি

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে শ্রমিকের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বক্তারা -ছবি সংগৃহীত

শ্রমজীবী মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, ন্যায্য মজুরি নিশ্চিতকরণ এবং সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আসন্ন ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সুনির্দিষ্ট বরাদ্দ ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছে জাতীয় শ্রমিক শক্তি। শুক্রবার (১৯ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত ‘২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে শ্রমিকের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে বক্তারা এ দাবি জানান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় শ্রমিক শক্তির আহ্বায়ক মাজহারুল ইসলাম ফকির, সদস্য সচিব ঋয়াজ মোর্শেদ, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি আতিকুর রহমানসহ শ্রমিক নেতারা।

বক্তারা বলেন, দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি শ্রমজীবী মানুষ। কৃষি, শিল্প, নির্মাণ, পরিবহন, সেবা খাত এবং রপ্তানিমুখী পোশাক শিল্পসহ সব ক্ষেত্রে শ্রমিকদের শ্রম ও ত্যাগ অর্থনৈতিক অগ্রগতির ভিত্তি তৈরি করেছে। তবে এই উন্নয়নের সুফল এখনও শ্রমজীবী মানুষের জীবনে সমানভাবে পৌঁছায়নি।

তারা আরো বলেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়, কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তা এবং সীমিত সামাজিক সুরক্ষার কারণে শ্রমিকরা নানা সংকটে রয়েছেন। জাতীয় বাজেটকে কেবল আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়, বরং সামাজিক ন্যায়বিচার ও অর্থনৈতিক দর্শনের প্রতিফলন হিসেবে দেখা উচিত।

বক্তারা উল্লেখ করেন, দেশের প্রায় ৮৫ শতাংশ শ্রমিক অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে কাজ করেন, যারা পেনশন, স্বাস্থ্যসেবা, দুর্ঘটনা বিমা, মাতৃত্বকালীন সুবিধা ও বেকারত্বকালীন সহায়তার মতো মৌলিক সামাজিক নিরাপত্তার বাইরে রয়েছেন। প্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকরাও ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও শ্রম আইন বাস্তবায়নে নানা সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হচ্ছেন।

তারা বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিস্তারের কারণে শ্রমবাজারে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। এসব মোকাবিলায় শ্রমিকদের দক্ষতা উন্নয়ন, পুনঃপ্রশিক্ষণ এবং সামাজিক সুরক্ষা জোরদার করা জরুরি।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- জাতীয় পর্যায়ে শ্রমিক প্রশিক্ষণ তহবিল গঠন, নিম্ন আয়ের শ্রমজীবীদের জন্য রেশনিং ব্যবস্থা চালু, স্বল্পব্যয়ী চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা, শিল্পাঞ্চলভিত্তিক শ্রমিক আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন, সর্বজনীন সামাজিক নিরাপত্তা ও পেনশন ব্যবস্থা চালু, শ্রমিক কল্যাণ তহবিল শক্তিশালীকরণ, মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ন্যূনতম মজুরি পুনর্র্নিধারণ এবং ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার ও শ্রম আইন বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।

সানা/কেএমএএ/আপ্র/১৯/৬/২০২৬ 

সংশ্লিষ্ট খবর

লালন শাহের ১৩৬তম তিরোধান দিবস আজ, শুরু স্মরণোৎসব
১৭ অক্টোবর ২০২৬

লালন শাহের ১৩৬তম তিরোধান দিবস আজ, শুরু স্মরণোৎসব

মানবতাবাদী সাধক ফকির লালন শাহের ১৩৬তম তিরোধান দিবস আজ ১৭ অক্টোবর। এ উপলক্ষে আজ থেকে শুরু হচ্ছে তিন দ...

দুর্গাপূজার ছুটি সমন্বয়ে আজ শনিবার খোলা সরকারি অফিস
১৭ অক্টোবর ২০২৬

দুর্গাপূজার ছুটি সমন্বয়ে আজ শনিবার খোলা সরকারি অফিস

সাপ্তাহিক ছুটির দিন শনিবার (১৭ অক্টোবর) সচিবালয়সহ দেশের সরকারি অফিসগুলোতে স্বাভাবিক কার্যক্রম চলছে।...

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
১৭ অক্টোবর ২০২৬

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সরকারের উদ্যোগের ওপর নির্ভর না করে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছ...

দুর্গাপূজায় শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষায় সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: গয়েশ্বর
১৭ অক্টোবর ২০২৬

দুর্গাপূজায় শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষায় সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: গয়েশ্বর

দুর্গাপূজায় শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী ক...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পরিচয় যা-ই হোক, চাঁদাবাজ-দখলদারদের ছাড় নয়: ডিএমপি কমিশনার

চাঁদাবাজ, ভূমি দখলবাজ ও মাদক কারবারে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় বা অবস্থান বিবেচনা না করে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দীন আহমদ। এসব অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানো যাবে না বলেও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে ডিএমপি সদর দপ্তরের সম্মেলনকক্ষে সেপ্টেম্বর মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় উপস্থিত ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এসব নির্দেশনা দেন কমিশনার। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন- কমিশনার যে নির্দেশনা দিয়েছেন, পুলিশ সদস্যরা তা বাস্তবে তা করতে পারবেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 3 দিন আগে