গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬

মেনু

এক ভূমিকম্পে কেঁপেছে ৫ দেশ

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১১:৪৪ পিএম, ০৮ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১৩:১৫ এএম ২০২৬
এক ভূমিকম্পে কেঁপেছে ৫ দেশ
ছবি

ছবি সংগৃহীত

ভুটানে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপেছে বাংলাদেশসহ এশিয়ার পাঁচটি দেশ। রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৬ মাত্রার এই ভূমিকম্পে বাংলাদেশ-ভুটানের পাশাপাশি ভারত, চীন এবং নেপালেও তীব্র কম্পন অনুভূত হয়েছে।

গত রোববার (৭ জুন) বাংলাদেশ সময় রাত রাত ১১টা ৩৬ মিনিটে এই কম্পন অনুভূত হয়। হঠাৎ এই ভূমিকম্পে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই ভবন ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসেন।

জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস (জিএফজেড) এবং বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৬। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভুটানের পুনাখা শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে ভূগর্ভের গভীরে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা সংবাদমাধ্যমকে  জানান, রোববার রাতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ভূমিকম্পের তথ্য পাওয়া গেছে। মূলত রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের জেলাগুলোতে কম্পনের তীব্রতা বেশি ছিল। তবে রাজধানী ঢাকা এবং সিলেটসহ দেশের অন্য প্রান্ত থেকেও বাসিন্দারা কম্পন অনুভব করার কথা জানিয়েছেন।

ভুটানে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পের প্রভাব সীমান্ত পেরিয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোতেও ছড়িয়ে পড়ে। টেকটোনিক প্লেটের সক্রিয়তার কারণে হিমালয় অঞ্চলের এই দেশগুলো সব সময়ই ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে থাকে।

উৎপত্তিস্থলের কাছাকাছি হওয়ায় ভুটানের বিস্তীর্ণ অংশ এবং নেপালের পাহাড়ি অঞ্চলে তীব্র ঝাঁকুনি তৈরি হয়। সতর্কতা হিসেবে বাসিন্দারা দ্রুত ঘরবাড়ি ছেড়ে খোলা জায়গায় চলে আসেন।

ভারতের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলো (বিশেষ করে আসাম ও পশ্চিমবঙ্গ) এবং চীনের সীমান্তসংলগ্ন তিব্বত অঞ্চলেও কম্পন অনুভূত হয়েছে।

জিএফজেড জানিয়েছে, শক্তিশালী এই ভূমিকম্পে তাৎক্ষণিকভাবে পাঁচ দেশের কোথাও বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি কিংবা প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের কাজ করছে।

ভূবিজ্ঞানীদের মতে, ভুটান ও সমগ্র হিমালয় অঞ্চলটি অত্যন্ত ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত। ভারতীয় এবং ইউরেশীয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে এই অঞ্চলের অবস্থান। এই দুটি প্লেট প্রতিনিয়ত একে অপরের সঙ্গে ধাক্কা খাচ্ছে বা একটি অপরটির ওপর ওঠার চেষ্টা করছে। ফলে এই অঞ্চলে ছোট-বড় ভূমিকম্প একটি নিয়মিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

রোববারের এই ভূমিকম্পে বাংলাদেশে কোথাও কোনো ফাটল বা ধসের খবর না পাওয়া গেলেও, মাঝরাতের এই আকস্মিক কম্পন দেশের বহুতল ভবনের বাসিন্দাদের মধ্যে বড় ধরনের ভীতি তৈরি করে।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে, ইউএসজিএস

এসি/আপ্র/০৮/০৬/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

তিন মাসের জ্বালানি মজুদ সক্ষমতার সুপারিশ সংসদীয় কমিটির
০৮ জুন ২০২৬

তিন মাসের জ্বালানি মজুদ সক্ষমতার সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

দেশে জ্বালানি তেলের কৌশলগত মজুদ সক্ষমতা কমপক্ষে তিন মাসে উন্নীত করার সুপারিশ করেছে সংসদীয় বিশেষ কমিট...

ঢাকাসহ ১১ অঞ্চলে ঝড়-বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা
০৮ জুন ২০২৬

ঢাকাসহ ১১ অঞ্চলে ঝড়-বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা

ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের ১১টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাও...

ভুটানের ভূমিকম্পে কাঁপলো ঢাকাসহ দেশ
০৮ জুন ২০২৬

ভুটানের ভূমিকম্পে কাঁপলো ঢাকাসহ দেশ

ভুটানে উৎপত্তি হওয়া ৫ দশমিক ৬ মাত্রার একটি ভূমিকম্পে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কম্পন অনুভূ...

সংসদে প্রতিশ্রুতি দেওয়ার আগে স্টাডি করে নেবেন: মন্ত্রীকে স্পিকার
০৮ জুন ২০২৬

সংসদে প্রতিশ্রুতি দেওয়ার আগে স্টাডি করে নেবেন: মন্ত্রীকে স্পিকার

জাতীয় সংসদে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে না পারায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

ঢাকা আর বাসযোগ্য নেই, সব রোগের মূল বুড়িগঙ্গা

রাজধানী ঢাকার বর্তমান পরিবেশ ও নাগরিক দুরবস্থা নিয়ে চরম হতাশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘এটা (ঢাকা) আর বাসযোগ্য মনে হয় না। ঘর থেকে বেরোলেই নিঃশ্বাস নেওয়া যায় না, চারদিকে দূষিত বাতাস। আমার তো মনে হয়, ঢাকার সব রোগের মূলেই বুড়িগঙ্গা। আপনি কি মন্ত্রীর এই বক্তব্যে একমত?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে