খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে নানি ও তার দুই নাতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৩০ মে) সন্ধ্যায় সুজুকি গলির পাশের দারুল আমান মহল্লায় শরিফুল ইসলামের বাড়ির একটি কক্ষ থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।
নিহতরা হলেন বেবি বেগম (৬৫) এবং তার দুই নাতি শামীম ব্যাপারী (১২) ও মুস্তাকিম (৪)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মেরি বেগম তার মা ও দুই সন্তানকে নিয়ে ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন। শামীম ও মুস্তাকিম তার প্রথম স্বামী মাসুমের সন্তান। প্রায় চার বছর আগে মেরি দ্বিতীয় স্বামী রফিকুল ইসলামের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে তিনি পরিবারের সঙ্গে স্থায়ীভাবে বসবাস করতেন না; মাঝেমধ্যে সেখানে আসতেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, ঈদের দিন রাতেও বেবি বেগম ও তার দুই নাতিকে এলাকায় দেখা গেছে। এরপর থেকে তাদের আর দেখা যায়নি। শনিবার বাসা থেকে দুর্গন্ধ বের হলে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে ভেতর থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে।
সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্তে সিআইডির অপরাধস্থল তদন্ত দল কাজ করছে। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পর থেকে মেরির দ্বিতীয় স্বামী রফিকুল ইসলাম পলাতক রয়েছেন। প্রাথমিকভাবে পারিবারিক বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মেরি বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।
সানা/আপ্র/৩০/৫/২০২৬