গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

মৌলিক সুবিধা দেশের সব অংশেই গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৪:৩৭ পিএম, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ২০:১০ এএম ২০২৬
মৌলিক সুবিধা দেশের সব অংশেই গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী
ছবি

ছবি সংগৃহীত

ঢাকার উপর চাপ কমাতে কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ মৌলিক (বেসিক) সুবিধাগুলোকে দেশের সব অংশেই পর্যায়ক্রমিকভাবে গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৪তম দিন বুধবার (২৯ এপ্রিল) সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা জানান।

এ পর্যায়ে অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দন আহমদ।

কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম সম্পূরক প্রশ্নে বলেন, রাজধানী ঢাকাকে বাসযোগ্য ও আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও সম্মিলিত পদক্ষেপ গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। এই উপলব্ধি থেকে প্রধানমন্ত্রী শপথ নেওয়ার পরপরই জনগণকে স্বস্তি দেওয়ার প্রচেষ্টায় অব্যাহত রেখেছেন। রাজধানী ঢাকা নাগরিক সমস্যার সমাধানের জন্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। আমার সম্পূরক প্রশ্নে জানতে চাই, জনঘনত্ব নিয়ন্ত্রণ ও বিকেন্দ্রীকরণের লক্ষ্যে রাজধানী ঢাকামুখী মানুষের স্রোত কমানোসহ প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ঢাকার বাইরে ছড়িয়ে দিতে আপনার সরকার কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করবে কিনা এবং করলে তা কী?

জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আপনি যে প্রশ্নটি করেছেন এটির পদক্ষেপটি একটি দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ। আনফরচুনেটলি যেভাবেই হোক আমরা খেয়াল করেছি যে, মানুষের সুযোগ সুবিধা সেটি চাকরি বাকরির ক্ষেত্রে হোক, চিকিৎসার ক্ষেত্রে হোক, পড়ালেখার ক্ষেত্রে হোক, বাচ্চাদের সবকিছুই ঢাকা কেন্দ্রিক গড়ে উঠেছে। একদিন দুইদিনে না, এটি বহু বছর ধরে গড়ে উঠেছে। আনফরচুনেটলি সারা দেশকে ঘিরে এই সুবিধাগুলো আমরা হয়তো সেভাবে গড়ে তুলতে সক্ষম হইনি এখনও। সে কারণেই স্বাভাবিকভাবে সারা দেশ থেকে মানুষ ঢাকামুখী হয়ে থাকে। সেটি কর্মসংস্থানের সুবিধার জন্য হোক, সন্তানদের লেখাপড়ার জন্যই হোক, পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসার জন্যই হয় না কেন। সেজন্যই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মধ্যে আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে ধীরে ধীরে দেশের সব অংশেই পর্যায়ক্রমিকভাবে এই বেসিক সুবিধাগুলোকে গড়ে তোলা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বিভিন্ন শিল্পায়ন গড়ে তোলার লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিশেষ শিল্পায়িত অঞ্চল গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। একইসঙ্গে আমরা চেষ্টা করছি দেশের বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা সেবাও গড়ে তুলতে এবং দেশের বিভিন্ন জায়গায় আমাদের আগামী ভবিষ্যৎ প্রজন্মদের লেখাপড়ার জন্য ধীরে ধীরে ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার জন্য। আমরা মনে করি এই সুবিধাগুলো যদি আমরা গড়ে তুলতে পারি তাহলে মানুষ কম উৎসাহিত হবে ঢাকা শহরে আসার জন্য। এর মাধ্যমেই আমরা ধীরে ধীরে ঢাকার উপরে চাপ কমাতে সক্ষম হব বলে আমরা মনে করি।

এসি/আপ্র/২৯/০৪/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

ডেঙ্গুতে আরো ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৭৯০
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ডেঙ্গুতে আরো ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৭৯০

দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরো দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই...

দুর্ঘটনায় আহত ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিনকে দেখতে সিএমএইচে প্রধানমন্ত্রী
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুর্ঘটনায় আহত ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিনকে দেখতে সিএমএইচে প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে সেনাবাহিনীর অনুশীলন চলাকালে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিনকে দেখতে...

আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক ইউনিট বন্ধ, বাড়ছে লোডশেডিং
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক ইউনিট বন্ধ, বাড়ছে লোডশেডিং

ভারতের ঝাড়খন্ডে নির্মিত আদানির কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদনে গত এক মাস ধরে কয়লা সংকটের কারণে...

খালে ভাসছিল লাশ, ৩৬ ঘণ্টায় হত্যার রহস্য উন্মোচন
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

খালে ভাসছিল লাশ, ৩৬ ঘণ্টায় হত্যার রহস্য উন্মোচন

রাজধানীর খিলগাঁওয়ের ত্রিমোহনীতে জিরানী খালের পানিতে ভাসমান অবস্থায় অজ্ঞাত এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধারের প...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে ড. ইউনূসকে

বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এই কর পরিশোধের জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৩ অর্থবছর সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন এই রায় সঠিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে