গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

সংসদে রুমিন ফারহানা

সরকার ৫২ দিনে ৪৪ হাজার কোটি টাকা ব্যাংক ঋণ নিয়েছে

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:৪১ পিএম, ২১ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ১৭:৫৮ এএম ২০২৬
সরকার ৫২ দিনে ৪৪ হাজার কোটি টাকা ব্যাংক ঋণ নিয়েছে
ছবি

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে কথা বলেন রুমিন ফারহানা -ভিডিও থেকে নেওয়া ছবি

বর্তমান সরকারের ব্যাংক ঋণ গ্রহণের লাগামহীন গতি এবং রাজস্ব আদায়ের নাজুক পরিস্থিতি নিয়ে জাতীয় সংসদে তীব্র সমালোচনা করেছেন সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। 

তিনি বলেছেন, নতুন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের মাত্র ৫২ দিনের মাথায় ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ৪৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য উদ্বেগজনক।  

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা সম্পূরক প্রশ্নে এসব কথা জানান। সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৮তম দিনে সংসদ অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর  বিক্রম। 

সম্পূরক প্রশ্ন উত্থাপনের সময় রুমিন ফারহানা বলেন, চলতি অর্থবছরের বাজেটে ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার যে লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা নির্ধারিত ছিল, এপ্রিলের শুরুতেই তা লক্ষ্যমাত্রার ১০৮ শতাংশ অর্থাৎ ১ লাখ ১২ হাজার ৭৬১ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, রাজস্ব আদায় লক্ষ্যমাত্রা থেকে প্রায় সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকা পিছিয়ে থাকলেও সরকার ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক ঋণের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে করের আওতা বাড়ানো বা রাজস্ব বাড়াতে সরকারের সুনির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনা আছে কি না, তা অর্থমন্ত্রীর কাছে জানতে চান তিনি।


জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ঋণের এই বিশাল অঙ্ক মূলত বিগত সরকারের রেখে যাওয়া দায়ের ধারাবাহিকতা বা ক্যারিওভার। সরকার মাত্র দুই মাস হলো দায়িত্ব নিয়েছে উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, এই ঋণের সংখ্যা বর্তমান সরকারের কর্মফল হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। 

এসময় রুমিন ফারহানাকে আশ্বস্ত করে অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারের মূল অর্থনৈতিক নীতিই হলো স্থানীয় ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণের পরিমাণ ক্রমান্বয়ে কমিয়ে আনা এবং এর প্রতিফলন আগামী বাজেট থেকেই দেখা যাবে। বর্তমানে দেশের ব্যবসায়ীরা অস্তিত্ব সংকটে থাকায় এবং শিল্পকারখানাগুলো নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত হওয়ায় ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে কিছুটা সময়ের প্রয়োজন।

 আমির খসরু বলেন, বিগত সরকারগুলোর আমলে এই অনুপাত নিচে নেমে এলেও বর্তমান সরকার অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে অর্থনীতিকে পুনরায় শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাবে।  

 

সানা/ডিসি/আপ্র/২১/৪/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক ইউনিট বন্ধ, বাড়ছে লোডশেডিং
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক ইউনিট বন্ধ, বাড়ছে লোডশেডিং

ভারতের ঝাড়খন্ডে নির্মিত আদানির কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদনে গত এক মাস ধরে কয়লা সংকটের কারণে...

খালে ভাসছিল লাশ, ৩৬ ঘণ্টায় হত্যার রহস্য উন্মোচন
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

খালে ভাসছিল লাশ, ৩৬ ঘণ্টায় হত্যার রহস্য উন্মোচন

রাজধানীর খিলগাঁওয়ের ত্রিমোহনীতে জিরানী খালের পানিতে ভাসমান অবস্থায় অজ্ঞাত এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধারের প...

লালবাগে বন্ধুর বাসার পেছনে মাটিচাপা ব্যবসায়ীর লাশ
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

লালবাগে বন্ধুর বাসার পেছনে মাটিচাপা ব্যবসায়ীর লাশ

নিখোঁজের তিন দিন পর ঢাকার লালবাগে বন্ধুর বাসার পেছন থেকে শেখ ওয়াসিম রনি নামে এক ব্যবসায়ীর মাটিচাপা...

ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি-সমঝোতা পর্যালোচনা করছে সরকার
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি-সমঝোতা পর্যালোচনা করছে সরকার

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেছেন, ভারতের সঙ্গে হওয়া ১০১টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক পর্যালো...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে ড. ইউনূসকে

বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এই কর পরিশোধের জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৩ অর্থবছর সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন এই রায় সঠিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 18 ঘন্টা আগে