যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তিকে ‘অসম ও দেশবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে তা বাতিলের দাবি জানিয়েছে বামপবন্ধু একই বিষয়ে কয়েকটা নিউজ দিলাম। এই নিউজের সব তথ্য ও ঘটনা শতভাগ সঠিক রেখে খুবই উন্নতমানের কম্পাইল সম্পাদনা করে দাও। যথার্থ শিরোনাম দিয়ে। শিরোনামটা ৬ থেকে ৮ শব্দের মধ্যে হলে ভালো হবে। কোনোরকম ইংরেজি অক্ষর ও শব্দ ব্যবহার করা যাবে না। এটি মূলধারার জাতীয় দৈনিক পত্রিকার প্রথম পাতায় ব্যানার লিড নিউজ হিসেবে ছাপা হবে। পাঠক যেন মোটামুটি মূল তথ্য ও ঘটনাগুলো জানতে পারে সেইভাবে খুবই প্রফেশনাল এডিট করে দাও। তথ্য শতভাগ সঠিক থাকতে হবে এবং নিউজের ব্যপ্তি মোটামুটি সবই প্রায় রাখতে হবে। তথ্য ও ঘটনা যেন পাঠক জানতে পারেন।ন্থী সংগঠনগুলো।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকালে রাজধানীর শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন ও বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী যৌথভাবে এই দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করে।
সমাবেশে বক্তারা চুক্তিটিকে ‘দাসত্বের চুক্তি’ হিসেবে উল্লেখ করে অবিলম্বে এটি বাতিলের দাবি জানান। একই সঙ্গে তারা অভিযোগ করেন, দেশের কৌশলগত সম্পদ, বিশেষ করে বন্দর, বিদেশিদের কাছে ইজারা দেওয়ার চক্রান্ত চলছে, যার বিরুদ্ধেও অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
সমাবেশে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন শুভ বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ যখন রাশিয়া থেকে তেল আমদানির উদ্যোগ নেয়, তখন সেই প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতির বিষয়টি সামনে আসে। কিন্তু এ বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কোনও সিদ্ধান্ত বা ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও কূটনৈতিক নীতি নির্ধারণে অন্য কোনও দেশের এমন নিয়ন্ত্রণ বা প্রভাব গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তি সমতার ভিত্তিতে নয়; বরং তা দেশের স্বার্থবিরোধী। অথচ ক্ষমতাসীন দল ও বিরোধী দল উভয়ই এ বিষয়ে নীরব ভূমিকা পালন করছে। এতে প্রতীয়মান হয় যে, জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কার্যত কোনও পার্থক্য নেই।
শুভ বলেন, এই ‘অন্যায্য ও অসম’ চুক্তির বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে হবে এবং গণআন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে তা থেকে সরে আসতে বাধ্য করতে হবে। অন্যথায় দেশ আরও গভীর অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সংকটে পড়বে।
যুব ইউনিয়নের সভাপতি খান আসাদুজ্জামান মাসুম বলেন, একটি রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের পর ড. ইউনূস ‘তথাকথিত আশীর্বাদ’ হিসেবে দেশে আসেন। কিন্তু দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষায় ভূমিকা রেখেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
আসাদুজ্জামান দাবি করেন, প্রায় ১৮ মাস সময় নিয়ে তিনি (ড. ইউনূস) সেই স্বার্থই নিশ্চিত করেছেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই ড. ইউনূস তার প্রতিষ্ঠানের বিপুল অঙ্কের কর মওকুফ করিয়ে নেন এবং বিদায়ের আগে দেশকে সাম্রাজ্যবাদের অধীন করে দেওয়ার মতো চুক্তি সম্পাদন করে যান।
তিনি বলেন, এই গোলামির চুক্তি আমরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি।
সভাপতির বক্তব্যে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ১৮ মাসে ১৪টি চুক্তি করেছে যা দেশের জনগণের স্বার্থবিরোধী।
তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনের মাত্র ৩ দিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পাদিত বাণিজ্যচুক্তির ভেতর দিয়ে ড. ইউনূস দেশের সার্বভৌমত্ব বিকিয়ে দিয়ে গিয়েছেন। তিনি মূলত বিদেশি প্রভুদের স্বার্থ রক্ষা করতেই ক্ষমতায় বসেছিলেন।
অমিত রঞ্জন দে আরও বলেন, আমাদের বেশি দামে নিম্নমানের গম কিনতে হচ্ছে এবং জ্বালানি আমদানির ক্ষেত্রেও যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতির বিষয় সামনে আসছে। এটি দাসত্ব ছাড়া আর কী হতে পারে? তিনি বলেন, এই বাণিজ্য চুক্তি দেশের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
সানা/আপ্র/১১/৪/২০২৬