গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

৬ সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট মামলা

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:০৪ পিএম, ০৪ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ১৭:২০ এএম ২০২৬
৬ সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট মামলা
ছবি

ছবি সংগৃহীত

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণসহ দেশের ছয়টি সিটি করপোরেশনে প্রশাসক বসানোর ঘটনায় এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে রিট করেছেন সুপ্রিম কোর্টের ছয়জন আইনজীবী।

হাই কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় বুধবার (৪ মার্চ) এ আবেদন করা হয়। রিটে প্রশাসক নিয়োগের প্রজ্ঞাপন স্থগিতের পাশাপাশি আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এসব সিটি করপোরেশনে মেয়র নির্বাচনের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। রিট আবেদনকারী ছয় আইনজীবী হলেন- মো. গোলাম কিবরিয়া, জিল্লুর রহমান, মো. আবু দাউদ নিজামী, মো. ইসমাইল হোসেন, মো. আল মুত্তাকী বিল্লাহ এবং সাইফুল্লাহ খালেদ। 

আবেদনে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ, খুলনা, সিলেট, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের বিবাদী করা হয়েছে। এর আগে, গত ২২ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই ছয় সিটি করপোরেশনে প্রশাসক দেয় সরকার।

তারা হলেন-ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে মো. আব্দুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে মো. শফিকুল ইসলাম খান, খুলনা সিটি করপোরেশনে নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সিলেট সিটি করপোরেশনে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে মো. সাখাওয়াত হোসেন খান এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশনে মো. শওকত হোসেন সরকার।


রিট আবেদনে বলা হয়েছে, ‘২২ ফেব্রুয়ারির ওই স্মারকমূলে প্রশাসক নিয়োগ কেন বেআইনি ও আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না- সে বিষয়ে বিবাদীদের কারণ দর্শানোর রুল জারির আরজি জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই স্মারকের কার্যক্রম ও প্রশাসকদের দায়িত্ব পালন স্থগিতের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।’


পাশাপাশি, আইন অনুযায়ী এক মাসের মধ্যে সকল সিটি করপোরেশনে মেয়র নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে বিবাদীদের প্রতি নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে আবেদনে। এছাড়া নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে এই সিটি করপোরেশনগুলোর নিয়মিত কার্যক্রম জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে পরিচালনা করতে স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রতি নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে রিটে। রিট দায়েরের বিষয়ে আইনজীবী মো. গোলাম কিবরিয়া বলেন, আবেদনের শুনানি কবে হবে সেটি এখনও নিশ্চিত নয়। তবে আগামী রোববার হাই কোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে এর শুনানি হতে পারে।

সানা/ডিসি/আপ্র/৪/৩/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক ইউনিট বন্ধ, বাড়ছে লোডশেডিং
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক ইউনিট বন্ধ, বাড়ছে লোডশেডিং

ভারতের ঝাড়খন্ডে নির্মিত আদানির কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদনে গত এক মাস ধরে কয়লা সংকটের কারণে...

খালে ভাসছিল লাশ, ৩৬ ঘণ্টায় হত্যার রহস্য উন্মোচন
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

খালে ভাসছিল লাশ, ৩৬ ঘণ্টায় হত্যার রহস্য উন্মোচন

রাজধানীর খিলগাঁওয়ের ত্রিমোহনীতে জিরানী খালের পানিতে ভাসমান অবস্থায় অজ্ঞাত এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধারের প...

লালবাগে বন্ধুর বাসার পেছনে মাটিচাপা ব্যবসায়ীর লাশ
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

লালবাগে বন্ধুর বাসার পেছনে মাটিচাপা ব্যবসায়ীর লাশ

নিখোঁজের তিন দিন পর ঢাকার লালবাগে বন্ধুর বাসার পেছন থেকে শেখ ওয়াসিম রনি নামে এক ব্যবসায়ীর মাটিচাপা...

ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি-সমঝোতা পর্যালোচনা করছে সরকার
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি-সমঝোতা পর্যালোচনা করছে সরকার

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেছেন, ভারতের সঙ্গে হওয়া ১০১টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক পর্যালো...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে ড. ইউনূসকে

বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এই কর পরিশোধের জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৩ অর্থবছর সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন এই রায় সঠিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 18 ঘন্টা আগে