গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

মেনু

পিলখানা হত্যাকাণ্ড জাতির ইতিহাসে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছে: প্রধানমন্ত্রী

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২:২৬ পিএম, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ২২:২৪ এএম ২০২৬
পিলখানা হত্যাকাণ্ড জাতির ইতিহাসে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছে: প্রধানমন্ত্রী
ছবি

বুধবার পিলখানা হত্যাকাণ্ড ও শহীদ দিবসের আলোচনায় বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান -ছবি সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ড জাতির ইতিহাসে এক রক্তাক্ত ও বেদনাবিধূর দিন। এই দিনটি এলে প্রকৃতি যেন আবার স্মৃতি ও শোকের ভারে নীরব হয়ে যায়। বাতাসে ভেসে আসে সেই বিভীষিকাময় মূহূর্তের আর্তনাদ। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারির এই নির্মম হত্যাকাণ্ড আমাদের জাতির ইতিহাসে এক গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছে।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় সেনানিবাসের মাল্টি পারপাস হলে পিলখানা হত্যাকাণ্ড ও শহীদ দিবসের আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া শহীদ পরিবারের সদস্যরাও  এতে অংশগ্রহণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ড ছিল সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার অপপ্রয়াস। সেই শহীদদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্মরণ করা সবার দায়িত্ব। তিনি বলেন, শুধু  জনপ্রতিনিধি নয়, সেনা পরিবারের সদস্য হিসেবে আজ আপনাদের মাঝে উপস্থিত হয়েছি। দেশে ফেরার পরপরই শহীদদের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে অনুভব করেছি, গত ১৭ বছর বিচারের জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন শহীদ পরিবারের সদস্যরা। তিনি বলেন, সেনাবাহিনী সার্বভৌমত্বের প্রতীক। পিলখানা হত্যাকাণ্ড ছিল সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার অপপ্রয়াস। এই ঘটনায় জাতীয় নিরাপত্তার দুর্বলতা ফুটে উঠে। ঘটনার দীর্ঘ ১৭ বছর পর শহীদদের স্মৃতিবিজড়িত এই প্রাঙ্গণে আজ আমার কণ্ঠ ভারী হয়ে আসছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর শিকড় আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাসে প্রোথিত। ১৯৭১ সালের যেদিন চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, সেদিন সেনাবাহিনীর সঙ্গে তদানীন্তন ইপিআরের সদস্যরা বেতারকেন্দ্রে দায়িত্বে নিয়োজিত থেকে গৌরবময় ইতিহাসের সাক্ষী হয়েছেন।

মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্ন থেকে সেনাবাহিনীর সঙ্গে অবিস্মরণীয় অবদান রেখে চলেছেন। পরবর্তীকালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে সুসংহত করতে বিশেষ গুরুত্বারোপ করে অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ শুরু করেন।

তারেক রহমান বলেন, সেনাবাহিনী থেকে যোগ্য ও মেধাবী অফিসারদের প্রেষণে প্রেরণের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়। ১৯৭৮ সালে এই বাহিনীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ঘটনা হলো সামরিক কায়দায় নতুন করে পুনর্গঠিত হওয়া। পূর্বের উইংগুলোকে পরিবর্তন করে ব্যাটালিয়নে রূপান্তর করা হয়। এ সময় জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোকে আরও আধুনিক এবং শক্তিশালী করতে সরকার কাজ করবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি পিলখানার শহীদ, মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদ, নব্বইয়ের গণআন্দোলন এবং চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে শাহাদাতবরণকারী ছাত্র-জনতাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।

সানা/আপ্র/২৬/২/২০২৬ 
 

সংশ্লিষ্ট খবর

পহেলা বৈশাখ আমাদের আত্মপরিচয়ের অনন্য প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী
১৩ এপ্রিল ২০২৬

পহেলা বৈশাখ আমাদের আত্মপরিচয়ের অনন্য প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পহেলা বৈশাখ আমাদের জাতিসত্তার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের এক অন...

বাংলা নববর্ষে ঐক্য, সম্প্রীতি ও নতুন প্রত্যয়ের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
১৩ এপ্রিল ২০২৬

বাংলা নববর্ষে ঐক্য, সম্প্রীতি ও নতুন প্রত্যয়ের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে ঐক্য, সম্প্রীতি ও নতুন প্রত্যয়ের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।...

ইলিশের নামে বাজারে চন্দনা সার্ডিন
১৩ এপ্রিল ২০২৬

ইলিশের নামে বাজারে চন্দনা সার্ডিন

বৈশাখের উৎসব ঘিরে চাহিদা তুঙ্গে

বিদায়ের ইঙ্গিত মানবাধিকার কমিশনের চিঠিতে
১৩ এপ্রিল ২০২৬

বিদায়ের ইঙ্গিত মানবাধিকার কমিশনের চিঠিতে

খোলা চিঠির মাধ্যমে নিজেদের ‘বিদায়ের’ ইঙ্গিত দিয়েছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ও চার সদস্য।...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

মতামত জানান

‘অসম ও দেশবিরোধী’ মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন ও বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী। আপনি কি এই দাবির সঙ্গে একমত?

মোট ভোট: ২ | শেষ আপডেট: 2 দিন আগে