গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

ভোটাররা কেন্দ্রে যা করতে পারবেন আর যা করতে পারবেন না

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১০:১৮ পিএম, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ১৭:৩৩ এএম ২০২৬
ভোটাররা কেন্দ্রে যা করতে পারবেন আর যা করতে পারবেন না
ছবি

ছবি সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বৃহস্পতিবার । দেশজুড়ে চলছে নির্বাচনী উত্তেজনা। এবারের নির্বাচনে ভোট দেবেন মোট ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন ভোটার। নির্বাচন কমিশনের তথ্যানুযায়ী, তাদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫৪ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ২২০ জন।

ভোটের দিন প্রার্থী, পোলিং এজেন্ট ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ভোটারদেরও কিছু বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে। ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের পর কী করবেন আর কী করবেন না তা জানা জরুরি।

ভোট দেওয়ার সময়সূচি
ভোটারদের সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টার মধ্যে নির্ধারিত কেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে। বিকাল ৪টার আগে লাইনে দাঁড়ালে সময় শেষ হলেও ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকবে।

কেন্দ্রে প্রবেশে নির্দেশনা
ভোটাররা পার্স ছাড়া অন্য কোনো ব্যাগ নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। মোবাইল ফোন সঙ্গে রাখা যাবে এবং ছবি তোলাও যাবে। তবে গোপন কক্ষে (মার্কিং প্লেসে) মোবাইল ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। যে কোনো শালীন পোশাক পরে ভোট দিতে যাওয়া যাবে। কেউ নেকাব পরে গেলে পোলিং এজেন্টের অনুরোধে পরিচয় নিশ্চিত করতে একবারের জন্য নেকাব খুলতে হতে পারে।অস্ত্র, দাহ্য পদার্থ বা বিপজ্জনক কোনো বস্তু নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

পরিচয় যাচাই ও ব্যালট গ্রহণ
ভোটারের এনআইডি সঙ্গে রাখা বাধ্যতামূলক নয়। তবে সঙ্গে থাকলে শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া সহজ হয়। ভোটারের নাম ও ক্রমিক নম্বর যাচাই শেষে পোলিং অফিসার আঙুলে অমোচনীয় কালি দেবেন। এরপর প্রিসাইডিং অফিসার বা পোলিং অফিসার দুটি ব্যালট পেপার দেবেন একটি সংসদ নির্বাচনের জন্য এবং অন্যটি গণভোটের জন্য।

ভোট প্রদানের নিয়ম
ব্যালট পেপার নেওয়ার পর ভোটারকে অবশ্যই দেখে নিতে হবে, ব্যালটের পেছনে অফিসিয়াল সিল ও প্রিসাইডিং অফিসারের স্বাক্ষর রয়েছে কি না। এরপর নির্ধারিত গোপন কক্ষে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীর প্রতীকে রাবার স্ট্যাম্প দিয়ে স্পষ্ট সিল দিতে হবে।

গণভোটের ক্ষেত্রে হ্যাঁ/না অপশনের আলাদা ব্যালটে সিল দিতে হবে। সিল দেওয়ার পর ব্যালট এমনভাবে ভাঁজ করতে হবে যাতে কালি অন্য কোনো প্রতীকে না লাগে। সাধারণত লম্বালম্বিভাবে ভাঁজ করা নিরাপদ। পরে সংশ্লিষ্ট স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ব্যালট পেপার ফেলতে হবে।

ভোট প্রদান শেষে অযথা কেন্দ্রে অবস্থান না করে দ্রুত কেন্দ্র ত্যাগ করার নির্দেশনা রয়েছে। নির্বাচন কমিশন আশা করছে, ভোটাররা নিয়ম মেনে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

এসি/আপ্র/১১/০২/২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক ইউনিট বন্ধ, বাড়ছে লোডশেডিং
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক ইউনিট বন্ধ, বাড়ছে লোডশেডিং

ভারতের ঝাড়খন্ডে নির্মিত আদানির কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদনে গত এক মাস ধরে কয়লা সংকটের কারণে...

খালে ভাসছিল লাশ, ৩৬ ঘণ্টায় হত্যার রহস্য উন্মোচন
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

খালে ভাসছিল লাশ, ৩৬ ঘণ্টায় হত্যার রহস্য উন্মোচন

রাজধানীর খিলগাঁওয়ের ত্রিমোহনীতে জিরানী খালের পানিতে ভাসমান অবস্থায় অজ্ঞাত এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধারের প...

লালবাগে বন্ধুর বাসার পেছনে মাটিচাপা ব্যবসায়ীর লাশ
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

লালবাগে বন্ধুর বাসার পেছনে মাটিচাপা ব্যবসায়ীর লাশ

নিখোঁজের তিন দিন পর ঢাকার লালবাগে বন্ধুর বাসার পেছন থেকে শেখ ওয়াসিম রনি নামে এক ব্যবসায়ীর মাটিচাপা...

ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি-সমঝোতা পর্যালোচনা করছে সরকার
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি-সমঝোতা পর্যালোচনা করছে সরকার

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেছেন, ভারতের সঙ্গে হওয়া ১০১টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক পর্যালো...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে ড. ইউনূসকে

বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এই কর পরিশোধের জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৩ অর্থবছর সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন এই রায় সঠিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 18 ঘন্টা আগে