গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

ধর্ষণ মামলায় মাগুরার সাবেক এসপির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২:১২ পিএম, ২৯ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১১:০০ এএম ২০২৬
ধর্ষণ মামলায় মাগুরার সাবেক এসপির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
ছবি

ছবি সংগৃহীত

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় মাগুরার সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) এবং বর্তমানে ওএসডিপ্রাপ্ত অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

সোমবার (২৭ জুলাই) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুনতাসির আহমেদ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. আজমত হোসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

আদালত সূত্র জানায়, মামলার তদন্তে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। নির্ধারিত শুনানির দিনে আসামি আদালতে উপস্থিত না থাকায় ট্রাইব্যুনাল তদন্ত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০২১ সালের জানুয়ারিতে মাগুরার পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত থাকাকালে ভুক্তভোগী নারীর সঙ্গে মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামের পরিচয় হয়। পরে বিভিন্ন অজুহাতে তাকে নিজের কার্যালয়ে ডেকে ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে সাবেক স্ত্রীকে তালাক দিয়ে ভুক্তভোগীকে বিয়ে করার আশ্বাস দেন।

এজাহারে আরো বলা হয়, ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি মাগুরার সরকারি বাংলোয় ভুক্তভোগীকে নাকফুল পরিয়ে সম্পর্কের আনুষ্ঠানিকতা করেন জহিরুল ইসলাম। পরে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মাগুরার সরকারি বাংলো, অফিসের বিশ্রামকক্ষ এবং ঢাকার বাসায় একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। পুলিশ সদর দপ্তরে বদলির পরও তাদের মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত ছিল।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, ২০২৫ সালের ১৩ জুলাই বিয়ের জন্য চাপ দিলে জহিরুল ইসলাম বিয়েতে অস্বীকৃতি জানান এবং আইনি পদক্ষেপ নিলে ক্ষতি হবে বলেও হুমকি দেন। এ ঘটনায় ১৫ জুলাই রাজধানীর ভাটারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পাশাপাশি পুলিশের মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) কাছেও লিখিত অভিযোগ দেন তিনি।

পরে আত্মীয়-স্বজনের মাধ্যমে সমঝোতার চেষ্টা ব্যর্থ হলে চলতি বছরের ১৫ মার্চ ঢাকার জজ আদালত প্রাঙ্গণে পুনরায় বিয়ের বিষয়ে আলোচনা করতে গিয়ে অভিযুক্ত আবারও অস্বীকৃতি জানান এবং হুমকি দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে গত ২০ মে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন ভুক্তভোগী ওই নারী।

এরপর আদালতের নির্দেশে বিচার বিভাগীয় তদন্ত শেষে স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হক গত ১৪ জুলাই তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। আদালতে উপস্থাপিত অভিযোগের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

এসি/আপ্র/২৯/০৭/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

মাদকবিরোধী অভিযানে ৮৪ জনকে আটক, অতিরিক্ত ডিআইজিকে প্রত্যাহার
২০ অক্টোবর ২০২৬

মাদকবিরোধী অভিযানে ৮৪ জনকে আটক, অতিরিক্ত ডিআইজিকে প্রত্যাহার

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আবদুল্লাহ আল জহিরের ভাড়া দেওয়া বাসা...

গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটি টাকা কর ‌‌‘দ্রুত আদায়ের’ নির্দেশ স্থগিত
১৮ অক্টোবর ২০২৬

গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটি টাকা কর ‌‌‘দ্রুত আদায়ের’ নির্দেশ স্থগিত

ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ কল্যাণের কাছে পাঁচ করবর্ষের বিপরীতে বকেয়া ৬৬৬ কোটি টাকার বেশি ক...

গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিলের মামলায় ১৪ জন রিমান্ডে
১৮ অক্টোবর ২০২৬

গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিলের মামলায় ১৪ জন রিমান্ডে

রাজধানীর গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিলের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় পটুয়াখালীর বাউফল প...

গুলশানের রেস্ট হাউসে অভিযান, ২৪৪ লিটার অবৈধ মদ-বিয়ার জব্দ
১৬ অক্টোবর ২০২৬

গুলশানের রেস্ট হাউসে অভিযান, ২৪৪ লিটার অবৈধ মদ-বিয়ার জব্দ

রাজধানীর গুলশান-২ নম্বর এলাকার একটি রেস্ট হাউসে অভিযান চালিয়ে ২৪৪ লিটার অবৈধ বিদেশি মদ ও বিয়ার জব্দ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পতিত স্বৈরাচার ও বিরোধী দল বিশৃঙ্খলার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত: প্রধানমন্ত্রী

দেশের বিভিন্ন স্থানে ও কলকারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টির পেছনে পলাতক স্বৈরাচার ও কয়েকটি রাজনৈতিক দলের যোগসাজশ রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ বিষয়ে তাঁর কাছে গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে দাবি করে তিনি বলেছেন, এক পক্ষ সীমান্তের ওপার থেকে অর্থ সরবরাহ করছে, অন্য পক্ষ দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রিয় পাঠক, আপনি কি প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সঙ্গে একমত?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 7 ঘন্টা আগে