কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-ক্যানেলসহ দেশটির বেশ কয়েকজন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) মার্কিন ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টের ওয়েবসাইটে এই তথ্য জানানো হয়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
এই নিষেধাজ্ঞার তালিকায় প্রেসিডেন্ট দিয়াজ-ক্যানেল ছাড়াও আরো চারজন ব্যক্তি এবং পাঁচটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যার মধ্যে দিয়াজ-ক্যানেলের স্ত্রী লিস কুয়েস্তা পেরাজা, কাস্ত্রো পরিবারের দুই সদস্য এবং কিউবার বিপ্লবী সশস্ত্র বাহিনী মন্ত্রণালয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের কাছে ‘যুক্তরাষ্ট্র কিউবাকে একটি সুন্দরভাবে পরিচালিত দেশ হিসেবে দেখতে চায়’ বলে মন্তব্য করার পরই এই নিষেধাজ্ঞাগুলো ঘোষণা করা হয়।
এদিকে মার্কিন এই নিষেধাজ্ঞাকে ‘ঘৃণ্য’ বলে আখ্যায়িত করেছেন কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগেজ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে একে মার্কিন হস্তক্ষেপবাদের সর্বশেষ উদাহরণ হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে দ্বন্দ্বের পরিস্থিতি তৈরি করার উদ্দেশ্যে নেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি পদক্ষেপই ব্যর্থ হতে বাধ্য।
এর আগে গত মাসে কিউবার যোগাযোগমন্ত্রী, বেশ কয়েকজন সামরিক নেতা এবং প্রধান গোয়েন্দা সংস্থাসহ দেশটির ১১ জন কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল মার্কিন সরকার। এছাড়া ১৯৯৬ সালের একটি ঘটনায় কিউবান নির্বাসিতদের পরিচালিত বিমান ভূপাতিত করার অভিযোগে রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগও এনেছে যুক্তরাষ্ট্র।
সানা/আপ্র/৫/৬/২০২৬