জীবনের চার দশক পেরিয়েছেন অভিনেত্রী কুসুম শিকদার। তবে বয়সের ছাপ যেন তার সৌন্দর্যে খুব একটা পড়েনি। তার জীবনযাপন ও মানসিকতার মধ্যেই লুকিয়ে আছে এর রহস্য। কুসুমের কাছে শুধু বাহ্যিক সৌন্দর্য নয়, মানসিক প্রশান্তিও গুরুত্বপূর্ণ। তাই কীভাবে সুখী ও প্রফুল্ল থাকা যায়, সে বিষয়ে নিজের জীবনদর্শন ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন এই অভিনেত্রী।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি প্রকাশ করেন কুসুম শিকদার। ছবিতে তাকে দেখা যায় স্নিগ্ধ রূপে। ছবির সঙ্গে দেওয়া বার্তায় চল্লিশোর্ধ্ব বয়সে মানসিক প্রশান্তি ও সুন্দর থাকার চারটি মন্ত্র তুলে ধরেছেন তিনি।
কুসুমের প্রথম মন্ত্র ইতিবাচক মানসিকতা। তার মতে, কাউকে ঘৃণা না করে ভালোবাসতে হবে। তবে নিজের মনকে কলুষিত হওয়া থেকে বাঁচাতে নেতিবাচক মানুষ ও নেতিবাচক চিন্তা থেকে দূরে থাকতে হবে।
দ্বিতীয় মন্ত্র হিসেবে তিনি অসম্মান বা অবমূল্যায়নের আশঙ্কা রয়েছে—এমন জায়গা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন।
তৃতীয় মন্ত্র হলো মুগ্ধ হওয়ার ক্ষমতা ধরে রাখা এবং প্রতিদিন নতুন কিছু শেখার আগ্রহ বজায় রাখা। আর চতুর্থ মন্ত্র হিসেবে নিয়মিত প্রকৃতির সান্নিধ্যে যাওয়ার কথা বলেছেন তিনি।
নিজের পোস্টে কুসুম শিকদার লিখেছেন, ‘চল্লিশ ঊর্ধ্ব জীবনে খুশি এবং সুন্দর থাকার মূল মন্ত্র হলো—ঘৃণা করা যাবে না, শুধুই ভালোবাসতে হবে। তবে নেতিবাচক শক্তির সঙ্গ পরিত্যাগ করতে হবে, তা না হলে মন কলুষিত হবে।’
এরপর তিনি লেখেন, ‘অবমূল্যায়ন বা অসম্মানের সম্ভাবনা যেখানে, না যাওয়াই ভালো সেখানে।’ তৃতীয় মন্ত্র হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, ‘মুগ্ধ হওয়ার ক্ষমতা এবং রোজ নতুন কিছু শেখার আগ্রহ রাখতে হবে।’ সবশেষে বলেন, ‘প্রায়ই প্রকৃতির কাছে যেতে হবে।’
কুসুমের এই পোস্ট প্রকাশের পরই মন্তব্যের ঘরে তার চিন্তাধারার প্রশংসা করেন অনুরাগী ও নেটিজেনরা। অনেকেই মন্তব্য করে জানান, অভিনেত্রীর দেওয়া চারটি বার্তা শুধু চল্লিশোর্ধ্বদের জন্য নয়; বরং যেকোনো বয়সে সুখী ও মানসিকভাবে প্রশান্ত জীবনযাপনের জন্যও তা অনুসরণযোগ্য।
এসি/আপ্র/০৭/০৯/২০২৬