গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬

মেনু

পরীক্ষায় তুমিও ফেল, ছয়মাস পর আমিও ফেল: শিক্ষামন্ত্রী

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩:০৭ পিএম, ১১ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ০১:৪৫ এএম ২০২৬
পরীক্ষায় তুমিও ফেল, ছয়মাস পর আমিও ফেল: শিক্ষামন্ত্রী
ছবি

ছবি সংগৃহীত

পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাস হয় না। নেই হাতে-কলমে শেখার মেশিনারিজ। ল্যাবের যন্ত্রপাতি সব পুরোনো। নেই দক্ষ শিক্ষকও। শিক্ষার্থীদের এমন অভিযোগ শুনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, সামনে পরীক্ষা। তাতে তুমিও ফেল, ছয়মাস পর আমিও ফেল। কারো বাঁচার উপায় নেই।

শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী গতানুগতিক বক্তব্য না দিয়ে শিক্ষার্থীদের সমস্যা ও সংকটের কথা শোনেন।

মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষার্থী নিহাল উদ্দীন সরকার বলেন, আমাদের ঠিকমতো ক্লাসই হয় না। প্র‍্যাকটিক্যাল কাজ আটকে যায়। ক্লাসে কিছুই বুঝতে পারি না।

ওই শিক্ষার্থীর সমস্যার কথা শুনে তার বিভাগের শিক্ষক মাশফিকুর রহমানকে ডেকে কারণ জানতে চান মন্ত্রী। ওই শিক্ষক জানান, ১৯৬৩ সালে নির্মিত ভবনে ক্লাস ও ল্যাবের কাজ চালাতে হচ্ছে। মেশিনারিজ বলতে কিছুই নেই। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয় পড়ানোর জন্য যেসব সুবিধা দরকার, তার কিছুই নেই। ফলে শিক্ষকরা চাইলেও শেখাতে পারেন না।

আবুজর গিফারি নামে আরেক শিক্ষার্থী বলেন, অষ্টম সেমিস্টারে আমাদের বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে পাঠানোর কথা। কিন্তু আমাদের সেভাবে পাঠানো হয় না। পাঠালেও ভালো প্রতিষ্ঠানে আমাদের নেওয়া হয় না। কাউকে ঢাকার প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয় না।

ঢাকার ভালো প্রতিষ্ঠানে না পাঠানোর বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী রাজশাহী পলিটেকনিকের প্রিন্সিপালের কাছে জানতে চান। কিন্তু প্রিন্সিপাল জানান, ইন্ডাস্ট্রির লোকজন শিক্ষার্থীদের নিতে চায় না।

তখন শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকারের সঙ্গে ইন্ড্রাস্ট্রির চুক্তি আছে। ছাত্রদের অবশ্যই নিতে হবে। মেশিনারি ব্যবহার করতে দিতেই হবে। কেন দিচ্ছে না তার খোঁজ নিতে হবে। আমরাও খোঁজ নেবো, কথা বলবো।

কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নে সরকার কাজ করবে জানিয়ে ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন শিক্ষায় যত টাকা লাগে, তা দেবে। কিন্তু আমি তো নিতে পারছি না। কত নেবো, কীভাবে নেবো, কোথায় খরচ করবো? আমাকে তো প্রকল্প হাতে নিতে হবে। যেখানে যেখানে সমস্যা, সেখানে কাজ করবো। তা সমাধানে প্রকল্প হাতে নেবো। সেজন্য আমরা শিক্ষার্থীদের কথা শুনছি। ওরা কী চায়, সেটা জানার চেষ্টা করছি।

শিক্ষামন্ত্রীকে এক শিক্ষক জানান, পলিটেকনিকের ৪৪ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে যাচ্ছে। এ ঝরে পড়া ঠেকাতে সরকারকে উদ্যোগ নিতে অনুরোধ জানান তিনি।

পাশাপাশি ৭ বছর ধরে চাকরি করলেও বেতন না পাওয়ার অভিযোগ করেন ১৯ জন শিক্ষক। মন্ত্রী তাদের পুনরায় পরীক্ষা নিয়ে আত্তীকরণ করার আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল খায়ের মো. আক্কাস আলী, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার বজলুর রশীদসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এসি/আপ্র/১১/০৪/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

এক ধাপেই একাদশে ভর্তি, থাকছে না মাইগ্রেশন
১৯ আগস্ট ২০২৬

এক ধাপেই একাদশে ভর্তি, থাকছে না মাইগ্রেশন

চলতি বছর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এবার তিন ধাপের পর...

ঠাকুরগাঁওয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার অনুমোদন
১৯ আগস্ট ২০২৬

ঠাকুরগাঁওয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার অনুমোদন

ঠাকুরগাঁওয়ে ‘ইকো ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি’ নামে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠ...

ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ করতে চায় সরকার: শিক্ষামন্ত্রী
১৮ আগস্ট ২০২৬

ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ করতে চায় সরকার: শিক্ষামন্ত্রী

সরকার একটি ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণের পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানু...

মুখস্থনির্ভর শিক্ষা নয়, খেলায় খেলায় শিশুদের শেখাতে হবে: ববি হাজ্জাজ
১৮ আগস্ট ২০২৬

মুখস্থনির্ভর শিক্ষা নয়, খেলায় খেলায় শিশুদের শেখাতে হবে: ববি হাজ্জাজ

প্রাথমিক শিক্ষায় মুখস্থনির্ভরতার পরিবর্তে খেলাধুলা ও আনন্দের মাধ্যমে শিশুদের শেখানোর ওপর গুরুত্ব দেও...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

প্রধানমন্ত্রীর কাজে সন্তুষ্ট ৬৬ শতাংশ, সরকারের প্রতি ৫৪ শতাংশ

সরকারের ছয় মাস পূর্তি উপলক্ষে পরিচালিত এক জনমত জরিপে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দায়িত্ব পালনে ৬৬ দশমিক ৩০ শতাংশ উত্তরদাতা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, প্রধানমন্ত্রী ভালোভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। অন্যদিকে সরকারের সামগ্রিক কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন ৫৪ দশমিক ৫০ শতাংশ মানুষ। সরকারের কর্মকাণ্ডকে খারাপ বলেছেন ৩২ দশমিক ৯০ শতাংশ। ডপলার অপিনিয়ন রিসার্চের ‘অ্যাপ্রুভাল রেটিং সার্ভে ২০২৬’-এ এসব তথ্য উঠে এসেছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন এই জরিপে সরকারের সঠিক মূল্যায়ন হয়েছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 2 ঘন্টা আগে