গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬

মেনু

১০০ বৈদ্যুতিক বাসে ৪০০ কোটি টাকা চায় বিআরটিসি

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২:৩৭ পিএম, ১৯ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ০২:৩৩ এএম ২০২৬
১০০ বৈদ্যুতিক বাসে ৪০০ কোটি টাকা চায় বিআরটিসি
ছবি

১০০ বৈদ্যুতিক বাসে ৪০০ কোটি টাকা চায় বিআরটিসি

ঢাকাসহ দেশের বিভাগীয় শহরগুলোতে পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি)। প্রথম পর্যায়ে ১০০টি বৈদ্যুতিক বাস কেনা, ২৫টি চার্জিং স্টেশন স্থাপন এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তুলতে ৪০০ কোটি টাকা অনুদান বা ইক্যুইটি বরাদ্দ চেয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ।

সম্প্রতি বিআরটিসি শাখা থেকে অর্থ বিভাগে পাঠানো এক চিঠিতে এ অনুরোধ জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিআরটিসি দেশের মহানগর ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে গণপরিবহন সেবা সম্প্রসারণে কাজ করছে। পরিবেশবান্ধব ও টেকসই গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বহরে বৈদ্যুতিক বাস যুক্ত করা জরুরি।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার অনুযায়ী সবুজ পরিবহন করিডোর গড়ে তোলা, কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য বাস্তবায়নে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সড়ক পরিবহন বিভাগ জানিয়েছে, বৈদ্যুতিক বাস চালু হলে জ্বালানি ব্যয় কমবে, বায়ুদূষণ হ্রাস পাবে, যাত্রীসেবার মান উন্নত হবে এবং দীর্ঘমেয়াদে পরিচালন ব্যয়ও কমে আসবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, এসব বাস ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ রুটের পাশাপাশি বিভাগীয় শহরগুলোর আন্তঃনগর রুটেও পরিচালিত হবে।

জানা গেছে, এর আগে একই উদ্দেশ্যে ৪০০ কোটি টাকা অনুদান চেয়ে আবেদন করা হলেও অর্থ বিভাগ উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে অর্থায়নের পরামর্শ দিয়েছিল। তবে বিআরটিসি জানিয়েছে, নিজস্ব আর্থিক সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কারণে পুরো প্রকল্পের ব্যয় বহন সম্ভব নয়। আবার ঋণ নিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন করলে প্রতিষ্ঠানের ওপর অতিরিক্ত সুদের চাপ সৃষ্টি হবে, যা দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হবে না।

এ কারণে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের পরিচালন বাজেট থেকে ৪০০ কোটি টাকা অনুদান বা ইক্যুইটি হিসেবে বরাদ্দ দেওয়ার জন্য পুনরায় আবেদন করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত ব্যয়ের মধ্যে ১০০টি বৈদ্যুতিক বাস কেনার জন্য ২৫০ কোটি টাকা, ২৫টি চার্জিং স্টেশন স্থাপনে ৫০ কোটি টাকা, যন্ত্রাংশ ও স্পেয়ার পার্টস সংগ্রহে ৩৫ কোটি টাকা, প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তায় ২০ কোটি টাকা, পরিবহন, নিবন্ধন ও অন্যান্য ব্যয়ে ২৫ কোটি টাকা এবং ডিপো ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো উন্নয়নে ২০ কোটি টাকা ধরা হয়েছে।

বিআরটিসির মতে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে গণপরিবহনে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়বে, জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরতা কমবে, বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে এবং যাত্রীদের জন্য আধুনিক, নিরাপদ ও টেকসই পরিবহনসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

এসি/আপ্র/১৯/০৭/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

এস আলমের ফেরার পথ বন্ধ, ব্যাংক সংস্কারে নতুন বার্তা
১২ আগস্ট ২০২৬

এস আলমের ফেরার পথ বন্ধ, ব্যাংক সংস্কারে নতুন বার্তা

ব্যাংক খাতে বহুল আলোচিত এস আলম গ্রুপসহ সংকটাপন্ন ব্যাংকের পুরোনো মালিকদের পুনরায় মালিকানায় ফেরার আইন...

পৃষ্ঠপোষকতার ব্যবসা আর চলবে না
১১ আগস্ট ২০২৬

পৃষ্ঠপোষকতার ব্যবসা আর চলবে না

চট্টগ্রাম বন্দরে সাংবাদিকদের অর্থমন্ত্রী

বেকার যুবকদের ঋণ দেওয়ার উদ্যোগ বাংলাদেশ ব্যাংকের
১১ আগস্ট ২০২৬

বেকার যুবকদের ঋণ দেওয়ার উদ্যোগ বাংলাদেশ ব্যাংকের

দেশের বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও নতুন উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে ‘উদ্যোগ’ নামের একটি সহজ শর্...

৪২ বড় ঋণ খেলাপির অর্থপাচার তদন্তে বাংলাদেশ ব্যাংক
১০ আগস্ট ২০২৬

৪২ বড় ঋণ খেলাপির অর্থপাচার তদন্তে বাংলাদেশ ব্যাংক

২০০ কোটি টাকার বেশি খেলাপি ঋণ থাকা ৪২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগ তদন্তের উদ্যোগ নিয়ে...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই