গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

সরবরাহ বাড়লেও ইলিশ মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫:২৫ পিএম, ১৮ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ০৮:৫১ এএম ২০২৬
সরবরাহ বাড়লেও ইলিশ মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে
ছবি

ছবি সংগৃহীত

বর্ষা মৌসুমে বাজারে ইলিশের সরবরাহ বাড়লেও উচ্চ দামের কারণে মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে রয়ে গেছে জাতীয় মাছ। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে এক কেজি বা তার বেশি ওজনের ইলিশ ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়ায় অনেক ক্রেতাকেই খালি হাতে ফিরতে দেখা গেছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) রাজধানীর মোহাম্মদপুরের টাউন হল, চন্দ্রিমা, ঢাকা উদ্যান, কাদেরাবাদ হাউজিং ও জেনেভা ক্যাম্প বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে ইলিশের উপস্থিতি থাকলেও দাম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করছেন ক্রেতারা। অনেকেই শুধু দাম জেনে ফিরে যাচ্ছেন, আবার কেউ কেউ বাধ্য হয়ে ছোট আকারের ইলিশ বা বিকল্প মাছ কিনছেন।

বাজারে ৪৫০ থেকে ৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা কেজি দরে। ৭০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম ১ হাজার ৬০০ থেকে ২ হাজার টাকা। আর এক কেজি বা তার বেশি ওজনের ইলিশের দাম ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকা কেজি।

টাউন হল বাজারের ক্রেতা শাওন বলেন, ইলিশ কিনতে এসেও দাম শুনে ছোট মাছ নিয়েই ফিরতে হচ্ছে। সংসারের খরচ সামলে এত দামে ইলিশ কেনা সম্ভব নয়।

একই বাজারের আরেক ক্রেতা চন্দনা রানী জানান, কয়েকটি দোকান ঘুরে এক কেজির কিছু বেশি ওজনের দুটি ইলিশ ৪ হাজার ২০০ টাকায় কিনেছেন। তার দাবি, বাজারে তাজা ইলিশের তুলনায় হিমাগারের মাছই বেশি।

চন্দ্রিমা বাজারের ক্রেতা সাইফুল বলেন, সন্তানদের ইচ্ছা পূরণ করতে ছোট একটি ইলিশ কিনেছেন। বড় ইলিশ কেনার সামর্থ্য তার নেই।

জেনেভা ক্যাম্প বাজারের এক চাকরিজীবী বলেন, ইলিশের মৌসুমে অন্তত একবার কিনতে চান। কিন্তু এক কেজি ইলিশ কিনতেই কয়েক দিনের বাজারের বাজেট শেষ হয়ে যায়।

ঢাকা উদ্যান বাজারের গৃহিণী খাদিজা বেগমের ভাষ্য, বাজারে মাছের অভাব নেই, কিন্তু দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে।

ব্যবসায়ীদের দাবি, এখনো পর্যাপ্ত পরিমাণে তাজা ইলিশ বাজারে আসেনি। চন্দ্রিমা বাজারের মাছ বিক্রেতা মামুন বলেন, তার দোকানে ছোট আকারের ইলিশ ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৪৫০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। উচ্চমূল্যের বড় ইলিশ তারা আনেন না, কারণ তাদের ক্রেতাদের বেশিরভাগই নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত।

টাউন হল বাজারের বিক্রেতা বাদশা মিয়া জানান, এক কেজি বা তার কিছু বেশি ওজনের ইলিশ ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তার মতে, বাজারের অধিকাংশ ইলিশ এখনো হিমাগারে সংরক্ষিত, তাজা মাছের সরবরাহ সীমিত।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ক্রেতার উপস্থিতি থাকলেও উচ্চমূল্যের কারণে ইলিশ কেনায় আগ্রহ কম। মধ্যবিত্তের প্রত্যাশা, মৌসুমে সরবরাহ আরও বাড়লে দাম কমে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আসবে।

এসি/আপ্র/১৮/০৭/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের লাইসেন্সে বাধ্যতামূলক হচ্ছে বাংলা কিউআর
১০ অক্টোবর ২০২৬

দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের লাইসেন্সে বাধ্যতামূলক হচ্ছে বাংলা কিউআর

দেশের খুচরা পর্যায়ের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও মার্চেন্টদের লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়নে বাংলা কিউআর মাধ্যমে লেন...

খেলাপি ঋণ আদায়ে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা
১০ অক্টোবর ২০২৬

খেলাপি ঋণ আদায়ে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা

ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ কমানো, ঋণ আদায় জোরদার এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্প...

নিত্যপণ্যের বাজারে দিশেহারা ক্রেতা, বাড়তি ব্যয়ে নাভিশ্বাস
০৯ অক্টোবর ২০২৬

নিত্যপণ্যের বাজারে দিশেহারা ক্রেতা, বাড়তি ব্যয়ে নাভিশ্বাস

রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে স্বস্তি নেই। সবজির অস্বাভাবিক দাম, সয়াবিন তেল ও চিনির সরবরাহ সংকট, ডিমের...

রাষ্ট্রায়ত্ত সাত ব্যাংকে নতুন দশ ডিএমডি
০৯ অক্টোবর ২০২৬

রাষ্ট্রায়ত্ত সাত ব্যাংকে নতুন দশ ডিএমডি

রাষ্ট্রায়ত্ত সাত ব্যাংকে নতুন ১০ জন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার। মহাব্যবস্থাপক...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

অটোরিকশার দাবির পক্ষে বলা নেতার আছে ৭০০ বাহন

অটোরিকশা চালকদের দাবি মেনে নেওয়ার পক্ষে বক্তব্য দেওয়া জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের ৭০০টি অটোরিকশা রয়েছে বলে দাবি করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, জনগণের কাছে বারবার খোলস বদলে পার পাওয়া যাবে না। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর মিরপুর-১২ থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেলের পিলারে জুলাইয়ের চিত্রাঙ্কন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি করেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের সাত শ অটোরিকশা থাকার অভিযোগকে কাল্পনিক, অসত্য ও ভিত্তিহীন আখ্যা দিয়ে এর পক্ষে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ চেয়েছে দলটি| প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন প্রশাসক সত্য বলেছেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 22 ঘন্টা আগে