গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

৩৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় এস আলম-পিকে হালদারদের সাক্ষ্য ৯ আগস্ট

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০:০৫ পিএম, ১৯ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১৫:৫৭ এএম ২০২৬
৩৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় এস আলম-পিকে হালদারদের সাক্ষ্য ৯ আগস্ট
ছবি

ছবি সংগৃহীত

 

জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ৩৪ কোটি টাকা ঋণ আত্মসাতের মামলায় এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম (এস আলম), রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার হালদার (পি কে হালদার)সহ ১৩ আসামির বিরুদ্ধে ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

আগামী ৯ আগস্ট মামলার অবশিষ্ট জেরা ও তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য করেছেন আদালত।

রোববার (১৯ জুলাই) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে ফাস্ট ইসলামী সিকিউরিটি ব্যাংক পিএলসির সহকারী ভাইস প্রেসিডেন্ট আসাদুল আজাদ সাক্ষ্য দেন।

পরে কারাগারে থাকা আসামি রাশেদুল হকের পক্ষে তাঁর আইনজীবী নিয়াজ মোরশেদ সাক্ষীকে জেরা করেন। অপর আসামি নাহিদা রুনাইয়ের পক্ষে আইনজীবী মোহাম্মদ বাবুল বেপারী জেরা পেছানোর আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী আরিফ হোসেন জানান, এর আগে মামলায় ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছিল। রোববার আরো একজন সাক্ষ্য দিয়েছেন। এখন তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে মামলার সাক্ষ্যপর্ব শেষ হবে।

এর আগে গত ১৯ জানুয়ারি একই আদালত এস আলম, পিকে হালদারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন-এস আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ, পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ হাসান ও শাহানা ফেরদৌস; রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট রাশেদুল হক, সাবেক ম্যানেজার নাহিদা রুনাই, সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট কাজী আহমেদ জামাল, সাবেক ডেপুটি ম্যানেজার জুমারাতুল বান্না এবং মারিন ভেজিটেবল অয়েলসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহির আহমেদ, পরিচালক টিপু সুলতান, মো. ইসহাক ও মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন।

আসামিদের মধ্যে নাহিদা রুনাই ও রাশেদুল হক কারাগারে রয়েছেন। অন্যরা পলাতক এবং তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।

মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয় গত ২৩ ফেব্রুয়ারি। ওই দিন মামলার বাদী দুর্নীতি দমন কমিশনের উপপরিচালক তাহাসিন মুনাবিল হক সাক্ষ্য দেন। এরপর ২২ জুন পাঁচজন এবং ৮ জুলাই আরো চারজন সাক্ষ্য দেন। এ পর্যন্ত অভিযোগপত্রভুক্ত ১৫ সাক্ষীর মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ২০১৩ সালের ৮ আগস্ট নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠান ‘এ এম ট্রেডিং’-এর নামে ৩৪ কোটি টাকার একটি মেয়াদি ঋণ অনুমোদন করান। পরে ২০১৩ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ওই ঋণ বিতরণ করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, পরবর্তী সময়ে ওই অর্থ এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেডে স্থানান্তর করা হয়।

এ ঘটনায় গত বছরের ২ জুলাই দুদকের উপপরিচালক তাহাসিন মুনাবিল হক মামলা করেন। তদন্ত শেষে গত ১৬ অক্টোবর তিনি ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
সানা/ডিসি/আপ্র/১৯/৭/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

কাপড়ের রোলের আড়ালে শাহজালালে মিলল ১,৬৫৫ মোবাইল
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কাপড়ের রোলের আড়ালে শাহজালালে মিলল ১,৬৫৫ মোবাইল

হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এয়ারফ্রেইট এলাকা থেকে কাপড়ের রোলের আড়ালে অবৈধভাবে আনা ১...

চাঁদা না দিলে ১০০ পুলিশ থাকলেও গুলি, চিকিৎসককে হুমকি
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চাঁদা না দিলে ১০০ পুলিশ থাকলেও গুলি, চিকিৎসককে হুমকি

চট্টগ্রামে এক চিকিৎসকের কাছে বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদ এবং তাঁর সহযোগী মো....

ভাড়ার সময় টাকার নজর, বাসেই যাত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভাড়ার সময় টাকার নজর, বাসেই যাত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে ইসমাইল হোসেন নামের এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধারের ঘটনায় রহস্য উদ্ঘাটনের দা...

মেয়ের বিয়ের টাকা নিয়ে ফেরার পথে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে খুন ইসমাইল
০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেয়ের বিয়ের টাকা নিয়ে ফেরার পথে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে খুন ইসমাইল

মেয়ের বিয়ের জন্য জমি বিক্রি করে পাওয়া নগদ ৫ লাখ টাকা নিয়ে জামালপুর থেকে গাজীপুরে ফেরার পথে খুন হয়েছে...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে ড. ইউনূসকে

বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এই কর পরিশোধের জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৩ অর্থবছর সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন এই রায় সঠিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 7 ঘন্টা আগে