গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬

মেনু

যে সাত ধরনের আয় থাকলে রিটার্নে দেখাতে হবে

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২:২৪ পিএম, ২০ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ১৩:১২ এএম ২০২৬
যে সাত ধরনের আয় থাকলে রিটার্নে দেখাতে হবে
ছবি

ছবি সংগৃহীত

আয়কর রিটার্নে করদাতার আয়, ব্যয়, সম্পদ ও দায়ের তথ্য উল্লেখ করতে হয়। একজন করদাতার বিভিন্ন উৎসের আয় নির্ধারিত খাতে দেখানোর নিয়ম রয়েছে। তবে কোনো খাতে আয় থাকলেই যে আয়কর দিতে হবে, এমন নয়; রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা আয় ও আইনে নির্ধারিত অন্যান্য শর্তের ওপর নির্ভর করে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত নিয়ম অনুযায়ী, সাধারণ পুরুষ করদাতার করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। নারী ও ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রবীণ করদাতার জন্য এ সীমা ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা। তৃতীয় লিঙ্গ ও প্রতিবন্ধী করদাতার ক্ষেত্রে সীমা ৫ লাখ টাকা। গেজেটেড যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও জুলাই যোদ্ধাদের ক্ষেত্রে করমুক্ত আয়সীমা ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা।

রিটার্নে সাধারণত নিচের সাত খাতের আয় দেখাতে হয়—

১. চাকরি থেকে আয়
বেতন, ভাতা, বোনাসসহ চাকরি থেকে পাওয়া আয় এ খাতের অন্তর্ভুক্ত।

২. ভাড়া থেকে আয়
বাড়ি, ফ্ল্যাট, দোকান বা অন্যান্য সম্পত্তি ভাড়া দিয়ে পাওয়া আয় এ খাতে দেখাতে হয়।

৩. কৃষি থেকে আয়
কৃষিকাজ, ফসল উৎপাদন ও কৃষিসংশ্লিষ্ট অন্যান্য কার্যক্রম থেকে পাওয়া আয় এ খাতের অন্তর্ভুক্ত।

৪. ব্যবসা থেকে আয়
ব্যবসা, পেশা বা বাণিজ্যিক কার্যক্রম থেকে অর্জিত আয় এ খাতে দেখাতে হয়।

৫. মূলধনি আয়
সম্পদ বা বিনিয়োগ বিক্রি করে লাভ হলে তা মূলধনি আয়ের আওতায় পড়তে পারে।

৬. আর্থিক পরিসম্পদ থেকে আয়
ব্যাংকের সুদ বা মুনাফা, লভ্যাংশ, সঞ্চয়পত্রের মুনাফা ও সিকিউরিটিজসহ আর্থিক সম্পদ থেকে পাওয়া আয় এ খাতে অন্তর্ভুক্ত।

৭. অন্যান্য উৎস থেকে আয়
রয়্যালটি, লাইসেন্স ফি, সম্মানী ও বিভিন্ন ধরনের ফিসহ নির্ধারিত অন্যান্য আয় এ খাতে দেখাতে হয়।

তবে সাতটি খাতের কোনো একটিতে আয় থাকলেই যে কর দিতে হবে, তা নয়। রিটার্ন দাখিল করা এবং আয়কর পরিশোধ করা দুটি আলাদা বিষয়। আয় করমুক্ত সীমার মধ্যে থাকলেও আইনে নির্ধারিত বিশেষ কোনো শর্তের কারণে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক হতে পারে।

যেমন—আগের তিন বছরের কোনো বছরে কর নির্ধারণ হয়ে থাকলে, ফার্মের অংশীদার হলে, কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার পরিচালক বা কর্মচারী হলে, সরকারি কর্মচারী হলে কিংবা আইনে নির্ধারিত অন্য কোনো ক্ষেত্রে আয় কম হলেও রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা থাকতে পারে।

এ ছাড়া রিটার্নে আয় দেখানোর ক্ষেত্রে যথাযথ কাগজপত্র ও প্রমাণ সংরক্ষণ করাও গুরুত্বপূর্ণ।

এসি/আপ্র/২০/০৮/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

অক্টোবরে নতুন পে-স্কেলে বেতন পাওয়ার সম্ভাবনা
২০ আগস্ট ২০২৬

অক্টোবরে নতুন পে-স্কেলে বেতন পাওয়ার সম্ভাবনা

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য প্রস্তাবিত নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নে প্রস্তুতি এগিয়ে চলছে। সরকারের বর্ত...

এক কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার
১৯ আগস্ট ২০২৬

এক কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে এক কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি কিনবে সরকার। আন্তর্জাতিক কো...

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর, পাঁচজনের বেতন অবনমন
১৯ আগস্ট ২০২৬

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর, পাঁচজনের বেতন অবনমন

চাকরি বিধি লঙ্ঘনের দায়ে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (ব...

ঋণনির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব অর্থায়নে এগোবে বাংলাদেশ
১৮ আগস্ট ২০২৬

ঋণনির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব অর্থায়নে এগোবে বাংলাদেশ

রাজস্ব খাতে সংস্কারের মাধ্যমে বাংলাদেশ ঋণনির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব অর্থায়নে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে বল...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

প্রধানমন্ত্রীর কাজে সন্তুষ্ট ৬৬ শতাংশ, সরকারের প্রতি ৫৪ শতাংশ

সরকারের ছয় মাস পূর্তি উপলক্ষে পরিচালিত এক জনমত জরিপে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দায়িত্ব পালনে ৬৬ দশমিক ৩০ শতাংশ উত্তরদাতা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, প্রধানমন্ত্রী ভালোভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। অন্যদিকে সরকারের সামগ্রিক কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন ৫৪ দশমিক ৫০ শতাংশ মানুষ। সরকারের কর্মকাণ্ডকে খারাপ বলেছেন ৩২ দশমিক ৯০ শতাংশ। ডপলার অপিনিয়ন রিসার্চের ‘অ্যাপ্রুভাল রেটিং সার্ভে ২০২৬’-এ এসব তথ্য উঠে এসেছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন এই জরিপে সরকারের সঠিক মূল্যায়ন হয়েছে?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 9 ঘন্টা আগে