গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

যে সাত ধরনের আয় থাকলে রিটার্নে দেখাতে হবে

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২:২৪ পিএম, ২০ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ০৫:৩২ এএম ২০২৬
যে সাত ধরনের আয় থাকলে রিটার্নে দেখাতে হবে
ছবি

ছবি সংগৃহীত

আয়কর রিটার্নে করদাতার আয়, ব্যয়, সম্পদ ও দায়ের তথ্য উল্লেখ করতে হয়। একজন করদাতার বিভিন্ন উৎসের আয় নির্ধারিত খাতে দেখানোর নিয়ম রয়েছে। তবে কোনো খাতে আয় থাকলেই যে আয়কর দিতে হবে, এমন নয়; রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা আয় ও আইনে নির্ধারিত অন্যান্য শর্তের ওপর নির্ভর করে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত নিয়ম অনুযায়ী, সাধারণ পুরুষ করদাতার করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। নারী ও ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রবীণ করদাতার জন্য এ সীমা ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা। তৃতীয় লিঙ্গ ও প্রতিবন্ধী করদাতার ক্ষেত্রে সীমা ৫ লাখ টাকা। গেজেটেড যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও জুলাই যোদ্ধাদের ক্ষেত্রে করমুক্ত আয়সীমা ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা।

রিটার্নে সাধারণত নিচের সাত খাতের আয় দেখাতে হয়—

১. চাকরি থেকে আয়
বেতন, ভাতা, বোনাসসহ চাকরি থেকে পাওয়া আয় এ খাতের অন্তর্ভুক্ত।

২. ভাড়া থেকে আয়
বাড়ি, ফ্ল্যাট, দোকান বা অন্যান্য সম্পত্তি ভাড়া দিয়ে পাওয়া আয় এ খাতে দেখাতে হয়।

৩. কৃষি থেকে আয়
কৃষিকাজ, ফসল উৎপাদন ও কৃষিসংশ্লিষ্ট অন্যান্য কার্যক্রম থেকে পাওয়া আয় এ খাতের অন্তর্ভুক্ত।

৪. ব্যবসা থেকে আয়
ব্যবসা, পেশা বা বাণিজ্যিক কার্যক্রম থেকে অর্জিত আয় এ খাতে দেখাতে হয়।

৫. মূলধনি আয়
সম্পদ বা বিনিয়োগ বিক্রি করে লাভ হলে তা মূলধনি আয়ের আওতায় পড়তে পারে।

৬. আর্থিক পরিসম্পদ থেকে আয়
ব্যাংকের সুদ বা মুনাফা, লভ্যাংশ, সঞ্চয়পত্রের মুনাফা ও সিকিউরিটিজসহ আর্থিক সম্পদ থেকে পাওয়া আয় এ খাতে অন্তর্ভুক্ত।

৭. অন্যান্য উৎস থেকে আয়
রয়্যালটি, লাইসেন্স ফি, সম্মানী ও বিভিন্ন ধরনের ফিসহ নির্ধারিত অন্যান্য আয় এ খাতে দেখাতে হয়।

তবে সাতটি খাতের কোনো একটিতে আয় থাকলেই যে কর দিতে হবে, তা নয়। রিটার্ন দাখিল করা এবং আয়কর পরিশোধ করা দুটি আলাদা বিষয়। আয় করমুক্ত সীমার মধ্যে থাকলেও আইনে নির্ধারিত বিশেষ কোনো শর্তের কারণে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক হতে পারে।

যেমন—আগের তিন বছরের কোনো বছরে কর নির্ধারণ হয়ে থাকলে, ফার্মের অংশীদার হলে, কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার পরিচালক বা কর্মচারী হলে, সরকারি কর্মচারী হলে কিংবা আইনে নির্ধারিত অন্য কোনো ক্ষেত্রে আয় কম হলেও রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা থাকতে পারে।

এ ছাড়া রিটার্নে আয় দেখানোর ক্ষেত্রে যথাযথ কাগজপত্র ও প্রমাণ সংরক্ষণ করাও গুরুত্বপূর্ণ।

এসি/আপ্র/২০/০৮/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

চীনের ঋণনির্ভরতা কমিয়ে যৌথ বিনিয়োগে যেতে চায় বাংলাদেশ: অর্থমন্ত্রী
১৪ অক্টোবর ২০২৬

চীনের ঋণনির্ভরতা কমিয়ে যৌথ বিনিয়োগে যেতে চায় বাংলাদেশ: অর্থমন্ত্রী

চীনের সঙ্গে ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক সহযোগিতায় ঋণনির্ভরতা কমিয়ে যৌথ ও সরাসরি বিনিয়োগের দিকে যেতে চায় বাংলাদ...

অর্থনৈতিক নীতিতে বিশ্বব্যাংকের সমর্থন, প্রবৃদ্ধি কমার পূর্বাভাস আইএমএফের
১৩ অক্টোবর ২০২৬

অর্থনৈতিক নীতিতে বিশ্বব্যাংকের সমর্থন, প্রবৃদ্ধি কমার পূর্বাভাস আইএমএফের

বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা এবং স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সরকারের গৃহীত নীতি ও কর্মসূচ...

দেশের বাজারে কমলো সোনার দাম
১৩ অক্টোবর ২০২৬

দেশের বাজারে কমলো সোনার দাম

বিশ্ববাজারে সোনার দামের পতনের পর দেশেও দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।...

বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি বেড়ে হতে পারে ১০.৯ শতাংশ, আইএমএফের পূর্বাভাস
১৩ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি বেড়ে হতে পারে ১০.৯ শতাংশ, আইএমএফের পূর্বাভাস

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে আরো হতাশার খবর দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। সংস্থা...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

পরিচয় যা-ই হোক, চাঁদাবাজ-দখলদারদের ছাড় নয়: ডিএমপি কমিশনার

চাঁদাবাজ, ভূমি দখলবাজ ও মাদক কারবারে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় বা অবস্থান বিবেচনা না করে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দীন আহমদ। এসব অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানো যাবে না বলেও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে ডিএমপি সদর দপ্তরের সম্মেলনকক্ষে সেপ্টেম্বর মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় উপস্থিত ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এসব নির্দেশনা দেন কমিশনার। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন- কমিশনার যে নির্দেশনা দিয়েছেন, পুলিশ সদস্যরা তা বাস্তবে তা করতে পারবেন?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 15 ঘন্টা আগে