গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬

মেনু

চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ৪০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

আবদুল্লাহ আল মামুন, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

আবদুল্লাহ আল মামুন, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২০:৫৭ পিএম, ২৪ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১৮:১৩ এএম ২০২৬
চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ৪০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
ছবি

ছবি প্রতিনিধি

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার জয়নগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিশাখা তপন সাহার বিরুদ্ধে টিআর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পের প্রায় ৪০ লাখ টাকা সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, ২০২৩-২৪, ২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও সংস্কারের নামে একাধিক প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া হলেও অধিকাংশ কাজ বাস্তবে হয়নি। কাগজে-কলমে কাজ দেখিয়ে সরকারি অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী জয়নগর বেনীপাড়া থেকে শ্মশান পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার ও শ্মশান উন্নয়নের জন্য ৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকলেও কোনো দৃশ্যমান কাজ হয়নি। একই প্রকল্পে জেলা পরিষদ থেকেও ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও কাজ না হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া খোদ্দবাটরা এলাকায় সিরাজ মাস্টারের বাড়ি থেকে মসজিদ পর্যন্ত মাটির রাস্তা সংস্কারের জন্য ৪ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও সামান্য মাটি ফেলে অধিকাংশ অর্থ আত্মসাত করা হয়েছে বলে অভিযোগে বলা হয়। একই রাস্তায় পূর্বেও একাধিকবার বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

মানিকনগর, জয়নগর, নীলকণ্ঠপুরসহ একাধিক এলাকার রাস্তা সংস্কার ও উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দ দেখানো হলেও বাস্তবে কোনো কাজ হয়নি বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। কয়েকটি ইটের রাস্তা নির্মাণেও নিম্নমানের কাজ এবং নির্ধারিত মান বজায় না রাখার অভিযোগ উঠেছে।

জয়নগর সরসকাটি বাজার সংস্কারের জন্য ৩ লাখ ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকলেও কোনো কাজ হয়নি বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। একইভাবে বসন্তপুর এলাকার একটি রাস্তার উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও আনা হয়েছে।এ ছাড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝেরপাড়া কালীমন্দির ও মদনমোহন মন্দির সংস্কারের জন্য বরাদ্দকৃত চাল আত্মসাতের অভিযোগও রয়েছে। তবে মন্দির কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে অবগত নন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের নামে সরকারি অর্থ উত্তোলন করা হলেও মাঠপর্যায়ে দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়নি, ফলে জনগণ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

চেয়ারম্যান বিশাখা তপন সাহার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

কলারোয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জানান, কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় সচেতন মহল নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

সানা/কেএমএএ/আপ্র/২৪/৬/২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

ছাড়পত্র নবায়ন ছাড়াই জাহাজ কাটায় ফেরদৌস স্টিলকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা
১৯ আগস্ট ২০২৬

ছাড়পত্র নবায়ন ছাড়াই জাহাজ কাটায় ফেরদৌস স্টিলকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা

বিষাক্ত গ্যাসে ৯ শ্রমিক নিহত হওয়ার ঘটনায় আলোচিত সীতাকুণ্ডের ফেরদৌস স্টিল রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজকে প...

তিন দিনের ছুটি নিয়ে সাড়ে তিন বছর যুক্তরাষ্ট্রে প্রধান শিক্ষক
১৯ আগস্ট ২০২৬

তিন দিনের ছুটি নিয়ে সাড়ে তিন বছর যুক্তরাষ্ট্রে প্রধান শিক্ষক

তারেক মাহমুদ, লক্ষ্মীপুর: তিন দিনের ছুটি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন লক্ষ্মীপুরের রায়পুর সরকারি মার...

স্বামীর মৃত্যু, ১২ ঘণ্টার জন্য মুক্তি পাচ্ছেন দীপু মনি
১৯ আগস্ট ২০২৬

স্বামীর মৃত্যু, ১২ ঘণ্টার জন্য মুক্তি পাচ্ছেন দীপু মনি

স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের মৃত্যুতে প্যারোলে ১২ ঘণ্টার জন্য মুক্তি পাচ্ছেন মুন্সীগঞ্জ কারাগার...

১৩০ মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত দিলরুবা গ্রেফতার
১৯ আগস্ট ২০২৬

১৩০ মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত দিলরুবা গ্রেফতার

চাঁপাইনবাবগঞ্জে অধিক লাভ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রায় ১০৫ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

বিএনপি সরকারের ছয় মাস: প্রত্যাশা কতটা, প্রাপ্তি কতখানি

আজ ১৭ আগস্ট সরকারের ছয় মাস পূর্ণ হচ্ছে। এর আগে ছয় মাসের কাজের মূল্যায়নে সরকার যেমন বেশ কিছু অর্জনের কথা বলছে, তেমনি বিরোধী রাজনৈতিক দল, অর্থনীতিবিদ ও বিভিন্ন পর্যায়ের নাগরিকদের প্রশ্নও সামনে এসেছে। সরকারের পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী দাবি করেছেন, ছয় মাসের লক্ষ্য অনুযায়ী মোটামুটি সব কর্মসূচিই পূরণ হয়েছে-কোথাও ৯০, কোথাও ৯৫ এবং কোথাও শতভাগ বাস্তবায়ন হয়েছে। প্রিয় পাঠক, সরকার ভালো করছে নাকি মন্দ করছে? হ্যাঁ বা না জানান।

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 2 দিন আগে