গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

মহাপরিকল্পনায় বদলে যাচ্ছে কক্সবাজার

জেলা প্রতিনিধি, কক্সবাজার

জেলা প্রতিনিধি, কক্সবাজার

প্রকাশিত: ১৫:৪২ পিএম, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১৬:৫০ এএম ২০২৬
মহাপরিকল্পনায় বদলে যাচ্ছে কক্সবাজার
ছবি

ছবি সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক পর্যটন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের কেন্দ্র হিসেবে কক্সবাজারকে গড়ে তুলতে নেওয়া হচ্ছে মহাপরিকল্পনা। ২০২৬ সালের মধ্যেই এ মহাপরিকল্পনা চূড়ান্ত করার লক্ষ্য রয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে নগর ব্যবস্থাপনা, পর্যটন অবকাঠামো, যোগাযোগ, পরিবেশ সংরক্ষণ ও নাগরিক সেবায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে।

পর্যটনের পাশাপাশি শিক্ষা, গবেষণা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়িয়ে কক্সবাজারকে জাতীয় অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ প্রবৃদ্ধি কেন্দ্রে পরিণত করার পরিকল্পনা রয়েছে। শৈবাল ও লাবণী সৈকত এলাকাকে ঘিরে প্রায় ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে বিশ্বমানের পর্যটন অঞ্চল গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে।

মহাপরিকল্পনায় পরিবেশবান্ধব পর্যটনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সমুদ্রসৈকত, পাহাড়, বনাঞ্চল ও জীববৈচিত্র্য বিবেচনায় নিয়ে পরিবেশবান্ধব অবকাশকেন্দ্র, হোটেল ও বিনোদনকেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে উপকূলীয় এলাকায় বিদ্যমান ৫০ মিটার ও ৫০০ মিটারের বিধিনিষেধ পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কক্সবাজারকে আধুনিক নগর হিসেবে গড়ে তুলতে উন্নত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা, নিরাপদ পানি সরবরাহ, পানি শোধনাগার, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং পর্যটন প্রশিক্ষণকেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে বিমানবন্দর ও রানওয়ে সম্প্রসারণ, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেল যোগাযোগ এবং মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীত করার উদ্যোগ। পাশাপাশি প্রায় ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ মেরিন ড্রাইভ এবং ইনানী, পাটুয়ারটেক ও টেকনাফের পর্যটন সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে পরিবেশবান্ধব পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

এদিকে কক্সবাজারে দেশের তৃতীয় সাবমেরিন কেবল স্টেশন স্থাপনের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে তথ্যপ্রযুক্তি ও ডিজিটাল অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে। এর ফলে কক্সবাজারে প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসা ও বিনিয়োগের সুযোগও বাড়তে পারে।

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, পরিবেশের ভারসাম্য, পর্যটন অবকাঠামো, আধুনিক নগর ব্যবস্থাপনা ও নাগরিক সুবিধাকে সমন্বয় করেই মহাপরিকল্পনা করা হচ্ছে। এটি চূড়ান্ত হলে অপরিকল্পিত উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি পর্যটন ও বিনিয়োগের নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

তবে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটন ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা, উন্নয়ন পরিকল্পনার সুফল যেন স্থানীয় জনগণও পান। অন্যদিকে পরিবেশবাদীদের দাবি, উন্নয়নের নামে কোনোভাবেই সৈকত ও জীববৈচিত্র্য নষ্ট করা যাবে না।

সংশ্লিষ্টদের মতে, মহাপরিকল্পনার সঠিক বাস্তবায়নের পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক পর্যটন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত হতে পারে।

এসি/আপ্র/১২/০৯/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নবীনবরণে কনসার্ট বন্ধের দাবি
১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নবীনবরণে কনসার্ট বন্ধের দাবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে নবীনবরণ উপলক্ষে আয়োজিত কনসার্ট বন্ধের দাবি জানিয়েছে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষ...

মোবাইলে ব্যস্ত চিকিৎসক, মারা গেলেন রোগী
১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মোবাইলে ব্যস্ত চিকিৎসক, মারা গেলেন রোগী

চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের অবহেলায় হাজেরা বেগম (৪২) নামে এক রোগীর মৃত...

বরিশালে সমকাল কার্যালয়ে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত লাশ
১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বরিশালে সমকাল কার্যালয়ে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত লাশ

বরিশাল নগরের প্যারারা রোডে দৈনিক সমকাল-এর আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও সাবেক ব্যুরোপ্রধা...

হৃদরোগ চিকিৎসায় সক্ষমতা বাড়ছে চট্টগ্রামের
১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হৃদরোগ চিকিৎসায় সক্ষমতা বাড়ছে চট্টগ্রামের

জটিল হৃদরোগের চিকিৎসায় চট্টগ্রামের সক্ষমতা বাড়ছে। আধুনিক ইন্টারভেনশনাল চিকিৎসাপদ্ধতির ব্যবহার বৃদ্ধি...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে ড. ইউনূসকে

বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এই কর পরিশোধের জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৩ অর্থবছর সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন এই রায় সঠিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে