গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

মেনু

পাকিস্তানি নারীদের হাতে তৈরি বিশ্বকাপের ফুটবল

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:০৪ পিএম, ০১ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ২১:১৮ এএম ২০২৬
পাকিস্তানি নারীদের হাতে তৈরি বিশ্বকাপের ফুটবল
ছবি

ছবি সংগৃহীত

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের প্রতিটি গোল, পেনাল্টি আর শেষ মুহূর্তের জয়সূচক শট—সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে পাকিস্তানের তৈরি ফুটবল। বিশ্বের অন্যতম জমকালো এই টুর্নামেন্টে ব্যবহৃত ‘ট্রিওন্ডা’ বলটি তৈরি হয়েছে পাকিস্তানের শিয়ালকোট শহরে। যদিও বিশ্বকাপ ফুটবলে পাকিস্তানের জাতীয় দলের অংশগ্রহণ নেই, কিন্তু দেশটির তৈরি বল ছাড়া ফুটবলের সবচেয়ে বড় এই মহোৎসব যেন অপূর্ণ।

পাকিস্তানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর শিয়ালকোট বিশ্বজুড়ে ‘ফুটবলের কারখানা’ হিসেবে পরিচিত। সারা বিশ্বে ব্যবহৃত মোট ফুটবলের প্রায় ৭০ শতাংশই এই শহর থেকে তৈরি হয়। ১৯১২ সাল থেকে শিয়ালকোটে ফুটবল তৈরির ঐতিহ্য চলে আসছে; যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে একটি বিশাল রফতানি শিল্পে রূপ নিয়েছে। বর্তমানে প্রতিদিন এই শহর থেকে প্রায় তিন লাখ বল সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।

ওই বল তৈরির নেপথ্যে রয়েছেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার খাজা মাসুদ আখতার। ১৯৯১ সালে মাত্র ২০ জন কর্মী এবং একটি ছোট রুম নিয়ে তিনি ‘ফরোয়ার্ড স্পোর্টস প্রাইভেট লিমিটেড’ প্রতিষ্ঠা করেন। তার তৈরি কোম্পানি ২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপ, ২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপ, ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ এবং এখন ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের জন্য অফিসিয়াল ম্যাচ বল তৈরি করে আসছে। ১৯৯৪ সালে অ্যাডিডাসের সঙ্গে অংশীদারিত্ব হওয়ার পর থেকে কোম্পানিটি আর পেছনে ফিরে তাকায়নি।

ফরোয়ার্ড স্পোর্টস শুধু হাতে সেলাই করা বলেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তারা প্রযুক্তিতেও বিনিয়োগ করেছে। থার্মো-বন্ডিং প্রযুক্তি থেকে শুরু করে লেজার-কাটিং সিস্টেম এবং সেন্সর-যুক্ত বল তৈরির মাধ্যমে তারা আধুনিক ফুটবল শিল্পের মান বজায় রাখছে।

ইন্টারনেটে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮২ সাল থেকে শুরু করে দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময় ধরে পাকিস্তানের শিয়ালকোট বিভিন্ন বিশ্বকাপের ম্যাচ বল তৈরির বিশ্বস্ত স্থান হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে।

বিশ্বের বড় বড় টুর্নামেন্টের বল তৈরির এই সাফল্যে নারীদের ভূমিকাও অপরিসীম। কারখানায় কাজ করা দক্ষ নারী কর্মীদের নিখুঁত কারুকার্যের কারণেই আজ বিশ্বমঞ্চে পাকিস্তানের বলের এতো কদর। পাকিস্তানের এই অর্জন প্রমাণ করে যে, ইচ্ছা ও পরিশ্রম থাকলে যেকোনো অসাধ্য সাধন করা সম্ভব।

আপ্র/কেএমএএ/০১.০৭.২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

নারী পর্যটকদের পড়তে হয় বাঁকা চাহনি ও অযাচিত প্রশ্নের মুখোমুখি
০১ জুলাই ২০২৬

নারী পর্যটকদের পড়তে হয় বাঁকা চাহনি ও অযাচিত প্রশ্নের মুখোমুখি

পুরুষ যখন একা ঘোরে, তখন সে পর্যটক। কিন্তু নারী যখন একা ঘোরে, সমাজের চোখে সে এক বিরাট প্রশ্নচিহ্ন হয়ে...

ডিজিটাল আসক্তি শিশুদের কোমল মনস্তত্ত্বে তৈরি করছে বিকৃতি
০১ জুলাই ২০২৬

ডিজিটাল আসক্তি শিশুদের কোমল মনস্তত্ত্বে তৈরি করছে বিকৃতি

যে বয়সে রাজা-রানি আর পরীদের গল্প শোনার কথা, কড়া রোদ মাথায় নিয়ে পাড়ার মাঠে ধুলোবালি মেখে বন্ধুদের সঙ্...

সাইবার হয়রানিতে নারীরা লজ্জা-ভয়ে নেন না আইনের আশ্রয়
০১ জুলাই ২০২৬

সাইবার হয়রানিতে নারীরা লজ্জা-ভয়ে নেন না আইনের আশ্রয়

বর্তমান ডিজিটাল যুগ আমাদের জীবনকে সহজ করেছে। যোগাযোগ, কাজ, ব্যবসা, বিনোদন- সবই এখন হাতের মুঠোয়। কিন্...

বিধবা নারীরা নিরাপত্তাহীনতাসহ সামাজিক বিচ্ছিন্নতার শিকার
০১ জুলাই ২০২৬

বিধবা নারীরা নিরাপত্তাহীনতাসহ সামাজিক বিচ্ছিন্নতার শিকার

বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর ২৩ জুন পালিত হয় আন্তর্জাতিক বিধবা দিবস। কিন্তু বাংলাদেশে এ দিবসটি এখনো খুব একটা...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

ধর্ষণ মামলার সংখ্যা বৃদ্ধির কারণ জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশে ধর্ষণের মামলা কিছুটা বেড়েছে বলে যে পরিসংখ্যান দেখা যাচ্ছে, তার অন্যতম কারণ হলো এখন ভুক্তভোগীরা সহজেই মামলা করতে পারছেন। আগে সামাজিক ও রাজনৈতিক বিভিন্ন হস্তক্ষেপের কারণে অনেক ভুক্তভোগী থানায় গিয়ে মামলা করতে পারতেন না বা করতে চাইতেন না। আপনি কি মনে করেন মন্ত্রীর এই বক্তব্য সঠিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 11 ঘন্টা আগে