গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

মেনু

ঢাকা-১৫-এর উন্নয়ন তদারকির দায়িত্ব পেলেন মীর শাহে আলম

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১:২৯ পিএম, ০১ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ২২:৩১ এএম ২০২৬
ঢাকা-১৫-এর উন্নয়ন তদারকির দায়িত্ব পেলেন মীর শাহে আলম
ছবি

ছবি সংগৃহীত

সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, তার অনুরোধে ঢাকা-১৫ আসনের উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকির দায়িত্ব স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (১ জুলাই) ঢাকা-১৫ আসনের বিভিন্ন সমস্যা নিরসনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

শফিকুর রহমান বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নির্দিষ্ট কোনো দল বা আসনের নন, তিনি দেশের ৩০০ আসনের প্রধানমন্ত্রী। তাই আমি আমার নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নের দায়িত্ব তার হাতেই অর্পণ করেছি।”

তিনি আরো বলেন, “সংসদের অভিভাবক হিসেবে তিনি বিষয়টি গ্রহণ করেছেন এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে তা দেখভালের দায়িত্ব দিয়েছেন।”

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের লবিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে শফিকুর রহমানের সাক্ষাৎ হয়। এর পরদিন তিনি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুর রহমান মিল্টনকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকা-১৫ আসনের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন।

পরিদর্শন শেষে মিরপুরের ইব্রাহিমপুরে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় শফিকুর রহমান বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা ঢাকা-১৫ আসনের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করেছি। সম্ভব হলে স্বল্প সময়ের মধ্যেই এসব সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হবে, ইনশাআল্লাহ।”

তিনি বলেন, ঢাকা-১৫ আসন নানা সমস্যায় জর্জরিত। ভাঙাচোরা ও খানাখন্দে ভরা সড়ক, রাস্তার মাঝখানে বিদ্যুতের খুঁটি, তীব্র পানির সংকট, জলাবদ্ধতা, পানির দুর্গন্ধ, গ্যাসসংকট, কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা এবং বিভিন্ন স্থানে অবাধ আড্ডা স্থানীয় মানুষের নিত্যদিনের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জামায়াতের আমির বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসককে সঙ্গে নিয়ে এসব সমস্যার বাস্তবসম্মত সমাধানে কাজ করার চেষ্টা করছি।”

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, “বিরোধীদলীয় নেতার আহ্বানে সাড়া দিয়ে প্রধানমন্ত্রী আমাকে ঢাকা-১৫ আসনের সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব দিয়েছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন দৃষ্টান্ত নেই। এটি ভবিষ্যতের সম্ভাবনা ও পরিবর্তনের প্রতীক।”

তিনি আরো বলেন, “বিরোধীদলীয় নেতা এমন একজন ব্যক্তি, যিনি মুহূর্তের মধ্যেই সংসদের পরিবেশে ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে সক্ষম।”

ঢাকা-১৫ আসনের বাসিন্দাদের সমস্যা সমাধানে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সংশ্লিষ্ট সমস্যাগুলোর সমাধানে পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। 
সানা/আপ্র/১/৭/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকালীন প্রতিবন্ধক ছিল রাষ্ট্র নিজে
০১ জুলাই ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকালীন প্রতিবন্ধক ছিল রাষ্ট্র নিজে

১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

হোলি আর্টিজান স্মরণ: সন্ত্রাসবিরোধী অঙ্গীকারে একতাবদ্ধ কূটনৈতিক মহল
০১ জুলাই ২০২৬

হোলি আর্টিজান স্মরণ: সন্ত্রাসবিরোধী অঙ্গীকারে একতাবদ্ধ কূটনৈতিক মহল

রাজধানীর গুলশানে ইতালির রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে ২০১৬ সালের ভয়াবহ হোলি আর্টিজান বেকারি জঙ্গি হামলার দশম...

ভারতীয় ভিসা চালু হওয়ায় স্বস্তি, স্লট-ভোগান্তি কমার প্রত্যাশা
০১ জুলাই ২০২৬

ভারতীয় ভিসা চালু হওয়ায় স্বস্তি, স্লট-ভোগান্তি কমার প্রত্যাশা

প্রায় দুই বছর পর বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে আবেদনকারীদের...

‘৯০ ভাগ সিসিইউ রাজধানীতে, প্রান্তিক মানুষ কীভাবে সেবা পাবে’
০১ জুলাই ২০২৬

‘৯০ ভাগ সিসিইউ রাজধানীতে, প্রান্তিক মানুষ কীভাবে সেবা পাবে’

দেশের প্রান্তিক অঞ্চলের মানুষের জরুরি চিকিৎসা প্রাপ্তি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

ধর্ষণ মামলার সংখ্যা বৃদ্ধির কারণ জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশে ধর্ষণের মামলা কিছুটা বেড়েছে বলে যে পরিসংখ্যান দেখা যাচ্ছে, তার অন্যতম কারণ হলো এখন ভুক্তভোগীরা সহজেই মামলা করতে পারছেন। আগে সামাজিক ও রাজনৈতিক বিভিন্ন হস্তক্ষেপের কারণে অনেক ভুক্তভোগী থানায় গিয়ে মামলা করতে পারতেন না বা করতে চাইতেন না। আপনি কি মনে করেন মন্ত্রীর এই বক্তব্য সঠিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 12 ঘন্টা আগে