গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬

মেনু

সাত মাসে ৩৪১ নারী ও কন্যাশিশু হত্যার শিকার

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২:৫৪ পিএম, ১৭ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ১৪:০৯ এএম ২০২৬
সাত মাসে ৩৪১ নারী ও কন্যাশিশু হত্যার শিকার
ছবি

ছবি সংগৃহীত

চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে দেশে ২৫৮ জন নারী ও ৮৩ জন কন্যাশিশু হত্যার শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। সংগঠনটির হিসাবে, জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের সহিংসতার শিকার হয়েছেন মোট ১ হাজার ৬৬৭ জন নারী ও কন্যাশিশু। একই সময়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ২৯১ জন নারী ও কন্যাশিশু।

সোমবার (১৭ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা, ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে আয়োজিত মানববন্ধনে এসব তথ্য তুলে ধরে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ।

সংগঠনটির সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম বলেন, দেশের ১৪টি সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে তারা চলতি বছরের প্রথম সাত মাসের এই পরিসংখ্যান সংকলন করেছেন। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে হত্যার শিকার ৩৪১ নারী ও কন্যাশিশুর মধ্যে ৬৩টি ঘটনা ধর্ষণ ও ধর্ষণ-পরবর্তী হত্যার সঙ্গে সম্পর্কিত।

ফওজিয়া মোসলেম বলেন, অন্যান্য হত্যাকাণ্ডের পেছনে জমিজমা, মামলা-মোকদ্দমা ও পারিবারিক বিরোধসহ বিভিন্ন কারণ রয়েছে। দেশের সব সংবাদমাধ্যমের তথ্য পাওয়া গেলে নারীর প্রতি সহিংসতার প্রকৃত চিত্র আরও ভয়াবহ হতে পারে।

তিনি বলেন, নারীসহ সমাজের সব মানুষের মানবাধিকার নিশ্চিত করা এবং বৈষম্য দূর করতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। নারীদের ভয় দেখিয়ে ঘরে ফেরানো যাবে না। নারী তাঁর অধিকার আদায়ে সংগঠিত থাকবে এবং নারী হত্যা ও সহিংসতার বিরুদ্ধে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু বলেন, জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত ১ হাজার ৬৬৭ জন নারী ও কন্যাশিশু বিভিন্ন ধরনের সহিংসতার শিকার হয়েছেন। এ সময় ২৯১ জন নারী ও কন্যাশিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।

তিনি বলেন, এসব ঘটনা প্রমাণ করে নারী ও শিশুরা দেশের কোথাও পুরোপুরি নিরাপদ নয়। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, নারী ও কন্যাশিশুর ওপর সহিংসতার প্রবণতা কমানো যাচ্ছে না।

প্রতিটি নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতার ঘটনায় সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত, দ্রুত বিচার এবং অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান মালেকা বানু। নারী ও শিশুর নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলেও জানান সংগঠনটির নেতারা।

মানববন্ধনে সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাসুদা রেহানা বেগম, আন্দোলন সম্পাদক রাবেয়া খাতুন শান্তি, সাংগঠনিক সম্পাদক কানিজ ফাতেমা টগরসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর কমিটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সানা/আপ্র/১৭/৮/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

বর্তমানে সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত বাঙালি জাতির ভবিষ্যৎ শিশুরা
১২ আগস্ট ২০২৬

বর্তমানে সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত বাঙালি জাতির ভবিষ্যৎ শিশুরা

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে নির্যাতিত জনগোষ্ঠী শিশুরা। অথচ রাষ্ট্রপ্রধানের ভাষণ, বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠান, উন্নয়...

হারিয়ে গেছেন জুলাই আন্দোলনে সামনের সারিতে থাকা নারীরা
১২ আগস্ট ২০২৬

হারিয়ে গেছেন জুলাই আন্দোলনে সামনের সারিতে থাকা নারীরা

জুলাই আন্দোলনের দিনগুলো আরও উত্তাল হয়ে উঠেছিল নারীদের নির্ভীক উপস্থিতিতে। পুলিশের জলকামান, টিয়ারগ্যা...

নারী ও শিশুর ওপর সহিংসতা পুরো সমাজের নৈতিকতায় আঘাত
১২ আগস্ট ২০২৬

নারী ও শিশুর ওপর সহিংসতা পুরো সমাজের নৈতিকতায় আঘাত

একটি সভ্য সমাজের পরিচয় নির্ভর করে সে সমাজ তার শিশু ও নারীদের কতটা নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং ন্যায়বিচার...

ঘরভাড়া জোগাতে মাথার চুলও বিক্রি করেছেন রেহানা
১২ আগস্ট ২০২৬

ঘরভাড়া জোগাতে মাথার চুলও বিক্রি করেছেন রেহানা

দারিদ্র্যের নির্মম বাস্তবতায় মাথা গোঁজার ঠাঁইটুকুও হারিয়েছেন রেহানা খাতুন। দুই সন্তানকে নিয়ে এখন তা...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

বিএনপি সরকারের ছয় মাস: প্রত্যাশা কতটা, প্রাপ্তি কতখানি

আজ ১৭ আগস্ট সরকারের ছয় মাস পূর্ণ হচ্ছে। এর আগে ছয় মাসের কাজের মূল্যায়নে সরকার যেমন বেশ কিছু অর্জনের কথা বলছে, তেমনি বিরোধী রাজনৈতিক দল, অর্থনীতিবিদ ও বিভিন্ন পর্যায়ের নাগরিকদের প্রশ্নও সামনে এসেছে। সরকারের পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী দাবি করেছেন, ছয় মাসের লক্ষ্য অনুযায়ী মোটামুটি সব কর্মসূচিই পূরণ হয়েছে-কোথাও ৯০, কোথাও ৯৫ এবং কোথাও শতভাগ বাস্তবায়ন হয়েছে। প্রিয় পাঠক, সরকার ভালো করছে নাকি মন্দ করছে? হ্যাঁ বা না জানান।

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 11 ঘন্টা আগে