স্পেনের জাতীয় দলে একসঙ্গে খেলেছেন মার্ক কুকুরেল্লা ও লামিন ইয়ামাল। বিশ্বকাপজয়ী এই দুই তারকা ক্লাবের জার্সিতে একে অপরের মুখোমুখি হলে বার্সেলোনার তরুণ তারকা ইয়ামালকে কার্যত আটকে রাখতে সক্ষম হন কুকুরেল্লা। পুরো ম্যাচজুড়ে তাঁকে নজরদারিতে রাখেন এই ডিফেন্ডার। আক্রমণে গিয়েও নিজের স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে পারেননি ইয়ামাল।
বিশেষ করে ডান প্রান্ত দিয়ে কয়েকবার কুকুরেল্লাকে কাটিয়ে উঠতে ব্যর্থ হয়ে হতাশা প্রকাশ করতে দেখা যায় ইয়ামালকে। ম্যাচের ৩২তম মিনিটে কুকুরেল্লার একটি চ্যালেঞ্জের পর রেফারি মার্তিনেজ মুনুয়েরার কাছে হলুদ কার্ডের দাবি জানান বার্সেলোনার এই তারকা। বারবার ফাউলের শিকার হলেও কেন প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারকে কার্ড দেখানো হচ্ছে না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।
তবে ভিডিও রিপ্লেতে দেখা যায়, একটি আক্রমণে প্রায় ১০ সেকেন্ড বল পায়ে রেখে এগিয়ে যান ইয়ামাল। এ সময় কুকুরেল্লা তাঁকে চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ পান। ওই ঘটনায় কার্ড দেখানোর দাবি উঠলেও ইয়ামাল নিজেই নিজের কৌশল প্রকাশ করে ফেলেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইয়ামালকে আটকে রাখার দায়িত্ব কুকুরেল্লাকে দিয়েছিলেন হোসে মরিনিও। তাঁর রক্ষণকৌশল কার্যকরও হয়েছে। তবে প্রতিপক্ষের এই তরুণ ফরোয়ার্ডকে কাছ থেকে দেখে মুগ্ধ হয়েছেন পর্তুগিজ কোচ। মরিনিওর মতে, টেলিভিশনে খেলা দেখে একজন ফুটবলারের সব গুণ বোঝা সম্ভব নয়; সরাসরি দেখলে তাঁর সামর্থ্য সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়।
বিশ্বকাপজয়ী এই ফরোয়ার্ডের প্রশংসা করে মরিনিও বলেন, ‘খেলোয়াড়রা আমার সামনে না আসা পর্যন্ত আমি বুঝতে পারি না তারা কতটা ভালো। টেলিভিশনে আমার সেই ধারণা থাকে না। আমি ১০ মিটার দূর থেকে দেখেছিলাম লামিনকে এবং সে কোন মানের খেলোয়াড়, বুঝতে পেরেছিলাম।’
এসি/আপ্র/২৬/১০/২০২৬