গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

মেনু

আত্মসমালোচনা: পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে দায়বদ্ধতার সংকট

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭:০৫ পিএম, ০৭ মে ২০২৬ | আপডেট: ২৩:৪২ এএম ২০২৬
আত্মসমালোচনা: পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে দায়বদ্ধতার সংকট
ছবি

ছবি সংগৃহীত

ড. খালিদুর রহমান

বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে দাঁড়িয়ে আছে। স্বাধীনতার পর সীমিত পরিসরে যাত্রা শুরু করা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আজ দেশের জ্ঞানচর্চা, গবেষণা এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। বর্তমানে দেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ৫০টিরও বেশি। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব প্রতিষ্ঠানে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৪৭ লাখ, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোর মাধ্যমে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছে। অপরদিকে, সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিভিত্তিক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সরাসরি অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৩ লাখ। এই বিপুল শিক্ষার্থী সমষ্টি দেশের ভবিষ্যৎ জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনের মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত।

প্রতি বছর এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে আনুমানিক ১৫ থেকে ২০ লাখ শিক্ষার্থী। আসন সংখ্যা সীমিত হওয়ায় মাত্র কয়েক শতাংশ শিক্ষার্থী শেষ পর্যন্ত ভর্তি হতে পারে। এই কঠিন প্রতিযোগিতা কেবল একটি পরীক্ষা নয়, বরং দেশের মেধা ও সম্ভাবনার এক কঠোর বাছাই প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করে, তারা নিঃসন্দেহে দেশের সেরা তরুণ প্রজন্মের একটি অংশ। ফলে তাদের প্রতি সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রত্যাশা স্বাভাবিকভাবেই অনেক বেশি- তারা ভবিষ্যতে প্রশাসন, গবেষণা, নীতিনির্ধারণ, প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং সামাজিক নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কিন্তু এই উচ্চ প্রত্যাশার সঙ্গে একটি মৌলিক প্রশ্ন ক্রমেই জোরালো হয়ে উঠছে।

বশ্ববিদ্যালয় থেকে যারা বেরিয়ে আসছে, তারা কি সত্যিই সেই সামাজিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারছে? আর আরও গভীর প্রশ্ন হলো, যারা এই শিক্ষার্থীদের গড়ে তুলছেন, সেই শিক্ষকদের নিজেদের পেশাগত ও নৈতিক অবস্থান কতা দৃঢ়? বাংলাদেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষাব্যবস্থা মূলত রাষ্ট্রনির্ভর। শিক্ষা খাতে সরকারি ব্যয় একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক বিনিয়োগ।

বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীপ্রতি বার্ষিক ব্যয় গড়ে ২ থেকে ৪ লাখ টাকার মধ্যে হলেও কিছু বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে এটি ৫ লাখ টাকারও বেশি। উদাহরণ হিসেবে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন শিক্ষার্থীর পেছনে বার্ষিক ব্যয় প্রায় ৪ লাখ ৬৬ হাজার টাকা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ২ লাখ ১৮ হাজার টাকা। এই বিপুল ব্যয়ের সিংহভাগই আসে জনগণের করের অর্থ থেকে। এর অর্থ দাঁড়ায়, একজন শিক্ষার্থীর পুরো শিক্ষাজীবনের পেছনে যে বিনিয়োগ হয়- তা কোনও ব্যক্তিগত ব্যয় নয়; বরং একটি জাতির সম্মিলিত অর্থনৈতিক অবদান।

ওই বিনিয়োগের মূল উদ্দেশ্য শুধু একটি ডিগ্রি প্রদান নয়; বরং এমন একটি মানবসম্পদ তৈরি করা- যারা দক্ষ, সৎ এবং দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখবে। এই প্রেক্ষাপটে শিক্ষকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা শুধু পাঠ্যপুস্তকভিত্তিক জ্ঞান প্রদান করেন না, তারা শিক্ষার্থীদের চিন্তার কাঠামো, মূল্যবোধ এবং দায়িত্ববোধ গঠনে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করেন।

একজন শিক্ষকের আচরণ, দৃষ্টিভঙ্গি এবং পেশাগত সততা শিক্ষার্থীর মানসিক বিকাশে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলে। কিন্তু যখন শিক্ষক নিজেই দায়িত্ববোধে শৈথিল্য দেখান, নিয়মকে পাশ কাটানোর প্রবণতা তৈরি হয়, তখন সেই বার্তা শিক্ষার্থীর মধ্যে কী ধরনের প্রভাব ফেলে, তা সহজেই অনুমেয়। এই সংকটের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাত্রা হলো বিদেশমুখী প্রবণতা।

বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর উচ্চশিক্ষার জন্য হাজার হাজার শিক্ষার্থী বিদেশে যায়। যদিও সঠিক জাতীয় পর্যায়ের পরিসংখ্যান সীমিত, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও শিক্ষা পর্যবেক্ষণমূলক প্রতিবেদনে দেখা যায়—প্রতিবছর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছে এবং তাদের একটি অংশ আর দেশে ফিরে আসছে না। একই প্রবণতা অনেক ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের ক্ষেত্রেও দেখা যায়, বিশেষ করে যারা পিএইচডি বা পোস্ট-ডক্টরাল গবেষণার জন্য বিদেশে যান।

একজন শিক্ষক বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাওয়ার পেছনে শুধু তার ব্যক্তিগত মেধা নয়, বরং তার প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়ার কারণে তিনি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একটি স্বীকৃত অবস্থান পান- যা তাকে বিভিন্ন স্কলারশিপ ও গবেষণা সুযোগ পেতে সহায়তা করে। কিন্তু যখন এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে কেউ বিদেশে স্থায়ী হয়ে যান এবং দেশে ফিরে আসেন না, তখন এটি কেবল ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত থাকে না; একটি বৃহত্তর সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রশ্নে পরিণত হয়। এই সমস্যার একটি বাস্তবিক দিক হলো জ্ঞানপ্রবাহের ক্ষতি।

একজন শিক্ষক বিদেশে যে জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও গবেষণার দক্ষতা অর্জন করেন, তা দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা ব্যবস্থায় ফিরে আসার কথা। কিন্তু সেই জ্ঞান যদি দেশে ফিরে না আসে, তাহলে রাষ্ট্র একটি দ্বিমুখী ক্ষতির সম্মুখীন হয়। একদিকে আর্থিক বিনিয়োগ অপচয় হয়, অন্যদিকে জ্ঞান ও দক্ষতার ঘাটতি তৈরি হয়।

শুধু বিদেশমুখী প্রবণতা নয়, দেশের ভেতরেও প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কিছু দুর্বলতা এই সংকটকে আরও গভীর করে তুলছে। অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষকদের দীর্ঘমেয়াদি ছুটি গ্রহণের প্রবণতা লক্ষ করা যায়। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী নির্দিষ্ট সীমার বাইরে বেতনসহ ছুটি গ্রহণের বিধিনিষেধ থাকলেও গবেষণা, প্রশাসনিক অনুমোদন বা ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে দীর্ঘ সময় কর্মস্থল থেকে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় এসেছে। তবে এর সুনির্দিষ্ট জাতীয় পরিসংখ্যান সীমিত, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের প্রশাসনিক পর্যবেক্ষণে এই ধরনের অনুপস্থিতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষার ধারাবাহিকতাকে ব্যাহত করে। এই ধরনের আচরণ যখন পুনরাবৃত্তি হয়, তখন তা ধীরে ধীরে একটি অনানুষ্ঠানিক সংস্কৃতিতে পরিণত হয়।

নতুন প্রজন্মের শিক্ষকরা এটিকে স্বাভাবিক হিসেবে গ্রহণ করতে শুরু করেন; যা দীর্ঘমেয়াদে পেশাগত নৈতিকতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তবে এই সংকটকে শুধু বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা সঠিক নয়। রাষ্ট্রের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাতেও একই ধরনের দায়বদ্ধতার প্রশ্ন রয়েছে।

বাংলাদেশে সরকারি খাতে কর্মরত লক্ষাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী জনগণের করের অর্থে বেতনভোগী। এর মধ্যে প্রশাসনিক ক্যাডার, সামরিক বাহিনী, পুলিশ এবং অন্যান্য সেবা খাত অন্তর্ভুক্ত। ফলে তাদের প্রত্যেকের ওপরই একই মৌলিক দায়বদ্ধতা বর্তায়—রাষ্ট্র ও জনগণের প্রতি সৎ ও কার্যকর সেবা প্রদান করা।

যখন কোনও সরকারি কর্মকর্তা তার ক্ষমতার অপব্যবহার করেন, কিংবা দায়িত্ব পালনে অবহেলা করেন, তখন তা কেবল একটি প্রশাসনিক ব্যর্থতা নয়, বরং এটি জনগণের আস্থার ওপর আঘাত। উন্নয়নশীল একটি দেশের জন্য এই আস্থার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করাই উন্নয়নের প্রধান শর্ত। এই চ্যালেঞ্জের মধ্যেও ইতিবাচক বাস্তবতা অস্বীকার করা যায় না।

দেশে এখনও অনেক শিক্ষক আছেন- যারা সীমিত সুযোগের মধ্যেও গবেষণা, পাঠদান এবং শিক্ষার্থীদের গঠনে অসাধারণ ভূমিকা রাখছেন। অনেক গবেষক আন্তর্জাতিক মানের কাজ করছেন, এবং অনেক সরকারি কর্মকর্তা সততা ও দক্ষতার মাধ্যমে দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন। এই ইতিবাচক উদাহরণগুলোই ভবিষ্যতের সম্ভাবনার ভিত্তি। কিন্তু সমস্যা হলো, ইতিবাচক উদাহরণ যতটা আলোচিত হয় না; নেতিবাচক দিকগুলো তার চেয়ে অনেক বেশি দৃশ্যমান হয়ে ওঠে এবং ধীরে ধীরে পুরো ব্যবস্থার ওপর ছায়া ফেলে। তাই এই সংকট মোকাবিলায় প্রয়োজন একটি সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গি।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ক্ষেত্রে জবাবদিহি আরও শক্তিশালী করা জরুরি। বর্তমানে বাংলাদেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রায় ১৭ হাজার শিক্ষক ও গবেষক কর্মরত থাকলেও তাদের কর্মপরিবীক্ষণ ও কার্যকারিতা মূল্যায়নের কাঠামো তুলনামূলকভাবে দুর্বল।

ডিজিটাল মনিটরিং, স্বচ্ছ ছুটি ব্যবস্থাপনা এবং গবেষণা অগ্রগতি মূল্যায়ন ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করা যেতে পারে। একই সঙ্গে বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য যাওয়া শিক্ষকদের ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক চুক্তি এবং দায়বদ্ধতা আরও সুসংহত করা প্রয়োজন। অনেক দেশে এই ধরনের নীতিমালা কার্যকর রয়েছে, যেখানে রাষ্ট্রের অর্থে বিদেশে প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর নির্দিষ্ট সময় সেবা প্রদান বাধ্যতামূলক।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো গবেষণার জন্য দেশীয় পরিবেশ উন্নত করা। বাংলাদেশে গবেষণা খাতে ব্যয় জিডিপির ০.৫ শতাংশেরও কম, যেখানে উন্নত দেশগুলো ২ থেকে ৪ শতাংশ পর্যন্ত ব্যয় করে। এই সীমিত বিনিয়োগ গবেষণার সুযোগকে সংকুচিত করে, ফলে দক্ষ গবেষকরা বিদেশমুখী হন। তাই গবেষণা অবকাঠামো, ল্যাব সুবিধা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো মানসিকতার পরিবর্তন। শিক্ষাব্যবস্থায় যদি ব্যক্তিগত সাফল্যকে সামাজিক দায়িত্বের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়, তাহলে দীর্ঘমেয়াদে একটি দায়িত্বহীন সংস্কৃতি তৈরি হতে পারে। এই পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রে শিক্ষকদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তারাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চিন্তা ও মূল্যবোধ গঠনের প্রধান কারিগর।

বাংলাদেশ আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। বিপুল জনগোষ্ঠী, সীমিত সম্পদ এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক বাস্তবতার মধ্যে মানবসম্পদ উন্নয়নই দেশের প্রধান শক্তি। আর এই মানবসম্পদের কেন্দ্রবিন্দু হলো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। এই বাস্তবতায় বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিক্ষকদের দায়বদ্ধতার সংকট কোনও বিচ্ছিন্ন বিষয় নয়, এটি একটি জাতীয় চ্যালেঞ্জ। এই সংকট সমাধানের জন্য প্রয়োজন আত্মসমালোচনা, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং নৈতিক পুনর্জাগরণ।

মোট কথা, আমাদের মনে রাখতে হবে জনগণের অর্থে গড়ে ওঠা এই শিক্ষাব্যবস্থার মূল লক্ষ্য শুধু জ্ঞান বিতরণ নয়, বরং দায়িত্বশীল নাগরিক তৈরি করা। সেই দায়িত্ব পালিত হলেই কেবল এই বিনিয়োগের প্রকৃত সার্থকতা অর্জিত হবে।

লেখক: অধ্যাপক, পরিসংখ্যান বিভাগ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
(মতামত লেখকের সম্পূর্ণ নিজস্ব)

আপ্র/ কেএমএএ/০৭.০৫.২০২৬

সংশ্লিষ্ট খবর

শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকের অযোগ্যতা ঢাকার ‘মহৌষধ’ যখন শিক্ষার্থী নির্যাতন
২৪ জুন ২০২৬

শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকের অযোগ্যতা ঢাকার ‘মহৌষধ’ যখন শিক্ষার্থী নির্যাতন

আলমগীর খান===আমাদের শিক্ষামন্ত্রী নকল বন্ধে অসম্ভবরকম খ্যাতি অর্জন করেছেন। কিন্তু নকল রোগের লক্ষণ, র...

ইরান যুদ্ধে কে হারল, কে জিতল?
২৪ জুন ২০২৬

ইরান যুদ্ধে কে হারল, কে জিতল?

মহসীন হাবিব===    অবশেষে ১৪ জুন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি...

ট্রাফিক সিগন্যাল ও একটি জাতি
১৭ জুন ২০২৬

ট্রাফিক সিগন্যাল ও একটি জাতি

মহসীন হাবিব====    কয়েকদিন ধরে মজার একটি বিষয় দেখা যাচ্ছে। রাজধানী ঢাকার প্রধান...

শূন্যরেখায় মানবতা: রাষ্ট্রের নাগরিক চিনতে এতটা বেগ পেতে হবে কেন?
১৭ জুন ২০২৬

শূন্যরেখায় মানবতা: রাষ্ট্রের নাগরিক চিনতে এতটা বেগ পেতে হবে কেন?

এম. টি. ইসলাম--------দুটি দেশ। যে দুটি দেশের জনসংখ্যা ১৬০ কোটিরও অধিক, যা পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার প্রা...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

২০২৫ সালে সেবা খাতে ঘুষ লেনদেনের পরিমাণ ১২ হাজার ৬৩৩ কোটি ২০ লাখ টাকা

দেশের বিভিন্ন সেবা খাতে ২০২৫ সালে ঘুষ লেনদেনের পরিমাণ আনুমানিক ১২ হাজার ৬৩৩ কোটি ২০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটির মতে, এই পরিমাণ ২০২৩ সালের তুলনায় প্রায় ১৫ দশমিক ৯ শতাংশ বেশি। আপনি কি মনে করেন এই জরিপ সঠিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে