গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

কূটনীতিতে কৌশলগত ভারসাম্য রক্ষার লক্ষ্য ঘোষণা মন্ত্রীর

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২:০৬ পিএম, ১৭ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১১:৩৭ এএম ২০২৬
কূটনীতিতে কৌশলগত ভারসাম্য রক্ষার লক্ষ্য ঘোষণা মন্ত্রীর
ছবি

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান -ছবি সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির প্রধান লক্ষ্য হলো কূটনৈতিক সম্পর্কের বহুমুখীকরণ এবং কৌশলগত ভারসাম্য রক্ষা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের নবম দিন বুধবার (১৭ জুন) বৈঠকে নেত্রকোনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম হিলালীর লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। এদিন প্রশ্নোত্তর পর্ব টেবিলে উত্থাপিত হয়। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ একদিকে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, মধ্যপ্রাচ্য, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ার মতো ঐতিহ্যবাহী অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করছে। অন্যদিকে আসিয়ানভুক্ত দেশ, পূর্ব ও মধ্য এশিয়া, আফ্রিকা এবং ল্যাটিন আমেরিকার উদীয়মান অর্থনীতির সঙ্গে নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক পরিস্থিতি, সংঘাত, বাণিজ্য ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাস, জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা, প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা, জলবায়ু পরিবর্তন ও অভিবাসন আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে প্রভাবিত করছে। এই বাস্তবতায় কোনো একক শক্তির ওপর নির্ভর না করে জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে পররাষ্ট্রনীতি পরিচালিত হচ্ছে।

মন্ত্রী আরো বলেন, পারস্পরিক সম্মান, সার্বভৌম সমতা, ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতিই বাংলাদেশের কূটনীতির ভিত্তি।

প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে তিনি জানান, ভারতের সঙ্গে পানি বণ্টন, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, সংযোগ, জ্বালানি সহযোগিতা ও বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা নিরসনে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে মিয়ানমারের সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলমান।

আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার জন্য সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করা এবং বিমসটেককে গতিশীল করার উদ্যোগের কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরো জানান, অর্থনৈতিক কূটনীতি এখন পররাষ্ট্রনীতির কেন্দ্রবিন্দু। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি স্থানান্তর, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং শিল্প সহযোগিতা বাড়াতে জাপান, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে কাজ চলছে।

নতুন খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল অর্থনীতি, সেমিকন্ডাক্টর, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, গবেষণা ও উন্নয়ন এবং ব্লু ইকোনমিতে আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ প্রবাসী শ্রমবাজারকে বহুমুখীকরণের দিকে এগোচ্ছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের পাশাপাশি জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা ও পূর্ব ইউরোপে দক্ষ জনশক্তি পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সবশেষে তিনি বলেন, বহুমুখী আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব ও সক্রিয় অর্থনৈতিক কূটনীতির মাধ্যমে বাংলাদেশ বৈশ্বিক অঙ্গনে তার অবস্থান আরো সুদৃঢ় করবে।
সানা/আপ্র/১৭/৬/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

আবাসস্থল পরিবর্তনে আবারও ভোটার স্থানান্তর কার্যক্রম শুরু
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আবাসস্থল পরিবর্তনে আবারও ভোটার স্থানান্তর কার্যক্রম শুরু

আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে ভোটার স্থানান্তরের কার্যক্রম আবারও চালু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ বিষয়...

শেষ সময়ে ফ্যামিলি কার্ড পাবেন মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী: সমবায় প্রতিমন্ত্রী
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শেষ সময়ে ফ্যামিলি কার্ড পাবেন মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী: সমবায় প্রতিমন্ত্রী

দেশের চার কোটি পরিবারকে পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় সরক...

৫১তম বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, নিয়োগ পাবেন ৫ হাজার চিকিৎসক
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

৫১তম বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, নিয়োগ পাবেন ৫ হাজার চিকিৎসক

সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি) ৫১তম বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এতে স্বাস্থ্য ক্যাডারভুক্ত ৫ হ...

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে পাঁচ দফা প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে মানববন্ধন
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে পাঁচ দফা প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে মানববন্ধন

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে রোহিঙ্গা সংকট ও প্রত্যাবাসন ইস্যু গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরার দাব...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

বাস ভাড়া বাড়লো কিলোমিটারে ১৭ পয়সা, প্রজ্ঞাপনের আগেই বাড়তি আদায়

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর সরকারি প্রজ্ঞাপন জারির আগেই রাজধানীসহ বিভিন্ন রুটে বাসভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন পরিবহনকর্মীদের কেউ কেউ। কোথাও ১০ টাকার ভাড়া নেওয়া হচ্ছে ১৫ টাকা, কোথাও প্রতি স্টপেজে পাঁচ টাকা করে বেশি নেওয়া হচ্ছে। দূরপাল্লার বাসেও গন্তব্যভেদে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অথচ সরকার ও সড়ক পরিবহন মালিকপক্ষ প্রতি কিলোমিটারে ১৭ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়েছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন বাস ভাড়ার এই নৈরাজ্য সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে?

মোট ভোট: ০ | শেষ আপডেট: 2 দিন আগে