জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও হুইপ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। চিফ হুইপ করা হয়েছে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম মনিকে। তিনি বরগুনা-২ আসন থেকে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যদিকে, হুইপ করা হয়েছে ছয়জন সংসদ সদস্যকে।
হুইপ হিসেবে নিয়োগ পাওয়া এমপিরা হলেন-হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য জি কে গউস, নাটোর-২ আসনের অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের এমপি এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান, দিনাজপুর-৪ আসনের মো. আখতারুজ্জামান মিয়া, শরিয়তপুর-৩ আসনের মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু ও খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রকিবুল ইসলাম।
সোমবার (২ মার্চ) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের মানবসম্পদ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
জাতীয় সংসদ সচিবালয় জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এসব নিয়োগ অবিলম্বে কার্যকর হবে। নবনিযুক্ত চিফ হুইপ ও হুইপরা আগামীকাল মঙ্গলবার শপথ নিতে পারেন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, দলটি দুই তৃতীয়াংশেরও বেশি আসনে বিজয়ী হয়। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
আগামী ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হবে। সংবিধান অনুসারে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ভাষণ দেবেন।
চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি বরগুনা-২ (পাথরঘাটা, বামনা ও বেতাগী) আসন থেকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। এ নির্বাচনে ওই আসন থেকে মোট ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করলেও নূরুল ইসলাম মণির মূল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামীর মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. সুলতান আহমদ। ভোটগ্রহণ শেষে নূরুল ইসলাম ৮৯ হাজার ৪২৮ ভোট এবং নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সুলতান আহমহ ৮৩ হাজার ১৫ ভোট পেলে ৬ হাজার ৪১৩ ভোট বেশি পেয়ে নূরুল ইসলাম মণি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
জানা যায়, নুরুল ইসলাম মণি এর আগেও তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। চতুর্থ ও পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এবং অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হয়ে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
সানা/আপ্র/২/৩/২০২৬