গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬

মেনু

প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন বিএনপির কেন্দ্রীয় শোভাযাত্রা

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১:০৬ পিএম, ০৭ নভেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ০১:৫৯ এএম ২০২৬
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ
ছবি

১৯৭৫ সালের এই দিনে সেনাবাহিনীর সাধারণ সৈনিক ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে সংঘটিত অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান

দেশের ইতিহাসের অন্যতম তাৎপর্যপূর্ণ দিন ৭ নভেম্বর। আজ শনিবার পালিত হচ্ছে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সেনাবাহিনীর সাধারণ সৈনিক ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে সংঘটিত অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। দেশের রাজনৈতিক ও সামরিক অঙ্গনে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে তাঁর মুক্তি এবং পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বে আবির্ভাব বাংলাদেশের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য ভূমিকা রাখা জিয়াউর রহমান পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্র পরিচালনা, জাতীয়তাবাদী রাজনীতির বিকাশ এবং বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বিএনপি দিনটিকে সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে জাতীয় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও সংহতি পুনঃপ্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক দিন হিসেবে বিবেচনা করে।

দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনে সরকার দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। আজ সরকারি ছুটি। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পৃথক বাণী দিয়েছেন। সরকারি-বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশের দূতাবাসগুলোতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হচ্ছে। প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপ সাজানো হয়েছে জাতীয় পতাকায়। মসজিদে মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাত এবং মন্দির, গির্জা, প্যাগোডাসহ অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে।

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঘটনাপ্রবাহের পটভূমি তৈরি হয়েছিল তার আগের কয়েক মাসের রাজনৈতিক ও সামরিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে। ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হওয়ার পর রাষ্ট্রক্ষমতায় পরিবর্তন আসে। খন্দকার মোশতাক আহমদ রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এ সময় সেনাবাহিনীর ভেতরে নেতৃত্ব ও কর্তৃত্ব নিয়ে বিরোধ এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে অনিশ্চয়তা বাড়তে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় ৩ নভেম্বর ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর একটি অংশ অভ্যুত্থান ঘটায়। তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে তাঁর বাসভবনে গৃহবন্দি করা হয়। একই দিন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হত্যা করা হয় জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে।

এ অবস্থায় সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ে অসন্তোষ ও উত্তেজনা বাড়তে থাকে। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিপ্লবী সৈনিক সংস্থাও সৈনিকদের মধ্যে তৎপরতা চালায়। সৈনিকদের মধ্যে বৈষম্য দূর করা ও বিভিন্ন দাবি আদায়ের বিষয়টি সামনে আসে। এরই মধ্যে ৭ নভেম্বরের প্রথম প্রহরে ঢাকা সেনানিবাসে সিপাহিদের বিদ্রোহ শুরু হয়। বিদ্রোহী সৈনিকেরা বন্দিদশা থেকে জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করেন। এ সময় সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ে সংঘর্ষ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। অভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফসহ কয়েকজন সেনা কর্মকর্তা নিহত হন।

মুক্তির পর জিয়াউর রহমান সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হন এবং দ্রুত দেশের রাজনৈতিক ক্ষমতার কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্বে পরিণত হন। ১৯৭১ সালে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ এবং মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক হিসেবে তাঁর ভূমিকা তাঁকে আগে থেকেই পরিচিত ও আলোচিত ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছিল। সংকটকালে তাঁর মুক্তি এবং পরবর্তী নেতৃত্ব গ্রহণের ঘটনাকে বিএনপি জাতীয় ঐক্য, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে মূল্যায়ন করে।

পরবর্তী সময়ে জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাঁর শাসনামলে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ধারণা রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক দর্শনে গুরুত্ব পায়। ১৯৭৮ সালে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠা করেন। রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্র সম্প্রসারণ, অর্থনীতি ও কৃষিতে নতুন কর্মসূচি, গ্রামীণ উন্নয়ন, বেসরকারি উদ্যোগ এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক জোরদারের নানা উদ্যোগ তাঁর শাসনামলের উল্লেখযোগ্য দিক হিসেবে আলোচিত। বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়ায় তাঁর ভূমিকা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিশেষভাবে বিবেচিত হয়। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামে এক সামরিক অভ্যুত্থানে তিনি নিহত হন।

৭ নভেম্বরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলগুলোর মূল্যায়নে পার্থক্য রয়েছে। বিএনপি দিনটিকে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালন করে। জাসদ দিনটিকে ‘সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে অভিহিত করে। অন্যদিকে কয়েকটি রাজনৈতিক দল ও সংগঠন ওই দিনের সামরিক কর্মকর্তাদের হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি সামনে রেখে ভিন্নভাবে দিনটি মূল্যায়ন করে। তবে জিয়াউর রহমানের বন্দিদশা থেকে মুক্তি, পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বে তাঁর উত্থান এবং দেশের রাজনৈতিক গতিপথে এর প্রভাব ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক গুরুত্বের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

সরকারি কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, এতিমখানা, শিশুকেন্দ্র, শিশু পরিবার, শিশুসদন, কিশোর সংশোধনকেন্দ্র, শান্তি নিবাস ও ভবঘুরে প্রতিষ্ঠানে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে। দেশের সব শিশু পার্ক শিশুদের জন্য দিনব্যাপী বিনা টিকিটে উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভা ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও রয়েছে বিশেষ আয়োজন। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় জাতীয় দৈনিকগুলোতে প্রকাশ করা হচ্ছে বিশেষ নিবন্ধ, সাহিত্য-সাময়িকী ও ক্রোড়পত্র। বাংলাদেশ টেলিভিশন, বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ও বেতারে প্রচার করা হচ্ছে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা। সিনেমা হল ও ভ্রাম্যমাণ প্রদর্শনীর মাধ্যমে দেখানো হচ্ছে প্রামাণ্যচিত্র। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে দেশাত্মবোধক গানের আসর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আলোচনা সভা এবং প্রদর্শনী ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়েছে।

রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছে উন্মুক্ত সংগীতানুষ্ঠান। এতে নগরবাউল, মাইলস, ওয়ারফেজ, ফিডব্যাক, আর্টসেল, শিরোনামহীন ও মেকানিক্স সংগীত পরিবেশন করবে। বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে দর্শকদের প্রবেশের জন্য অনুষ্ঠানস্থল খুলে দেওয়া হবে। মূল অনুষ্ঠান শুরু হবে বিকেল ৪টায়। সরকারি-বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ও বেতারে অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আয়োজনটির ব্যবস্থাপনায় রয়েছে; সহযোগিতা করছে বাংলাদেশ মিউজিক্যাল ব্যান্ডস অ্যাসোসিয়েশন।

সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকেও থাকছে বিশেষ কর্মসূচি। জাতীয় পতাকা উত্তোলন, মিলাদ মাহফিল, প্রীতিভোজ ও বিশেষ দরবার অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ ক্যাডেট কোরের তত্ত্বাবধানে ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে বর্ণাঢ্য প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। এ ছাড়া পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি, কোস্ট গার্ড, কারা অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিসসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন সংস্থার সদর দপ্তরে মিলাদ মাহফিল, প্রীতিভোজ ও বিশেষ দরবার অনুষ্ঠিত হবে। শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অংশগ্রহণে আয়োজন করা হয়েছে স্মারক আলোচনা সভা।

দিবসটি উপলক্ষে বিএনপি ৫ থেকে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত সাত দিনব্যাপী কর্মসূচি পালন করছে। আজ সকাল ৬টায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। সকাল সাড়ে ৮টায় শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানানোর কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের।

এরপর সকাল ১১টায় দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, কেন্দ্রীয় নেতারা এবং নেতা-কর্মীরা দুই নেতার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করবেন বলে দলের কর্মসূচিতে জানানো হয়েছে। বিকেল ৩টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বের হবে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। এতে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর উদ্বোধনী বক্তব্যের পর শোভাযাত্রা শুরু হবে। এ উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মঞ্চ নির্মাণের কাজ চলছে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী শুক্রবার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের জানান, ঢাকার কেন্দ্রীয় শোভাযাত্রা নয়াপল্টন থেকে শুরু হয়ে কাকরাইলে প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনে দিয়ে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়, বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে শেষ হবে। সারা দেশের অধিকাংশ জেলা ও মহানগরেও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। জেলা ও মহানগর পর্যায়ের কর্মসূচি সফল করতে দলের বিভিন্ন শাখা ও অঙ্গসংগঠন প্রস্তুতি নিচ্ছে। ৮ নভেম্বর থানা ও উপজেলা পর্যায়ে কর্মসূচি পালন করা হবে। দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোও আলোচনা সভা, আলোকচিত্র প্রদর্শনী, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও অন্যান্য কর্মসূচি নিয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বকুলতলায় ৭ থেকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিশেষ চিত্রপ্রদর্শনী ‘ইতিহাসের উপস্থাপন’। বিশিষ্ট শিল্পী মো. জাকির-উস-সালামের একগুচ্ছ চিত্রকর্মের ডিজিটাল প্রিন্ট নিয়ে আয়োজিত প্রদর্শনীটি প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এতে সহযোগিতা করছে বাংলাদেশি চারুশিল্পী সংসদ।

সরকারি-বেসরকারি নানা আয়োজন, রাজনৈতিক কর্মসূচি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আজ স্মরণ করা হচ্ছে বাংলাদেশের ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ দিন। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঘটনাপ্রবাহের মধ্য দিয়ে যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের সূচনা হয়েছিল, তার প্রভাব পরবর্তী কয়েক দশক ধরে দেশের রাষ্ট্র পরিচালনা ও রাজনৈতিক বিকাশে প্রতিফলিত হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমানের নেতৃত্ব, তাঁর রাজনৈতিক দর্শন এবং জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর অবদানও তাই দিবসটির আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

তথ্যসূত্র: বাসস, ইতিহাসের ঘটনাপ্রবাহে সমসাময়িক ও ঐতিহাসিক বিবরণ এবং প্রকাশিত গবেষণাভিত্তিক প্রতিবেদন অনুসরণ করা হয়েছে।
সানা/আপ্র/৭/১১/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা
০৬ নভেম্বর ২০২৬

২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা

রাজধানী ঢাকায় ২০৩০ সালের মধ্যে দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্র...

গণহত্যাকারীদের আর রাজনীতি করতে দেবে না জনগণ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
০৬ নভেম্বর ২০২৬

গণহত্যাকারীদের আর রাজনীতি করতে দেবে না জনগণ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশে গণহত্যা, হত্যাকাণ্ড ও আলেম-ওলামাদের ওপর নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত ফ্যাসিবাদী শক্তিকে জনগণ আর রাজনীত...

ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
০৬ নভেম্বর ২০২৬

ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দলমত-নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দুর্নীতি, বৈষম্য...

৭ নভেম্বরের পরাজিত শক্তি মহাজোটের নামে দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্র করেছিল: প্রধানমন্ত্রী
০৬ নভেম্বর ২০২৬

৭ নভেম্বরের পরাজিত শক্তি মহাজোটের নামে দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্র করেছিল: প্রধানমন্ত...

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের পরাজিত শক্তি দীর্ঘ ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতায় মহাজোটের নামে একজোট হয়ে দেশকে তাঁব...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই