গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

মেনু

অস্ত্র হাতে অভিযানের বিতর্কে ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০১:৫১ পিএম, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ০২:৫৪ এএম ২০২৬
অস্ত্র হাতে অভিযানের বিতর্কে ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
ছবি

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন -ফাইল ছবি

মাদকবিরোধী অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে নিয়ে বিতর্কের জন্ম দেওয়ায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় অস্ত্র হাতে তাঁর অভিযানে নামার এক দিনের মাথায় রোববার (১৮ অক্টোবর) এ নির্দেশ দেওয়া হয় বলে সরকারসংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্র জানিয়েছে।

রোববার বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে ইশরাককে ডেকে পাঠান প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই তাঁকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। তবে রাত পর্যন্ত সরকারের দায়িত্বশীল কোনো ব্যক্তির আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। রাত ১০টা ৩৪ মিনিটে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশনে এ বিষয়ে একটি সংবাদসূচিও প্রচার করা হয়। তাতে বলা হয়, মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

এদিকে রাতে ইশরাক হোসেন তাঁর যাচাইকৃত ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে পদত্যাগের নির্দেশ পাওয়ার খবর অস্বীকার করেন। তিনি দাবি করেন, সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে তাঁকে পদত্যাগের কোনো নির্দেশ দেওয়া হয়নি। ফলে এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য না আসা পর্যন্ত নির্দেশ দেওয়ার খবরটি নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রয়েছে।

গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে নামেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যক্তিদের হাতেও অস্ত্র দেখা যায়। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর রাজনৈতিক অঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। বিএনপি ও সরকারের ভেতরেও এ নিয়ে অস্বস্তি ও অসন্তোষ তৈরি হয়।

বিএনপি ও সরকারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনায় আপত্তি না থাকলেও একজন প্রতিমন্ত্রীর নিজের হাতে অস্ত্র নিয়ে এভাবে অভিযানে নামা গ্রহণযোগ্য নয়। মাদক দমনে প্রশাসনকে সক্রিয় করার পরিবর্তে তিনি কেন নিজেই অস্ত্র হাতে অভিযানে গেলেন, সেই প্রশ্ন ওঠে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যখন রাজধানীর হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি আবাসিক এলাকা আকস্মিক পরিদর্শন করে সেবার মান ও পরিবেশ উন্নয়নে নির্দেশনা দিচ্ছেন, তখন প্রতিমন্ত্রীর এ ধরনের কর্মকাণ্ড সরকারকে বিব্রত করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলা বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির একজন সদস্যের ভাষ্য, ঘটনাটি শুধু ইশরাকের ব্যক্তিগত বিষয় হিসেবে থাকেনি; প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যদেরও বিব্রত করেছে। একজন প্রতিমন্ত্রীর এমন আচরণের দায় মন্ত্রিসভাকেও নিতে হবে।

শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রাজধানীর ১৩টি স্থান আকস্মিক পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি আবাসিক এলাকার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং সেবার মান নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশনা দেন তিনি। কোথাও কোথাও পরিস্থিতির উন্নয়নে সময়সীমাও বেঁধে দেন। প্রধানমন্ত্রীর এসব পরিদর্শনের দিনই বিকেলে ইশরাকের অস্ত্র হাতে অভিযানে নামার ঘটনা ঘটে। দল ও সরকারের কয়েকজন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি মনে করছেন, এ ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর পরিদর্শন ঘিরে তৈরি হওয়া ইতিবাচক আলোচনা অনেকটাই আড়ালে পড়ে যায়।

এমন পরিস্থিতিতে ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার খবরকে সরকারের সদস্যদের আচরণ ও জবাবদিহির প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রীর কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে ইশরাকের অস্বীকৃতির কারণে বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক স্পষ্টতা এখনো আসেনি।

অভিযানে কী করেছিলেন ইশরাক
শনিবার বিকেলে রাজধানীর গেন্ডারিয়া রেলস্টেশনসংলগ্ন দয়াগঞ্জ গুন্টিঘর রেলগেট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে যান ইশরাক হোসেন। তাঁর নিজের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, গাড়ি থেকে নেমেই আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে তিনি চিৎকার করে বলছেন, ‘এই ধর ধর ধর...।’ এ সময় তাঁর পাশ থেকে একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘একেবারে গুলি করে দেব।’

প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে থাকা দেহরক্ষীরা কয়েকজনকে ধরতে দৌড়ান। তাঁদের একজন এক তরুণকে লাথি মারেন। কয়েকজনকে বলতে শোনা যায়, ‘স্যার আমি কিছু করিনি। আমি গরিব মানুষ স্যার।’ আরেকটি ভিডিওতে আটক ব্যক্তিদের পুলিশের হাতে তুলে দিতে দেখা যায়।

ঘটনাস্থলে প্রতিমন্ত্রীর নিজের নিয়োগ দেওয়া দুই দেহরক্ষী তোফাজ্জল হোসেন ও লাভলুর পাশাপাশি একজন সরকারি দেহরক্ষীও ছিলেন। তাঁর নিজের নিয়োগ দেওয়া দেহরক্ষীদের কাছেও অস্ত্র ছিল। ভিডিওর কিছু অংশে ইশরাকের হাতে থাকা পিস্তলের ছবি অস্পষ্ট করা হলেও অন্য অংশে অস্ত্রটি স্পষ্ট দেখা যায়। গুলি করার হুমকি দেওয়া ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ঘটনার পর প্রশ্ন ওঠে, একজন প্রতিমন্ত্রী এভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করে মাদকবিরোধী অভিযান চালাতে পারেন কি না। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ২০২৫ সালের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স প্রদান, নবায়ন ও ব্যবহার নীতিমালার ২৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আত্মরক্ষার জন্য লাইসেন্সপ্রাপ্ত অস্ত্র বহন ও ব্যবহার করা গেলেও অন্যের মনে ভয় বা বিরক্তি সৃষ্টি হতে পারে, এমনভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করা যাবে না।

ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনা তদন্ত করছে ঢাকা মহানগর পুলিশ। রোববার পুলিশের গণমাধ্যম কেন্দ্রে সংবাদ সম্মেলনে গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান শফিকুল ইসলাম জানান, ওয়ারী বিভাগের উপকমিশনারকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনের কোনো ব্যত্যয় হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আত্মরক্ষার জন্য অস্ত্র প্রদর্শনের দাবি ইশরাকের
অস্ত্র হাতে অভিযানে নামা নিয়ে সমালোচনার মধ্যে রোববার নিজের যাচাইকৃত ফেসবুক পেজে বিবৃতি দেন ইশরাক হোসেন। তিনি দাবি করেন, মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচিতে অংশ নিতে সেখানে গিয়েছিলেন। পুলিশ, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও সামাজিক নেতাদের যৌথ সিদ্ধান্তে কর্মসূচিটি নেওয়া হয়েছিল।

ইশরাকের ভাষ্য অনুযায়ী, ঢাকা-৬ আসনের গেন্ডারিয়ার বিভিন্ন এলাকায় মাদক কারবারের অভিযোগ পেয়ে তিনি আগে থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করছিলেন। জনবলসংকট দূর করা এবং মাদকের আস্তানার কাছে স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের উদ্যোগও নিয়েছিলেন। কিন্তু সমস্যার সমাধান হয়নি।

বিবৃতিতে তিনি দাবি করেন, অভিযানের আগে জানতে পারেন, মাদক কারবারিরা ছাদ থেকে গুলি চালাতে পারে। একটি অস্থায়ী মাদকের আস্তানার কাছে পৌঁছানোর পর ৩০ থেকে ৩৫ জন ব্যক্তি হইচই করে তাঁদের গাড়িবহরের দিকে মারমুখী ভঙ্গিতে এগিয়ে আসেন। সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় নিজের ও অন্যদের নিরাপত্তার জন্য তিনি এবং তাঁর সরকারি নিরাপত্তারক্ষীরা অল্প সময়ের জন্য অস্ত্র উঁচিয়ে ধরেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে অস্ত্র সরিয়ে নেওয়া হয়।

ইশরাকের দাবি, তাঁর হাতে থাকা আগ্নেয়াস্ত্রটি বৈধ ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত। আত্মরক্ষার জন্যই সেটি প্রদর্শন করা হয়েছিল এবং এতে আইনের কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি।

বিবৃতিতে তিনি আরো দাবি করেন, অভিযানে চার-পাঁচটি অস্থায়ী মাদকের আস্তানা উচ্ছেদ করা হয়েছে। সেখান থেকে মাদকদ্রব্য, অস্ত্র, নগদ অর্থ ও ছিনতাই করা মুঠোফোন জব্দ করা হয়। ছয়জনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। এসব তথ্য উপেক্ষা করে কয়েকটি গণমাধ্যম ঘটনার খণ্ডিত চিত্র তুলে ধরেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। মাদকবিরোধী কার্যক্রম অব্যাহত রাখার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী।

তবে অভিযানের আগে পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। শনিবার ওয়ারী বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার মাসুদ রানা সাংবাদিকদের বলেছিলেন, প্রতিমন্ত্রী আগে থেকে পুলিশকে জানাননি। পরে তাঁরা বিষয়টি জানতে পারেন। ইশরাকও শনিবার সংবাদমাধ্যমকে বলেছিলেন, ঘটনাস্থলে যাওয়ার ১০ মিনিট পর তিনি পুলিশকে সেখানে আসতে বলেন।

পদত্যাগের নির্দেশের খবরকে গুজব বলছেন ইশরাক
রোববার রাতে নিজের যাচাইকৃত ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে ইশরাক দাবি করেন, তাঁকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার খবর সঠিক নয়। সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে তাঁকে পদত্যাগের কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি এবং তাঁর পদত্যাগের কোনো প্রশ্নই ওঠে না। একটি মহল রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল ও জনসাধারণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির লক্ষ্যে কাল্পনিক ও মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সাংবাদিকদের জন্য খোলা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপেও একটি অডিও বার্তা দেন ইশরাক। তাতে তিনি বলেন, ‘আমি দয়া করে সবাইকে অনুরোধ জানাচ্ছি যে, এই বিষয়টিকে আপনারা অবশ্যই গুজব হিসেবে ধরবেন। এর কোনো সত্যতা এখনো নেই। এ রকম যদি কোনো সিদ্ধান্ত আমাদের দল থেকে আমরা নেই, তাহলে সেটি কোনো উড়ো খবরের মাধ্যমে আসবে না, অবশ্যই সেখানে আমরা অফিশিয়ালি এ রকম কোনো প্রেস কনফারেন্স যেখানে আপনারা সবাই উপস্থিত থাকবেন সে রকম অনুষ্ঠান করে করা হবে।’

পরে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর থেকেও পদত্যাগ কিংবা পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার খবরকে অসত্য, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করা হয়। প্রতিমন্ত্রীর প্রেস কর্মকর্তা মাহফুজ কবির মুক্তা রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিবাদ জানান।

এর আগে পদত্যাগ করেন ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি
ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার খবরের আগে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের নাম আসায় বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিকে পদ ছাড়তে হয়েছিল।

গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে হামলা, লুটপাট ও ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মিষ্টির ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত স্থানীয় বিএনপি ও যুবদলের কয়েকজনের নাম সামনে আসে। ঘটনা নিয়ে সরকার ও দলের ভেতরে অস্বস্তি তৈরি হয়। মিষ্টির রাজনৈতিক দায় নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। যদিও হামলা ও ভাঙচুরে নিজের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনার পর গত ১ অক্টোবর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন মিষ্টি। পরে তাঁর আসন শূন্য ঘোষণা করে সংসদ সচিবালয়।

মিষ্টির পদত্যাগের প্রায় আড়াই সপ্তাহের মধ্যে এবার অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নিয়ে বিতর্কের জেরে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে মন্ত্রিসভা ছাড়ার নির্দেশ দেওয়ার খবর সামনে এল। তবে ইশরাক ও তাঁর দপ্তর এ খবর অস্বীকার করায় বিষয়টি নিয়ে সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থান স্পষ্ট হওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
সানা/আপ্র/১৯/১০/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুনে নিখোঁজ ছয় স্বজন, নন্দীপাড়ায় শোকের মাতম
১৮ অক্টোবর ২০২৬

কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুনে নিখোঁজ ছয় স্বজন, নন্দীপাড়ায় শোকের মাতম

ঢাকার পশ্চিম নন্দীপাড়ার মদীনা গলির ছয়তলা বাড়িজুড়ে শোকের মাতম। কান্না আর বিলাপে ভারী হয়ে উঠেছে পরিবেশ...

আত্মরক্ষার্থে অস্ত্র উঁচিয়েছিলেন, দাবি প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের
১৮ অক্টোবর ২০২৬

আত্মরক্ষার্থে অস্ত্র উঁচিয়েছিলেন, দাবি প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের

রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নেওয়ার সময় আগ্নেয়াস্ত্র হাতে থাকার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে...

সাইবার সুরক্ষা আইনে হাত বাঁধলে সরকারকেই মাশুল দিতে হবে
১৮ অক্টোবর ২০২৬

সাইবার সুরক্ষা আইনে হাত বাঁধলে সরকারকেই মাশুল দিতে হবে

সরকারের সমালোচনা বন্ধ করতে আইন করা হলেও ক্ষমতা হারানোর পর সেই আইনই অন্যায়ের হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে বল...

ঋণগ্রস্ত দেশের ৪৭ শতাংশের বেশি পরিবার, আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি
১৮ অক্টোবর ২০২৬

ঋণগ্রস্ত দেশের ৪৭ শতাংশের বেশি পরিবার, আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি

নিত্যপণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি ও আয়ের তুলনায় জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় আর্থিক সংকটে পড়েছে দেশের...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিশ্বের কোথাও নেই: রাষ্ট্রপতি

বাংলাদেশে বিদ্যমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত বিশ্বের অন্য কোথাও নেই বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, বিশ্বজুড়ে যখন হানাহানি ও হিংসার আগুন জ্বলছে, তখন বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ দুর্গাপূজা উদযাপন করতে পারছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর) শারদীয় দুর্গোৎসব ও বিজয়া দশমী ২০২৬ উপলক্ষ্যে ঢাকার রমনা কালীমন্দির পরিদর্শনকালে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। প্রিয় পাঠক, আপনি কি রাষ্ট্রপতির এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 59 মিনিট আগে