গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬

মেনু

সাংবাদিক দম্পতি শাকিল-রূপাকে সম্পদ বিবরণীর নির্দেশ

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০:৫১ পিএম, ২৩ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ২১:২৯ এএম ২০২৬
সাংবাদিক দম্পতি শাকিল-রূপাকে সম্পদ বিবরণীর নির্দেশ
ছবি

সাংবাদিক দম্পতি শাকিল আহমেদ ও ফারজানা রূপা -ফাইল ছবি

কারাবন্দি সাংবাদিক দম্পতি শাকিল আহমেদ ও ফারজানা রূপাকে পৃথকভাবে সম্পদ বিবরণী জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আদেশ পাওয়ার পর ২১ কার্যদিবসের মধ্যে তাঁদের নিজেদের, স্বামী বা স্ত্রী এবং নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে থাকা স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, দায়দেনা, আয়ের উৎস ও সম্পদ অর্জনের বিস্তারিত তথ্য জমা দিতে হবে।

রোববার (২৩ আগস্ট) দুদকের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, কমিশনের পরিচালক এস এম এম আখতার হামিদ ভূঁইয়া রোববার পৃথক দুটি আদেশে সই করেন। কমিশনের বিশেষ অনুসন্ধান ও তদন্ত-২ শাখা থেকে এ আদেশ জারি করা হয়।

শাকিল আহমেদের কাছে আদেশটি গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপারের মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়া হবে। আর ফারজানা রূপার কাছে আদেশ পাঠানো হবে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপারের মাধ্যমে।

দুদকের কর্মকর্তারা জানান, প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে অনুসন্ধান করে কমিশনের ‘স্থির বিশ্বাস’ হয়েছে যে, শাকিল আহমেদ ও ফারজানা রূপা জ্ঞাত আয়ের বাইরে নিজেদের নামে অথবা বেনামে বিপুল পরিমাণ সম্পদ বা সম্পত্তির মালিক হয়েছেন।

আদেশ অনুযায়ী, শাকিল আহমেদকে নিজের, স্ত্রী এবং তাঁর ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে বা বেনামে অর্জিত স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, দায়দেনা, আয়ের উৎস ও সম্পদ অর্জনের বিস্তারিত বিবরণ দিতে হবে। একইভাবে ফারজানা রূপাকে নিজের, স্বামী এবং নির্ভরশীল ব্যক্তিদের সম্পদ ও দায়দেনার হিসাব জমা দিতে হবে।

দুজনকেই দুদকের নির্ধারিত ছকে এসব তথ্য দিতে হবে। প্রয়োজনে নির্ধারিত ফরমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সহায়ক কাগজপত্রও জমা দিতে হবে।

ঠিকানায় গিয়ে পাওয়া যায়নি: দুদকের অভ্যন্তরীণ নথি অনুযায়ী, প্রথমে তাঁদের দেওয়া ঠিকানায় সম্পদ বিবরণীর আদেশ পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এ দায়িত্ব দেওয়া হয় দুদকের কনস্টেবল মো. জুয়েলকে। তবে সংশ্লিষ্ট ঠিকানায় গিয়ে শাকিল ও ফারজানা কাউকেই পাওয়া যায়নি। পরে সম্পদ বিবরণীর মূল ফরমসহ আদেশ দুদকে ফেরত দেন ওই কনস্টেবল।

পরে দুদক জানতে পারে, শাকিল আহমেদ গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে এবং ফারজানা রূপা মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দি রয়েছেন। এ কারণে কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তাঁদের কাছে আদেশ পৌঁছানোর সিদ্ধান্ত নেয় দুদক।

কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তাঁরা যেদিন আদেশ গ্রহণ করবেন, সেদিন থেকেই ২১ কার্যদিবসের সময় গণনা করা হবে।

দুদকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২১ আগস্ট দেশের বাইরে যাওয়ার সময় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফারজানা রূপা ও শাকিল আহমেদকে গ্রেফতার করা হয়। শাকিল আহমেদ তেজগাঁও থানার মামলায় গ্রেফতার হয়ে কাশিমপুর কারাগারে রয়েছেন। ফারজানা রূপা যাত্রাবাড়ী থানার মামলায় গ্রেফতার হয়ে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে আছেন।

শাকিল আহমেদ একাত্তর টেলিভিশনের বার্তাপ্রধান এবং ফারজানা রূপা একই প্রতিষ্ঠানের প্রধান প্রতিবেদক ও উপস্থাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট তাঁদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর ২১ আগস্ট বিমানবন্দর থেকে তাঁদের আটক করা হয়।
সানা/ডিসি/আপ্র/২৩/৮/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

গুম-খুন-নির্যাতনের শিকারদের জন্য হচ্ছে নতুন অধিদপ্তর
২৩ আগস্ট ২০২৬

গুম-খুন-নির্যাতনের শিকারদের জন্য হচ্ছে নতুন অধিদপ্তর

গুম, খুন, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তি এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কল্যাণ, সুচিক...

দুই ডিআইজিকে এনএসআইয়ে বদলি
২৩ আগস্ট ২০২৬

দুই ডিআইজিকে এনএসআইয়ে বদলি

পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) পদমর্যাদার দুই কর্মকর্তাকে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তরে (এনএসআই...

ব্যবস্থাপনা পদে কর্মীদের শ্রমিক না বলার বৈধতা নিয়ে রুল
২৩ আগস্ট ২০২৬

ব্যবস্থাপনা পদে কর্মীদের শ্রমিক না বলার বৈধতা নিয়ে রুল

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা, প্রশাসনিক ও তদারকি পদে কর্মরত ব্যক্তিদের ‘মালিক’ হিসেবে গণ্য করে...

২৫ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের মামলা
২৩ আগস্ট ২০২৬

২৫ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের মামলা

খাদ্যে ভেজাল, অনিয়ম ও নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনায় নানা অসংগতির বিরুদ্ধে চলমান অভিযানে এক সপ্তাহে দেশের...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

চাঁদাবাজদের সঙ্গে পুলিশ জড়িত থাকলেও তালিকা হবে

সারাদেশে চাঁদাবাজদের তালিকা তৈরির পাশাপাশি এ ধরনের অপকর্মের সঙ্গে জড়িত পুলিশ সদস্যদেরও তালিকা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে ঢাকা মহানগরসহ দেশের সব মহানগর এলাকায় চিহ্নিত চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। তাঁদের ধরতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মন্ত্রী। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন মন্ত্রীর এই বক্তব্যে চাঁদাবাজিসহ অপরাধ কমবে?

মোট ভোট: ০ | শেষ আপডেট: 18 ঘন্টা আগে