গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

মেনু

বর্ষায় কাঠের আসবাবে ছত্রাক ঠেকাবেন যেভাবে

লাইফস্টাইল ডেস্ক

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭:৪১ পিএম, ২২ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১৮:২৮ এএম ২০২৬
বর্ষায় কাঠের আসবাবে ছত্রাক ঠেকাবেন যেভাবে
ছবি

ছবি সংগৃহীত

বর্ষাকালে বাতাসে আর্দ্রতা বেড়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় ঘরের কাঠের আসবাবপত্র। আলমারি, টেবিল, চেয়ার, সোফা কিংবা কাঠের তাক থেকে ভ্যাপসা গন্ধ বের হওয়া, সাদা বা কালচে ছত্রাকের দাগ পড়া এবং কাঠের রং ও পালিশ নষ্ট হওয়া এ সময়ের সাধারণ সমস্যা। সময়মতো যত্ন না নিলে আসবাবপত্রের স্থায়িত্বও কমে যেতে পারে। তাই বর্ষার শুরু থেকেই নিয়মিত পরিচর্যা জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কাঠ, কাপড় ও ফোমজাতীয় উপকরণ সহজেই বাতাসের আর্দ্রতা শোষণ করে। বর্ষাকালে ঘরে পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের অভাবে সেই আর্দ্রতা দীর্ঘ সময় জমে থাকায় ছত্রাক, ব্যাকটেরিয়া এমনকি পোকামাকড়েরও আক্রমণ হতে পারে। এর ফলেই তৈরি হয় দুর্গন্ধ এবং ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত হয় আসবাবের গঠন।

কাঠের আসবাবে ছত্রাকের দাগ দেখা দিলে প্রথমে নরম ব্রাশ বা শুকনো মাইক্রোফাইবার কাপড় দিয়ে আলতোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। অতিরিক্ত জোরে ঘষা উচিত নয়, এতে কাঠের পালিশ নষ্ট হতে পারে। প্রয়োজন হলে হালকা সাবান মেশানো পানিতে ভেজানো কাপড় দিয়ে দাগ মুছে সঙ্গে সঙ্গে শুকনো কাপড় দিয়ে ভালোভাবে মুছে নিতে হবে। চাইলে কাঠের জন্য নির্ধারিত বিশেষ পরিষ্কারকও ব্যবহার করা যেতে পারে।

সোফা, কুশন বা কাপড়ে মোড়ানো আসবাব পরিষ্কারে পানি ব্যবহার না করাই ভালো। এতে ভেতরে আর্দ্রতা জমে দুর্গন্ধ ও ছত্রাকের ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। এর পরিবর্তে নিয়মিত ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ব্যবহার বা শুকনো কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করাই বেশি কার্যকর।

বর্ষাকালে ঘরের ভেতরে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস চলাচল নিশ্চিত করাও জরুরি। দিনের বেলা কিছু সময়ের জন্য আলমারি, ড্রয়ার ও ক্যাবিনেটের দরজা খুলে রাখা এবং প্রয়োজনে ফ্যান বা শীতাতপ নিয়ন্ত্রণযন্ত্র চালালে স্যাঁতসেঁতে ভাব কমে যায়। এতে ভ্যাপসা গন্ধও অনেকটা নিয়ন্ত্রণে থাকে।

ছোট আকারের কাঠের আসবাব এমন স্থানে রাখা ভালো, যেখানে প্রাকৃতিক আলো ও বাতাস বেশি পৌঁছায়। একই জায়গায় দীর্ঘদিন স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে রাখলে আর্দ্রতা আরও বেশি জমে ক্ষতির আশঙ্কা বাড়ে।

কাঠের আসবাব সরাসরি টাইলস বা মার্বেল মেঝেতে না রেখে নিচে রাবারের ক্যাপ, ফেল্ট প্যাড বা কাঠের ছোট ব্লক ব্যবহার করলে মেঝে থেকে আর্দ্রতা শোষণ কম হয় এবং ছত্রাকের ঝুঁকিও হ্রাস পায়।

এ ছাড়া বর্ষাকালে প্রতিদিন ভেজা কাপড় দিয়ে কাঠের আসবাব মুছে ফেলার অভ্যাস এড়িয়ে চলা উচিত। এর বদলে শুকনো বা মাইক্রোফাইবার কাপড় ব্যবহার করলে ধুলাবালি পরিষ্কার হওয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত আর্দ্রতাও জমতে পারে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, পর্যাপ্ত আলো-বাতাস এবং আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণে রাখার মতো কয়েকটি সহজ অভ্যাস অনুসরণ করলেই বর্ষাজুড়ে কাঠের আসবাবপত্র ভালো থাকবে, দুর্গন্ধ ও ছত্রাকের ঝুঁকিও অনেকটাই কমে যাবে।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে ও অন্যান্য

এসি/আপ্র/২২/০৭/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

অতিরিক্ত আনন্দেও বাড়তে পারে হৃদরোগের ঝুঁকি
২১ জুলাই ২০২৬

অতিরিক্ত আনন্দেও বাড়তে পারে হৃদরোগের ঝুঁকি

বিয়ে, সন্তানের সাফল্য, বহুদিনের প্রতীক্ষিত সুখবর, লটারিতে জয় কিংবা প্রিয় দলের বিশ্বকাপ জয়ের উচ্ছ্বাস...

কথার জাদু নয়, কাজেও প্রমাণ দিতে হবে
২০ জুলাই ২০২৬

কথার জাদু নয়, কাজেও প্রমাণ দিতে হবে

ড. হারুন রশীদ    অনেক দিন আগে কবি কুসুমকুমারী দাশ লিখেছিলেন- ‘আমাদের দেশে হবে সে...

বর্তমানে ঘরভর্তি মানুষ থাকলেও হারিয়ে গেছে পারিবারিক বন্ধন
২০ জুলাই ২০২৬

বর্তমানে ঘরভর্তি মানুষ থাকলেও হারিয়ে গেছে পারিবারিক বন্ধন

মা-বাবা, ভাই-বোন আর সন্তান মিলেই সৃষ্টি হয় পরিবার। এক সময় পরিবারের সদস্যদের দিনের গল্প শুরু হতো একসঙ...

বাংলাদেশে স্বল্প বাজেটে পুষ্টির চাহিদা মেটায় ব্রয়লার মুরগি
২০ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশে স্বল্প বাজেটে পুষ্টির চাহিদা মেটায় ব্রয়লার মুরগি

(২)(সেকেন্ড লিড)লাইফস্টাইল ডেস্ক: সকালের কাঁচাবাজার হোক কিংবা সন্ধ্যার সুপারশপ, মাংসের কাউন্টারে সবচ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

জামায়াত এমপির বিয়ে নিয়ে বিতর্ক, বায়োডাটায় নতুন প্রশ্ন

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামের ব্যক্তিগত মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তাঁর দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সংসদ সদস্য দাবি করেছেন, ভিডিওতে থাকা তরুণী তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী। তবে তাঁর দাবিকৃত বিয়ের পাঁচ দিন পর স্বাক্ষর করা একটি বায়োডাটায় ওই তরুণীর বৈবাহিক অবস্থা ‘অবিবাহিত’ উল্লেখ থাকায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন যে, এমপির দাবি ন্যায়সঙ্গত?

মোট ভোট: ০ | শেষ আপডেট: 3 ঘন্টা আগে