গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

বর্ষায় কাঠের আসবাবে ছত্রাক ঠেকাবেন যেভাবে

লাইফস্টাইল ডেস্ক

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭:৪১ পিএম, ২২ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ০৫:৪৫ এএম ২০২৬
বর্ষায় কাঠের আসবাবে ছত্রাক ঠেকাবেন যেভাবে
ছবি

ছবি সংগৃহীত

বর্ষাকালে বাতাসে আর্দ্রতা বেড়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় ঘরের কাঠের আসবাবপত্র। আলমারি, টেবিল, চেয়ার, সোফা কিংবা কাঠের তাক থেকে ভ্যাপসা গন্ধ বের হওয়া, সাদা বা কালচে ছত্রাকের দাগ পড়া এবং কাঠের রং ও পালিশ নষ্ট হওয়া এ সময়ের সাধারণ সমস্যা। সময়মতো যত্ন না নিলে আসবাবপত্রের স্থায়িত্বও কমে যেতে পারে। তাই বর্ষার শুরু থেকেই নিয়মিত পরিচর্যা জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কাঠ, কাপড় ও ফোমজাতীয় উপকরণ সহজেই বাতাসের আর্দ্রতা শোষণ করে। বর্ষাকালে ঘরে পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের অভাবে সেই আর্দ্রতা দীর্ঘ সময় জমে থাকায় ছত্রাক, ব্যাকটেরিয়া এমনকি পোকামাকড়েরও আক্রমণ হতে পারে। এর ফলেই তৈরি হয় দুর্গন্ধ এবং ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত হয় আসবাবের গঠন।

কাঠের আসবাবে ছত্রাকের দাগ দেখা দিলে প্রথমে নরম ব্রাশ বা শুকনো মাইক্রোফাইবার কাপড় দিয়ে আলতোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। অতিরিক্ত জোরে ঘষা উচিত নয়, এতে কাঠের পালিশ নষ্ট হতে পারে। প্রয়োজন হলে হালকা সাবান মেশানো পানিতে ভেজানো কাপড় দিয়ে দাগ মুছে সঙ্গে সঙ্গে শুকনো কাপড় দিয়ে ভালোভাবে মুছে নিতে হবে। চাইলে কাঠের জন্য নির্ধারিত বিশেষ পরিষ্কারকও ব্যবহার করা যেতে পারে।

সোফা, কুশন বা কাপড়ে মোড়ানো আসবাব পরিষ্কারে পানি ব্যবহার না করাই ভালো। এতে ভেতরে আর্দ্রতা জমে দুর্গন্ধ ও ছত্রাকের ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। এর পরিবর্তে নিয়মিত ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ব্যবহার বা শুকনো কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করাই বেশি কার্যকর।

বর্ষাকালে ঘরের ভেতরে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস চলাচল নিশ্চিত করাও জরুরি। দিনের বেলা কিছু সময়ের জন্য আলমারি, ড্রয়ার ও ক্যাবিনেটের দরজা খুলে রাখা এবং প্রয়োজনে ফ্যান বা শীতাতপ নিয়ন্ত্রণযন্ত্র চালালে স্যাঁতসেঁতে ভাব কমে যায়। এতে ভ্যাপসা গন্ধও অনেকটা নিয়ন্ত্রণে থাকে।

ছোট আকারের কাঠের আসবাব এমন স্থানে রাখা ভালো, যেখানে প্রাকৃতিক আলো ও বাতাস বেশি পৌঁছায়। একই জায়গায় দীর্ঘদিন স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে রাখলে আর্দ্রতা আরও বেশি জমে ক্ষতির আশঙ্কা বাড়ে।

কাঠের আসবাব সরাসরি টাইলস বা মার্বেল মেঝেতে না রেখে নিচে রাবারের ক্যাপ, ফেল্ট প্যাড বা কাঠের ছোট ব্লক ব্যবহার করলে মেঝে থেকে আর্দ্রতা শোষণ কম হয় এবং ছত্রাকের ঝুঁকিও হ্রাস পায়।

এ ছাড়া বর্ষাকালে প্রতিদিন ভেজা কাপড় দিয়ে কাঠের আসবাব মুছে ফেলার অভ্যাস এড়িয়ে চলা উচিত। এর বদলে শুকনো বা মাইক্রোফাইবার কাপড় ব্যবহার করলে ধুলাবালি পরিষ্কার হওয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত আর্দ্রতাও জমতে পারে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, পর্যাপ্ত আলো-বাতাস এবং আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণে রাখার মতো কয়েকটি সহজ অভ্যাস অনুসরণ করলেই বর্ষাজুড়ে কাঠের আসবাবপত্র ভালো থাকবে, দুর্গন্ধ ও ছত্রাকের ঝুঁকিও অনেকটাই কমে যাবে।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে ও অন্যান্য

এসি/আপ্র/২২/০৭/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

সঙ্গীকে প্রতিদিন ১০ মিনিট সময় দিন, সম্পর্ক থাকবে উষ্ণ
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সঙ্গীকে প্রতিদিন ১০ মিনিট সময় দিন, সম্পর্ক থাকবে উষ্ণ

অফিসের চাপ, একের পর এক সভা, কাজের সময়সীমা ও পারিবারিক নানা দায়িত্ব—সব মিলিয়ে ব্যস্ত জীবনে সঙ্গীকে পর...

পেঁয়াজ-রসুনের খোসা ফেলে না দিয়ে কাজে লাগাবেন যেভাবে
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পেঁয়াজ-রসুনের খোসা ফেলে না দিয়ে কাজে লাগাবেন যেভাবে

প্রতিদিনের রান্নায় পেঁয়াজ ও রসুন অপরিহার্য উপকরণ। রান্নার প্রস্তুতি নিতে গিয়ে প্রতিদিনই এসবের বিপুল...

ইলিশের জালি কাবাবের রেসিপি
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইলিশের জালি কাবাবের রেসিপি

জালি কাবাব তো অনেক খেয়েছেন। মাংসের জালি কাবাব খেয়ে থাকলেও ইলিশ মাছ দিয়ে তৈরি জালি কাবাবের স্বাদ নিয়ে...

জ্বর হলে গোসল করা কি নিরাপদ!
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জ্বর হলে গোসল করা কি নিরাপদ!

জ্বর হলে গোসল করা যাবে কি না—এ নিয়ে অনেকের মধ্যেই দ্বিধা থাকে। প্রচলিত ধারণায় কেউ কেউ মনে করেন, জ্বর...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

প্রধানমন্ত্রীর দেড়শ টাকার খাবারের দাওয়াত পেলেন বিরোধীদলীয় নেতা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দুপুরের খাবারের খরচ ১০০ থেকে ১৫০ টাকা—এমন ব্যয়ের প্রশংসা করায় বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানকে সেই খাবার খাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে কার্যপ্রণালিবিধির ৬৮ বিধির আলোচনার একপর্যায়ে এ ঘটনা ঘটে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দুপুরের খাবারের খরচ ১০০ থেকে ১৫০ টাকা—এমন ব্যয়ের প্রশংসা করায় বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানকে সেই খাবার খাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে কার্যপ্রণালিবিধির ৬৮ বিধির আলোচনার একপর্যায়ে এ ঘটনা ঘটে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন প্রধান দুই দলের প্রধানদের এমন আচরণের ইতিবাচক প্রভাব দেশের রাজনীতিতে পড়বে ?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে