গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে তেলের দাম ১০০ ডলারের কাছাকাছি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪:১৬ পিএম, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১৫:০৬ এএম ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে তেলের দাম ১০০ ডলারের কাছাকাছি
ছবি

ছবি সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন করে সংঘাতের প্রভাবে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম দ্রুত বাড়ছে। বুধবার আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১ দশমিক ৫৫ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৯ দশমিক ৪৪ মার্কিন ডলারে উঠেছে। ফলে তেলের দাম ১০০ ডলারের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের অক্টোবর সরবরাহের ফিউচার ১ দশমিক ৭৫ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৪ দশমিক ৬৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি সরবরাহ আরো ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল ও তেল পরিবহন নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনী মঙ্গলবার পাঁচটি ইরানি অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজ ধ্বংসের দাবি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ইরানের হামলার চেষ্টার জবাবে এ অভিযান চালানো হয়েছে। তবে মার্কিন যুদ্ধজাহাজটি হামলা এড়িয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

ঘটনার পর মধ্যপ্রাচ্যে জাহাজ চলাচল ও তেল সরবরাহ নিয়ে বাজারে উদ্বেগ আরো বেড়েছে। সরবরাহে দীর্ঘস্থায়ী বিঘ্ন দেখা দিলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

১২০ ডলারে উঠতে পারে তেলের দাম

মার্কিন–ইরান সংঘাত সপ্তম মাসে গড়িয়েছে। এর মধ্যে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা বাড়তে থাকায় তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১২০ ডলারের ওপরে উঠে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন গোল্ডম্যান স্যাকসের বৈশ্বিক পণ্যবাজার গবেষণার সহপ্রধান ড্যান স্ট্রুইভেন।

সিএনবিসির এক অনুষ্ঠানে তেলের দাম ১২০ ডলারে পৌঁছাতে পারে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতি অবশ্যই সম্ভব।

প্রতিষ্ঠানটির ধারণা, বিকল্প নৌপথ ব্যবহারসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়ার মাধ্যমে পারস্য উপসাগর থেকে তেল রপ্তানি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে পারে। পাশাপাশি অতিরিক্ত পাইপলাইন সক্ষমতাও সরবরাহ পরিস্থিতি সামাল দিতে ভূমিকা রাখতে পারে।

বাড়ছে সরবরাহ সংকটের ঝুঁকি

স্ট্রুইভেনের মতে, সাম্প্রতিক সংঘাত পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলেছে। আগামী কয়েক মাসে তেল রপ্তানি স্বাভাবিক না হওয়ার ঝুঁকি বেড়েছে। বিশেষ করে জাহাজে হামলার পরিধি ও তীব্রতা বাড়লে তেল সরবরাহ দীর্ঘ সময় ধরে ব্যাহত হতে পারে।

এমন পরিস্থিতিতে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১২০ ডলারের ওপরে উঠে যাওয়ার আশঙ্কা আরো জোরালো হতে পারে।

সূত্র: সিএনবিসি

এসি/আপ্র/০৯/০৯/২০২৬

 

 

সংশ্লিষ্ট খবর

১৩ মার্কিন বিমানবন্দরে টিকিট ছাড়াই টার্মিনালে প্রবেশের সুযোগ
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

১৩ মার্কিন বিমানবন্দরে টিকিট ছাড়াই টার্মিনালে প্রবেশের সুযোগ

যুক্তরাষ্ট্রের ১৩টি বিমানবন্দরে টিকিট না থাকা দর্শনার্থীদের জন্য টার্মিনালের ভেতরে প্রবেশের সুযোগ চা...

পরোক্ষ ধূমপানে ২০২৩ সালে প্রায় ১৭ লাখ মানুষের মৃত্যু
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরোক্ষ ধূমপানে ২০২৩ সালে প্রায় ১৭ লাখ মানুষের মৃত্যু

নিজে ধূমপান না করেও ধোঁয়ার বিষ থেকে রেহাই নেই। অন্যের ধূমপানের ধোঁয়া নিঃশ্বাসের সঙ্গে গ্রহণ করেই ব...

৩৩ বছর পর জানা গেল মামলার বাদী ছিলেন মৃত
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

৩৩ বছর পর জানা গেল মামলার বাদী ছিলেন মৃত

ভারতের কর্ণাটক হাইকোর্টে একটি জমি-সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে ৩৩ বছর পর সামনে এসেছে বিস্ময়কর এক আইনি অ...

হ্যারি-মেগানের রাজপরিবারের নতুন মর্যাদা জানালেন চার্লস
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হ্যারি-মেগানের রাজপরিবারের নতুন মর্যাদা জানালেন চার্লস

যুক্তরাষ্ট্র থেকে সম্প্রতি যুক্তরাজ্যে ফিরেছেন প্রিন্স হ্যারি ও তার স্ত্রী মেগান মার্কেল। তবে দেশে ফ...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

প্রধানমন্ত্রীর দেড়শ টাকার খাবারের দাওয়াত পেলেন বিরোধীদলীয় নেতা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দুপুরের খাবারের খরচ ১০০ থেকে ১৫০ টাকা—এমন ব্যয়ের প্রশংসা করায় বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানকে সেই খাবার খাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে কার্যপ্রণালিবিধির ৬৮ বিধির আলোচনার একপর্যায়ে এ ঘটনা ঘটে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দুপুরের খাবারের খরচ ১০০ থেকে ১৫০ টাকা—এমন ব্যয়ের প্রশংসা করায় বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানকে সেই খাবার খাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে কার্যপ্রণালিবিধির ৬৮ বিধির আলোচনার একপর্যায়ে এ ঘটনা ঘটে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন প্রধান দুই দলের প্রধানদের এমন আচরণের ইতিবাচক প্রভাব দেশের রাজনীতিতে পড়বে ?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে