গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

দুর্গাপূজা উপলক্ষে ইলিশ চায় ভারত

নিজেস্ব প্রতিবেদক

নিজেস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২:২৮ পিএম, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১৩:২৩ এএম ২০২৬
দুর্গাপূজা উপলক্ষে ইলিশ চায় ভারত
ছবি

ছবি সংগৃহীত

আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে এবার বাংলাদেশের ইলিশ চেয়ে আবেদন জানিয়েছেন ভারতের ব্যবসায়ীরা। ইলিশ পাঠানোর অনুমতি চেয়ে বাংলাদেশ সরকারের কাছে চিঠি দিয়েছে ভারতের ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও ভারতের এই ব্যবসায়ী সংগঠন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পৃথকভাবে চিঠি পাঠিয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, পূজা উপলক্ষে ইলিশ মাছ রপ্তানির বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখা হচ্ছে। তবে কী পরিমাণ ইলিশ রপ্তানি করা হবে, তা এখনো ঠিক হয়নি।

এদিকে এরই মধ্যে বাংলাদেশের ১৮ প্রতিষ্ঠান ভারতে ইলিশ রপ্তানির জন্য আবেদন জানিয়েছে। সেগুলো যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় চিঠি পাঠাবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

এ বিষয়ে বাণিজ্যসচিব আতাউর রহমান খান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ভারতীয় ব্যবসায়ীদের চিঠি পেয়েছি। তবে কী পরিমাণ ইলিশ রপ্তানি করা যায়, তা মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করা হবে।

ভারতীয় ব্যবসায়ীদের চিঠিতে বলা হয়, ১৯৯৬ সালের পর থেকে প্রতি বছর গড়ে পাঁচ হাজার টন ইলিশ ভারতে রপ্তানি হচ্ছিল। কিন্তু ২০১২ সালের পর থেকে অজ্ঞাত কারণে রপ্তানি বন্ধ হয়ে যায়। পরে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশ সরকার কেবল দুর্গাপূজার সময় নির্দিষ্ট এক মাসের জন্য ইলিশ রপ্তানির বিশেষ অনুমতি দিয়ে আসছে। তবে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মতে, এই স্বল্পমেয়াদি ও সীমিত অনুমতি শেষ পর্যন্ত কার্যকর কোনো সুফল বয়ে আনে না।

চিঠিতে আরো বলা হয়েছে, প্রতি বছর সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হলেও এবার তা আরো আগে দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

তথ্য বলছে, ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে দীর্ঘ বিরতির পর ভারতে ৫০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ। এরপর ২০২০ সালে ১ হাজার ৮৫০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হলেও পরিমাণ অনুযায়ী রপ্তানি হয়নি। ২০২১ সালে ৪ হাজার ৬০০ টন অনুমোদনের বিপরীতে ভারতে পাঠানো হয় ১ হাজার ২০০ টন ইলিশ।

২০২২ সালে ২ হাজার ৯০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তবে বাস্তবে রপ্তানি হয়েছে ১ হাজার ৩০০ টন। ২০২৩ সালে ৩ হাজার ৯৫০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হলেও ভারতে গেছে ১ হাজার ৩০০ টন। ২০২৫ সালে ২ হাজার ৪২০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হলেও রপ্তানি হয়েছে মাত্র ৫৭৭ টন। সর্বশেষ গত বছর ১ হাজার ২০০ টন রপ্তানির অনুমোদনের বিপরীতে ভারতে গেছে মাত্র ১৫০ টন ইলিশ।

এসি/আপ্র/০৯/০৯/২০২৬

 

 

সংশ্লিষ্ট খবর

পাঁচ মাসে রেকর্ড বিদেশি ঋণ পরিশোধ সরকারের
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পাঁচ মাসে রেকর্ড বিদেশি ঋণ পরিশোধ সরকারের

দায়িত্ব নেওয়ার পাঁচ মাসে রেকর্ড পরিমাণ বিদেশি ঋণ পরিশোধ করেছে সরকার। চলতি বছরের মার্চ থেকে জুলাই পর্...

বকেয়া পাওনা আদায়ে এনবিআরের সামনে গ্রামীণফোন কর্মীরা
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বকেয়া পাওনা আদায়ে এনবিআরের সামনে গ্রামীণফোন কর্মীরা

বকেয়া পাওনা আদায়ের দাবিতে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ভবনের সামনে মানববন্ধন কর...

নিলামে পণ্য বিক্রি করে ৬০০ কোটি টাকা আয় কাস্টমসের
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিলামে পণ্য বিক্রি করে ৬০০ কোটি টাকা আয় কাস্টমসের

অনলাইন ও প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সাড়ে পাঁচ বছরে পণ্...

দুই মাসে রপ্তানি আয় ছাড়ালো সাড়ে ৭ বিলিয়ন ডলার
০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুই মাসে রপ্তানি আয় ছাড়ালো সাড়ে ৭ বিলিয়ন ডলার

জ্বালানি সংকট ও বিনিয়োগ খরার মধ্যেও রপ্তানি খাতে ইতিবাচক ধারা দেখা দিয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

প্রধানমন্ত্রীর দেড়শ টাকার খাবারের দাওয়াত পেলেন বিরোধীদলীয় নেতা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দুপুরের খাবারের খরচ ১০০ থেকে ১৫০ টাকা—এমন ব্যয়ের প্রশংসা করায় বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানকে সেই খাবার খাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে কার্যপ্রণালিবিধির ৬৮ বিধির আলোচনার একপর্যায়ে এ ঘটনা ঘটে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দুপুরের খাবারের খরচ ১০০ থেকে ১৫০ টাকা—এমন ব্যয়ের প্রশংসা করায় বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানকে সেই খাবার খাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে কার্যপ্রণালিবিধির ৬৮ বিধির আলোচনার একপর্যায়ে এ ঘটনা ঘটে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন প্রধান দুই দলের প্রধানদের এমন আচরণের ইতিবাচক প্রভাব দেশের রাজনীতিতে পড়বে ?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে