গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

মেনু

শীতকালে কতটুকু পানি পান করা উচিত?

লাইফস্টাইল ডেস্ক

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:০৩ পিএম, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ২১:০২ এএম ২০২৬
শীতকালে কতটুকু পানি পান করা উচিত?
ছবি

ছবি সংগৃহীত

শীতকাল এলে পানির সঙ্গে আড়ি করেন অনেকেই। পানি পানের পরিমাণও কমিয়ে দেন। মনে করেন, পানি কম খেলে, বাথরুমে কম যেতে হবে। আবার কেউ কেউ মনে করেন, যতই শীত পড়ুক অন্তত ৩/৪ লিটার পানি খেতেই হবে। নয়তো শরীর ডিহাইড্রেট হয়ে যেতে পারে। কিন্তু আসল সত্য কোনটি? শীতে কতটুকু পানি পান করা উচিত?


শীতে এমনিই ঘামের পরিমাণ অনেকটা কমে যায়। অনেকের ঘাম হয় না বললেই চলে। আর তাই শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বের হওয়ার রাস্তা কেবল একটাই। তা হলো টয়লেট। শীতে ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ পাওয়ার প্রবণতা দেখা দেয় এই কারণেই।


ইউরোলজিস্টের মতে, বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে শীতকালে বার বার বাথরুমে যাওয়ার প্রবণতা বেশি দেখা যায়। অনেক সময় বেগ নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। এছাড়া এই সময় কফি-চা খাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়। তাই এসময় একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির দেড় থেকে দুই লিটার পানি পান করার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে অনেকের শীতেও ঘাম হয়। তাদের বেশি পানি পান করতে হয়।


শীতে পানি কম খেলে কোনো সমস্যা হতে পারে?


সাধারণত এমন কোনো সমস্যা দেখা যায় না। গরমকালে আমাদের শরীরে ঘামের মাধ্যমে যতটা পানি বেরিয়ে যায়, শীতকালে তা প্রায় শূন্য হয়ে যায়। তবে কেউ যদি প্রচণ্ড শারীরিক পরিশ্রম করেন বা ব্যায়াম করেন বা এমন কোনো কাজ করেন যেখানে অত্যন্ত ঘাম হচ্ছে, তাহলে তাদের অবশ্যই পানি বেশি খেতে হবে।


সাধারণত কতটুকু পানি পান করা উচিত?


শীতে পানি কম খাওয়া হবে না কি বেশি তা সম্পূর্ণ নির্ভর করে স্থান, কাল, পাত্র ভেদে। মানে ঠান্ডার দেশে সাধারণ পানি খাওয়ার মাত্রা আর আমাদের দেশের মতো আর্দ্র জায়গায় পানি খাওয়ার প্রয়োজনীয়তা কখনও এক হতে পারে না। আমাদের দেশের জলবায়ু অনুযায়ী দিনে ৩-৪ লিটার পানি পান করা উচিত। শীতে সামান্য কম খেলেও চলবে।


পানি কম খেলে কী কিডনি স্টোন হওয়ার প্রবণতা বাড়ে?


কিডনিতে পাথর তৈরি হওয়ার বিষয়টি আসলে ডিহাইড্রেশনের ওপর নির্ভর করে। শরীরে ডিহাইড্রেশন হলে, সেখান থেকেই কিডনিতে পাথর হয়। আপনি কতক্ষণ রোদে ঘুরছেন, কতটা ঘাম হচ্ছে, কতটা পানি খাচ্ছেন, সেই অনুপাতের ওপর নির্ভর করে ডিহাইড্রেশন হবে কি না সেটা।


ডিহাইড্রেশন হচ্ছে কি না বুঝবেন কীভাবে?


বেশ কয়েকটি লক্ষণ দেখলে বোঝা যায় ডিহাইড্রেশন হয়েছে। যেই যেমন-


গাঢ় হলুদ প্রস্রাব


প্রস্রাবে তীব্র গন্ধ


অল্প কাজ করেও ক্লান্ত


মুখ, চামড়া, ঠোঁট শুকিয়ে যাওয়া


ঠোঁট ফাটাজিভ শুকিয়ে যাওয়া


মাথাব্যথা বা মাথা ঘোরার মতো সমস্যা


প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া


প্রস্রাবের সময় জ্বালা অনুভব করা


এসব লক্ষণ দেখা দিলে সতর্ক হন। এগুলো ডিহাইড্রেশনের উপসর্গ। এমনটা হলে পানি পানের পরিমাণ বাড়ান।


ওআ/আপ্র/১৭/১২/২০২৫

সংশ্লিষ্ট খবর

বজ্রপাতে নিজেকে নিরাপদ রাখবেন যেভাবে
২৮ এপ্রিল ২০২৬

বজ্রপাতে নিজেকে নিরাপদ রাখবেন যেভাবে

বর্ষা ও প্রাক-বর্ষা মৌসুমে বাংলাদেশে বজ্রপাতের ঝুঁকি বেড়ে যায়। প্রতি বছর বহু প্রাণহানির ঘটনা ঘটে, তা...

শোকের অতল গহ্বরে আটকে থাকা মানুষ
২৮ এপ্রিল ২০২৬

শোকের অতল গহ্বরে আটকে থাকা মানুষ

প্রিয়জন হারানোর শোক মানুষের জীবনের সবচেয়ে গভীর, সবচেয়ে কঠিন অভিজ্ঞতাগুলোর একটি। এই কষ্টের সঙ্গে কোনো...

করলা ভর্তা তৈরির রেসিপি জেনে নিন
২৬ এপ্রিল ২০২৬

করলা ভর্তা তৈরির রেসিপি জেনে নিন

করলা ভাজি তো খাওয়া হয়ই, আপনি কি কখনো গরম ভাতের সঙ্গে ঝাল ঝাল করলার ভর্তা খেয়েছেন? যারা তেতো স্বাদ খু...

মল বিক্রি হয় যে রেস্টুরেন্টে!
২৫ এপ্রিল ২০২৬

মল বিক্রি হয় যে রেস্টুরেন্টে!

শিরোনাম শুনে অস্বস্তি লাগতেই পারে—রেস্টুরেন্টে নাকি ‘মল’ বিক্রি হয়! তবে বাস্তবে বিষয়টি একেবারেই ভিন্...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

কোনো সক্রিয় জরিপ নেই