গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

ইথিওপিয়ায় ট্রাক দুর্ঘটনায় ২২ অভিবাসনপ্রত্যাশী নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:১৪ পিএম, ০৭ জানুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ১২:২২ এএম ২০২৬
ইথিওপিয়ায় ট্রাক দুর্ঘটনায় ২২ অভিবাসনপ্রত্যাশী নিহত
ছবি

ছবি সংগৃহীত

ইথিওপিয়ায় একটি কার্গো ট্রাক উল্টে যাওয়ার জেরে নিহত হয়েছেন সেখানে থাকা ২২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী এবং আহত হয়েছেন আরো ৬৫ জন। নিহত ও আহতরা সবাই ইথিওপিয়ার নাগরিক।

গতকাল মঙ্গলবার দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় আফার প্রদেশের সিমেরা শহরে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে আফার পুলিশ। এই নাগরিকরা চোরাই পথে অবৈধভাবে প্রতিবেশী দেশ জিবুতির উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন। যে এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে— সেটি জিবুতির সীমান্ত থেকে কয়েক শ’ কিলোমিটার দূরে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করা এক বার্তায় আফার পুলিশের জনসংযোগ বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ট্রাকটিতে শতাধিক নাগরিক ছিলেন। স্থানীয় মানবপাচার দালালদের দ্বারা বিভ্রান্ত হয়েছিলেন তারা এবং এই ভ্রমণরুটের বিপদ সম্পর্কে তাদের কোনো পূর্ব ধারণা ছিল না।

দুর্ঘটনা ঘটার কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেছে আফারের প্রাদেশিক সরকারের বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনী। আহতদের সবাইকে নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তাদের চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছে প্রাদেশিক সরকার। সেই সঙ্গে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হচ্ছে।

সোমালিয়া, ইথিওপিয়া, ইরিত্রিয়া এবং জিবুতি— পূর্ব আফ্রিকার এই চার দেশকে একত্রে বলা হয় ‘হর্ন অব আফ্রিকা’। ইথিওপিয়া, ইরিত্রিয়া স্থলবেষ্টিত দেশ হলেও সোমালিয়া ও জিবুতি তা নয়। জিবুতির লোহিত সাগরের উপকূল থেকে সাগরপথে ইয়েমেন কিংবা সৌদি আরবে পৌঁছানো সম্ভব।

মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে যাওয়া ইথিওপিয়ার অভিবাসনপ্রত্যাশীদের একটি বড় অংশের লক্ষ্য। এই লক্ষ্যপূরণে তারা প্রথমে জিবুতিতে যান, সেখান থেকে লোহিত সাগর পাড়ি দিয়ে পৌঁছান ইয়েমেনে, তারপর ইয়েমেন থেকে সৌদি আরব ও উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য দেশের উদ্দেশে রওনা হন তারা।

তবে ইথিওপীয় অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জিবুতি যাওয়ার জন্য মানবপাচারকারীরা যে রুট ব্যবহার করে, সেটি বেশ বিপজ্জনক। জাতিসংঘের বৈশ্বিক অভিবাসন বিষয়ক অঙ্গসংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশনের (আইওএম) তথ্য অনুসারে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই রুটে প্রাণ হারিয়েছেন ৮৯০ জন। এই পথটিকে বিশ্বের সবচেয়ে ‘বিপদসঙ্কুল রুট’ বলে উল্লেখ করে করেছে।

তবে এত ঝুঁকি সত্ত্বেও অভিবাসনপ্রত্যাশী এবং মানবপাচারকারীদের কাছে এই রুটের ‘জনপ্রিয়তা’ কমছে না। কারণ আইওএম-এর তথ্য বলছে, বর্তমানে এই পথটি বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ত অভিবাসন রুট।

সূত্র : আলজাজিরা

এসি/আপ্র/০৭/০১/২০২৫

সংশ্লিষ্ট খবর

কঙ্গোর স্কুলে আগুন, পদদলনে ২৯ শিশুর মৃত্যু
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কঙ্গোর স্কুলে আগুন, পদদলনে ২৯ শিশুর মৃত্যু

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত বুকাভু শহরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর পদদলনে অন্তত ২৯...

৯/১১-এর ২৫ বছর: নিরাপত্তা বাড়লো, সন্ত্রাস কি কমলো?
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

৯/১১-এর ২৫ বছর: নিরাপত্তা বাড়লো, সন্ত্রাস কি কমলো?

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের চারটি বিমান ছিনতাই ছিল শুধু একটি সন্ত্রাসী হামলা নয়; এটি ছিল বৈশ্বিক নিরা...

বাব আল-মান্দেব প্রণালির দিকে অগ্রসর হচ্ছে হুথিরা
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাব আল-মান্দেব প্রণালির দিকে অগ্রসর হচ্ছে হুথিরা

ইয়েমেনে ইরান সমর্থিত হুথিরা লোহিত সাগরের তীরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ শহর আল-মাখা (মোচা)-এর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছ...

ইউক্রেন ইস্যুতে চুক্তিতে আসতে চান পুতিন, দাবি ট্রাম্পের
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইউক্রেন ইস্যুতে চুক্তিতে আসতে চান পুতিন, দাবি ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে তার ট...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে ড. ইউনূসকে

বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এই কর পরিশোধের জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৩ অর্থবছর সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন এই রায় সঠিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 15 ঘন্টা আগে