গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

মেনু

যুক্তরাষ্ট্রের নেশন অব ইসলামের নেত্রী খাদিজা ফারাখানের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯:১৮ পিএম, ৩০ জুন ২০২৬ | আপডেট: ২১:১০ এএম ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের নেশন অব ইসলামের নেত্রী খাদিজা ফারাখানের মৃত্যু
ছবি

নেশন অব ইসলামের প্রধান লুই ফারাখান এবং স্ত্রী খাদিজা ফারাখান -ছবি ফনটেইন মোহাম্মদের ফেসবুক পেজ থেকে সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের মুসলিম ও কৃষ্ণাঙ্গ অধিকার আন্দোলনভিত্তিক সংগঠন ‘নেশন অব ইসলাম’-এর দীর্ঘদিনের নেতা লুই ফারাখানের স্ত্রী ও সংগঠনের ফার্স্ট লেডি খাদিজা ফারাখান মারা গেছেন। তিনি ২৭ জুন ৯০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।

মিডল ইস্ট আইয়ের তথ্য অনুযায়ী, নেশন অব ইসলামের শুরা এক্সিকিউটিভ কাউন্সিল এক বিবৃতিতে তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, ‘আল্লাহর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সম্মানিত নেতা লুই ফারাখান গভীর শোকের সঙ্গে অবহিত করছেন, তাঁর ৭২ বছরের জীবনসঙ্গী মাদার খাদিজা আল্লাহর কাছে ফিরে গেছেন।’

সংগঠনের অনুসারীদের কাছে ‘মাদার খাদিজা’ নামে পরিচিত এই নেত্রী নেশন অব ইসলামের বিকাশ ও নেতৃত্ব গঠনে সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের দক্ষিণাংশে অবস্থিত মারিয়াম মসজিদ ছিল সংগঠনের কেন্দ্র, যেখানে ফারাখান পরিবারের বসবাস।

খাদিজা ফারাখানের পূর্বনাম ছিল বেটসি রস। ১৯৫৩ সালের ১২ সেপ্টেম্বর তিনি লুই ইউজিন ওয়ালকটের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন, যিনি পরবর্তীতে লুই ফারাখান নামে পরিচিত হন। ১৯৫৫ সালে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন এবং একই বছরে তাঁর স্বামী নেশন অব ইসলাম আন্দোলনে যুক্ত হন। দম্পতির নয়জন সন্তান ছিল।

খাদিজা শুধু সংগঠনের নেতার স্ত্রী হিসেবেই নয়, নিজেও আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ১৯৯৭ সালে ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত ‘মিলিয়ন উইমেন মার্চ’-এ তিনি বক্তব্য দেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘একটি জাতি তার নারীদের অবস্থানের চেয়ে বেশি উচ্চতায় উঠতে পারে না।’

১৯৩০ সালে প্রতিষ্ঠিত নেশন অব ইসলাম যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠীর আত্মনির্ভরশীলতা ও সামাজিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গড়ে ওঠা একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও রাজনৈতিক আন্দোলন। সংগঠনটি পরবর্তীতে এলিজা মুহাম্মদের নেতৃত্বে বিস্তৃত হয় এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে।

পরে লুই ফারাখান ১৯৭৭ সালে সংগঠন পুনর্গঠন করেন এবং এর কৃষ্ণাঙ্গ জাতীয়তাবাদভিত্তিক কর্মসূচি পুনরুজ্জীবিত করেন। সেই ধারার বিকাশে খাদিজা ফারাখান দীর্ঘ সময় ধরে সমর্থন ও নেতৃত্বের পাশে ছিলেন।

খাদিজা ফারাখানের মরদেহ বুধবার ও বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত শিকাগোর মারিয়াম মসজিদে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হবে। আগামী শুক্রবার সকাল ১১টায় একই মসজিদে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
সানা/ডিসি/আপ্র/৩০/৬/২০২৬
 

সংশ্লিষ্ট খবর

হরমুজ ব্যবস্থাপনায় ইরান ও ওমানের মধ্যে সমঝোতা
৩০ জুন ২০২৬

হরমুজ ব্যবস্থাপনায় ইরান ও ওমানের মধ্যে সমঝোতা

হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা নিয়ে যৌথ কমিটির প্রথম বৈঠকে ঐকমত্যে পৌঁছেছে ইরান ও ওমান। বৈঠকে প...

মিয়ানমারে সু চির জীবিত থাকার প্রমাণ চান ছেলে কিম
৩০ জুন ২০২৬

মিয়ানমারে সু চির জীবিত থাকার প্রমাণ চান ছেলে কিম

মিয়ানমারের সামরিক জান্তার কাছে নোবেল বিজয়ী অং সান সু চি জীবিত আছেন কি না, তার প্রমাণ চেয়েছেন তাঁর ছে...

সব নতুন বাস এসি করার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের
৩০ জুন ২০২৬

সব নতুন বাস এসি করার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের

তামিলনাড়ুতে এখন থেকে কেনা সব নতুন বাস শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) করার নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত...

যুক্তরাজ্যে আশ্রয়প্রার্থীদের দিতে হতে পারে ১৬ লাখ টাকা
৩০ জুন ২০২৬

যুক্তরাজ্যে আশ্রয়প্রার্থীদের দিতে হতে পারে ১৬ লাখ টাকা

যুক্তরাজ্যে আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য নতুন কঠোর আইন চালুর প্রস্তাব করেছে সরকার। প্রস্তাবিত নিয়ম অনুযায়ী,...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

ট্রাইব্যুনাল আইন নিয়ে রিট বিতর্ক ও হেয় প্রতিপন্ন করার প্রচেষ্টা

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইন, ১৯৭৩-এর সাংবিধানিক বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে দায়ের করা রিট আবেদনটি ট্রাইব্যুনালকে বিতর্কিত ও হেয় প্রতিপন্ন করার একটি প্রচেষ্টা। আপনি কি মনে করেন চিফ প্রসিকিউটরের মন্তব্য সঠিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 1 দিন আগে