গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ সৃজনশীল দৈনিক
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেনু

ট্রাম্প প্রশাসনে আস্থাহীনতা, জরিপে উদ্বেগ বাড়ছে

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রত্যাশা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯:২৭ পিএম, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ২২:৫৫ এএম ২০২৬
ট্রাম্প প্রশাসনে আস্থাহীনতা, জরিপে উদ্বেগ বাড়ছে
ছবি

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর প্রশাসনের দক্ষতা নিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটার সন্দিহান-এমন চিত্র উঠে এসেছে ফক্স নিউজ পরিচালিত এক জরিপে -ফাইল ছবি

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কেন্দ্রীয় সরকার পরিচালনায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর প্রশাসনের দক্ষতা নিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটার সন্দিহান-এমন চিত্র উঠে এসেছে ফক্স নিউজ পরিচালিত এক জরিপে। এতে দেখা গেছে, মাত্র ৪৩ শতাংশ ভোটার বর্তমান প্রশাসনকে দক্ষ মনে করেন, বিপরীতে ৫৬ শতাংশের মধ্যে রয়েছে সংশয়।

গত ১৭ থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত দৈবচয়ন পদ্ধতিতে নির্বাচিত ১ হাজার ১ জন নিবন্ধিত ভোটারের ওপর এ জরিপ পরিচালিত হয়। ফলাফলে দেখা যায়, ৫৮ শতাংশ ভোটার ট্রাম্পের কাজের প্রতি অসন্তুষ্ট।

বিভিন্ন নীতিগত ক্ষেত্রেও তার প্রতি আস্থার ঘাটতি স্পষ্ট। অভিবাসন নীতিতে আস্থা প্রকাশ করেছেন ৪৬ শতাংশ ভোটার। পররাষ্ট্রনীতিতে ৪০ শতাংশ, অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় ৩৪ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে মাত্র ২৮ শতাংশ ভোটার সন্তুষ্ট। ইরান ইস্যুতেও ট্রাম্পের পক্ষে সমর্থন রয়েছে মাত্র ৩৭ শতাংশের। তবে সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থায় তুলনামূলক ইতিবাচক চিত্র দেখা গেছে, যেখানে ৫৩ শতাংশ ভোটার সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

জরিপে প্রেসিডেন্টের ব্যক্তিগত আচরণ ও সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ৬০ শতাংশ ভোটার মনে করেন, দায়িত্ব পালনের জন্য প্রয়োজনীয় মানসিক স্থিরতা বা মেজাজ ট্রাম্পের নেই। ৫৭ শতাংশ তার বিচারবুদ্ধি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন এবং ৫৫ শতাংশ তার মানসিক সুস্থতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।

রাজনৈতিক বিভাজনও জরিপে স্পষ্ট হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে প্রতি ১০ জনে প্রায় ৯ জন প্রশাসনের প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করেছেন। নিরপেক্ষ ভোটারদের মধ্যে প্রতি ১০ জনে ৭ জন একই মত পোষণ করেন। এমনকি রিপাবলিকানদের একটি অংশের মধ্যেও অসন্তোষ রয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের প্রতিও আস্থার ঘাটতি লক্ষ্য করা গেছে। ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও-এর প্রতি আস্থা রয়েছে ৪৪ শতাংশ ভোটারের। প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ-এর ক্ষেত্রে সন্তুষ্টির হার আরো কম, ৪১ শতাংশ।

তবে ট্রাম্পের রাজনৈতিক ঘরানার সমর্থকদের মধ্যে চিত্র ভিন্ন। ‘আমেরিকাকে আবার মহান করো’ আন্দোলনের সমর্থকদের ৮০ শতাংশের বেশি এই প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাজে সন্তুষ্ট। কিন্তু এই গোষ্ঠীর বাইরে থাকা ভোটারদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই জরিপে যেমন প্রশাসনের প্রতি আস্থাহীনতার চিত্র উঠে এসেছে, তেমনি যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে ক্রমবর্ধমান বিভাজনের ইঙ্গিতও স্পষ্ট হয়েছে।
সানা/আপ্র/২৪/৪/২০২৬

 

সংশ্লিষ্ট খবর

৯/১১-এর ২৫ বছর: নিরাপত্তা বাড়লো, সন্ত্রাস কি কমলো?
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

৯/১১-এর ২৫ বছর: নিরাপত্তা বাড়লো, সন্ত্রাস কি কমলো?

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের চারটি বিমান ছিনতাই ছিল শুধু একটি সন্ত্রাসী হামলা নয়; এটি ছিল বৈশ্বিক নিরা...

বাব আল-মান্দেব প্রণালির দিকে অগ্রসর হচ্ছে হুথিরা
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাব আল-মান্দেব প্রণালির দিকে অগ্রসর হচ্ছে হুথিরা

ইয়েমেনে ইরান সমর্থিত হুথিরা লোহিত সাগরের তীরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ শহর আল-মাখা (মোচা)-এর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছ...

ইউক্রেন ইস্যুতে চুক্তিতে আসতে চান পুতিন, দাবি ট্রাম্পের
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইউক্রেন ইস্যুতে চুক্তিতে আসতে চান পুতিন, দাবি ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে তার ট...

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরই ইরান যুদ্ধ শেষ হবে: ট্রাম্প
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরই ইরান যুদ্ধ শেষ হবে: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রে আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরই ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ শেষ হয়ে যাবে বলে আশা...

মন্তব্য বৈশিষ্ট্য বন্ধ রয়েছে

বর্তমানে মন্তব্য বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। অনুগ্রহ করে পরে আবার চেষ্টা করুন।

অনলাইন জরিপ

৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে ড. ইউনূসকে

বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এই কর পরিশোধের জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৩ অর্থবছর সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন এই রায় সঠিক?

মোট ভোট: ১ | শেষ আপডেট: 11 ঘন্টা আগে